শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যায় একজনের ফাঁসি
jugantor
শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যায় একজনের ফাঁসি

  রংপুর ব্যুরো  

০৮ নভেম্বর ২০২১, ০১:০৪:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা দিয়ে গুম করার অপরাধে আসামি হিরু মিয়া ওরফে খোড়া হিরুকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার দুপুরে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-৩ এর বিচারক আলী আহাম্মেদ এ রায় ঘোষণা করেন। সেই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে- ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার নন্দরামপুর ফতেপুর গ্রামের জহুরুল হকের ৬ বছরের শিশুকন্যা ও ব্র্যাক স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী জুলি খাতুনকে হিরু ওরফে খোড়া হিরু তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি গোপন রাখতে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর লাশ তার ঘরের ভেতরেই মাটি খুঁড়ে পুঁতে রাখে।

পরে নিহত শিশুর স্বজন ও এলাকাবাসী আসামি হিরুর বাড়িতে গিয়ে তার নিজের ঘর থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর চাচা খলিলুর রহমান বাদী হয়ে ওই রাতেই পীরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

আসামি হিরু আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শিশুটিকে হত্যা করে লাশ নিজের ঘরে মাটিচাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করে।

বাদীপক্ষে আদালতে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আদালত হিরুর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। সেই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা করারও আদেশ দেন আদালত।

সরকারপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিশেষ পিপি তাইজুর রহমান লাইজু এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

শিশুটির পরিবারের পক্ষেও এ রায়ের জন্য সরকারের আদালতের বিচার ব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যায় একজনের ফাঁসি

 রংপুর ব্যুরো 
০৮ নভেম্বর ২০২১, ০১:০৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ মাটিচাপা দিয়ে গুম করার অপরাধে আসামি হিরু মিয়া ওরফে খোড়া হিরুকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার দুপুরে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-৩ এর বিচারক আলী আহাম্মেদ এ রায় ঘোষণা করেন। সেই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে- ২০১৩ সালের ১১ এপ্রিল দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার নন্দরামপুর ফতেপুর গ্রামের জহুরুল হকের ৬ বছরের শিশুকন্যা ও ব্র্যাক স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী জুলি খাতুনকে হিরু ওরফে খোড়া হিরু তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি গোপন রাখতে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর লাশ তার ঘরের ভেতরেই মাটি খুঁড়ে পুঁতে রাখে।

পরে নিহত শিশুর স্বজন ও এলাকাবাসী আসামি হিরুর বাড়িতে গিয়ে তার নিজের ঘর থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর চাচা খলিলুর রহমান বাদী হয়ে ওই রাতেই পীরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।

আসামি হিরু আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শিশুটিকে হত্যা করে লাশ নিজের ঘরে মাটিচাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করে।

বাদীপক্ষে আদালতে ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জেরা শেষে আদালত হিরুর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। সেই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা করারও আদেশ দেন আদালত।

সরকারপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিশেষ পিপি তাইজুর রহমান লাইজু এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

শিশুটির পরিবারের পক্ষেও এ রায়ের জন্য সরকারের আদালতের বিচার ব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন