স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ প্রেমিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
jugantor
স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ প্রেমিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  জয়পুরহাট প্রতিনিধি  

০৮ নভেম্বর ২০২১, ২২:৫৬:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামে স্বামী পলাশ হোসেনকে (৩৬) হত্যার দায়ে স্ত্রী ছনি খাতুনসহ (৩২) প্রেমিক রনি হোসেনকে(২৭) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

সেই সঙ্গে তাদের(দণ্ডপ্রাপ্তদের) উভয়ের ২০হাজার টাকা জরিমানা,অনাদায়ে প্রত্যেকের আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নূর ইসলাম জনাকীর্ন আদালতে এ রায় ঘোষনা করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি- স্ত্রী ছনি খাতুন নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার শ্যামাপুর গ্রামের শফিউর রহমানের মেয়ে ও তার পরকীয়া প্রেমিক রনি হোসেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাবলু মন্ডলের ছেলে।

এ মামলা সূত্রে জানা গেছে,গত ২০১৫সালের ১১ মার্চ সকালে পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে পলাশ হোসেনের লাশ (মরদেহ) তার নিজ বাড়ির সামনের পুকুরে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দেয়া অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহত পলাশ হোসেনের বাবা- আবু বক্কর সিদ্দিক বাদী হয়ে পরদিন পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্ত চলাকালে আসামি সনি খাতুন স্বেচ্ছায় আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের একটি খামার বাড়িতে চাকুরির সুবাদে রনি হোসেনের সঙ্গে পরিচয় হয় সনি খাতুনের। পরে তারা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তার স্বামী পলাশ হোসেন তাকে ও তার প্রেমিক রনি হোসেনকে নিয়ে সন্দেহ করতেন। তখন সনি পথের কাঁটা সরাতে স্বামী পলাশকে খুন করার জন্য প্রেমিক রনির সাথে পরিকল্পনা করেন। সুযোগ বুঝে খাবারের সাথে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে সনি তার স্বামীকে ঘুমিয়ে রাখে। পরে পরিকল্পনা মত সনি প্রেমিক রনিকে নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী পলাশকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাড়ির সামনে পুকুরে তার লাশ (মরদেহ) ফেলে দেন।

সোমবার দীর্ঘ শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল এবং আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ও রায়হান কবির।

স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ প্রেমিকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

 জয়পুরহাট প্রতিনিধি 
০৮ নভেম্বর ২০২১, ১০:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামে স্বামী পলাশ হোসেনকে (৩৬) হত্যার দায়ে স্ত্রী ছনি খাতুনসহ (৩২) প্রেমিক রনি হোসেনকে(২৭) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত। 

সেই সঙ্গে তাদের(দণ্ডপ্রাপ্তদের) উভয়ের ২০হাজার টাকা জরিমানা,অনাদায়ে প্রত্যেকের আরও এক বছরের সশ্রম  কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়েছে। 

সোমবার দুপুরে জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নূর ইসলাম জনাকীর্ন আদালতে এ রায় ঘোষনা করেন। 

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি- স্ত্রী ছনি খাতুন নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার শ্যামাপুর গ্রামের শফিউর রহমানের মেয়ে ও তার পরকীয়া প্রেমিক রনি হোসেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাবলু মন্ডলের ছেলে। 

এ মামলা সূত্রে জানা গেছে,গত ২০১৫সালের ১১ মার্চ সকালে পাঁচবিবি উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে পলাশ হোসেনের লাশ (মরদেহ) তার নিজ বাড়ির সামনের পুকুরে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দেয়া অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। 

এ ঘটনায় নিহত  পলাশ হোসেনের বাবা- আবু বক্কর সিদ্দিক  বাদী হয়ে পরদিন পাঁচবিবি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।  

মামলার তদন্ত চলাকালে আসামি সনি খাতুন স্বেচ্ছায় আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। 
তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার পশ্চিম রামচন্দ্রপুর গ্রামের একটি খামার বাড়িতে চাকুরির সুবাদে রনি হোসেনের সঙ্গে পরিচয় হয় সনি খাতুনের। পরে তারা পরকীয়ায়  জড়িয়ে পড়েন। তার স্বামী পলাশ হোসেন  তাকে ও তার প্রেমিক রনি হোসেনকে নিয়ে সন্দেহ করতেন। তখন সনি পথের কাঁটা সরাতে স্বামী পলাশকে খুন করার জন্য প্রেমিক রনির সাথে পরিকল্পনা করেন। সুযোগ বুঝে খাবারের সাথে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে সনি তার স্বামীকে ঘুমিয়ে রাখে। পরে পরিকল্পনা মত সনি প্রেমিক রনিকে নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামী পলাশকে শ্বাসরোধে হত্যার পর বাড়ির সামনে পুকুরে তার লাশ (মরদেহ) ফেলে দেন। 

সোমবার দীর্ঘ শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালত এ রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল এবং আসামী পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ও রায়হান কবির।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন