বগুড়ায় ‘বিদ্রোহী’ হওয়ায় ১৪ আ.লীগ নেতাকে অব্যাহতি
jugantor
বগুড়ায় ‘বিদ্রোহী’ হওয়ায় ১৪ আ.লীগ নেতাকে অব্যাহতি

  বগুড়া ব্যুরো  

০৯ নভেম্বর ২০২১, ১৩:৩৬:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া

বগুড়ায় দ্বিতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করায় ‘বিদ্রোহী’ ১৪ প্রার্থীকে দলের নিজ নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রে সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু স্বাক্ষরিত চিঠি গণমাধ্যমে পাঠান দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল।

আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, আগামী ১১ নভেম্বর বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ১১ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নৌকা প্রার্থীর বিপক্ষে চেয়ারম্যান পদে অংশ নেওয়ায় পাঁচ ইউনিয়নে নয় বিদ্রোহীকে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

পিরব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলেন আবদুল করিম। এখানে বিদ্রোহী হয়ে অব্যাহতি পেলেন, পিরব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোজাম্মেল হক এবং আওয়ামী লীগ সমর্থক আশিক মাহমু মিল্টন। বিহার ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম এবারও প্রার্থিতা পেয়েছেন। তার বিপক্ষে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পদ হারালেন, ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আবদুল মতিন। দেউলি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। বিদ্রোহী হয়ে পদ হারালেন, বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুল হাই। তিনি গত ২০১৬ সালের নির্বাচনেও বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচিত হন।

ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন টুটুল এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মর্তুজা। আটমুল ইউনিয়নে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। এখানে বিদ্রোহী হয়ে পদ হারালেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বেলাল হোসেন। তিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনেও বিদ্রোহী হয়েছিলেন। ময়দানহাট্টা ইউনিয়নে নৌকা পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম রূপম। তার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে পদ হারিয়েছেন, যুবলীগ নেতা আবু জাফর মণ্ডল ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু সামাদ তোতা।

অপরদিকে শেরপুর উপজেলার নয় ইউনিয়নের মধ্যে দুটিতে পাঁচ বিদ্রোহী প্রার্থীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিশালপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন শাহজাহান আলী। এখানে বিদ্রোহী হয়ে অব্যাহতি পেলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, আওয়ামী লীগ সমর্থক সাধন চন্দ্র ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সদস্য রাফিউল ইসলাম বাবু।

এ ছাড়া খানপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন পরিমল দত্ত। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে পদ হারালেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রানজু এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজী জুয়েল জানান, সভাপতি ও মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুর নির্দেশক্রমে ১৪ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্ব স্ব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

বগুড়ায় ‘বিদ্রোহী’ হওয়ায় ১৪ আ.লীগ নেতাকে অব্যাহতি

 বগুড়া ব্যুরো 
০৯ নভেম্বর ২০২১, ০১:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বগুড়া
ফাইল ছবি

বগুড়ায় দ্বিতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করায় ‘বিদ্রোহী’ ১৪ প্রার্থীকে দলের নিজ নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রে সুপারিশ করা হয়েছে। 

সোমবার রাতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু স্বাক্ষরিত চিঠি গণমাধ্যমে পাঠান দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল।

আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, আগামী ১১ নভেম্বর বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ১১ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নৌকা প্রার্থীর বিপক্ষে চেয়ারম্যান পদে অংশ নেওয়ায় পাঁচ ইউনিয়নে নয় বিদ্রোহীকে আওয়ামী লীগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

 পিরব ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলেন আবদুল করিম। এখানে বিদ্রোহী হয়ে অব্যাহতি পেলেন, পিরব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোজাম্মেল হক এবং আওয়ামী লীগ সমর্থক আশিক মাহমু মিল্টন। বিহার ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম এবারও প্রার্থিতা পেয়েছেন। তার বিপক্ষে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পদ হারালেন, ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আবদুল মতিন। দেউলি ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। বিদ্রোহী হয়ে পদ হারালেন, বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবদুল হাই। তিনি গত ২০১৬ সালের নির্বাচনেও বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচিত হন। 

ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন টুটুল এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মর্তুজা। আটমুল ইউনিয়নে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। এখানে বিদ্রোহী হয়ে পদ হারালেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বেলাল হোসেন। তিনি ২০১৬ সালের নির্বাচনেও বিদ্রোহী হয়েছিলেন। ময়দানহাট্টা ইউনিয়নে নৌকা পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান এসএম রূপম। তার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে পদ হারিয়েছেন, যুবলীগ নেতা আবু জাফর মণ্ডল ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদু সামাদ তোতা।

অপরদিকে শেরপুর উপজেলার নয় ইউনিয়নের মধ্যে দুটিতে পাঁচ বিদ্রোহী প্রার্থীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিশালপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন শাহজাহান আলী। এখানে বিদ্রোহী হয়ে অব্যাহতি পেলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান জাকির হোসেন, আওয়ামী লীগ সমর্থক সাধন চন্দ্র ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সদস্য রাফিউল ইসলাম বাবু। 

এ ছাড়া খানপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেন পরিমল দত্ত। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে পদ হারালেন, ২০১৬ সালের নির্বাচনে বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রানজু এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজী জুয়েল জানান, সভাপতি ও মজিবর রহমান মজনু ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপুর নির্দেশক্রমে ১৪ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের স্ব স্ব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন