জাহাজমারা সৈকতে বিচ ফেস্টিভ্যাল, দর্শনার্থীদের ভিড়
jugantor
জাহাজমারা সৈকতে বিচ ফেস্টিভ্যাল, দর্শনার্থীদের ভিড়

  যুগান্তর প্রতিবেদন, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)  

১০ নভেম্বর ২০২১, ০২:৩৫:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা জাহাজমারা সৈকতে বিচ ফেস্টিভ্যাল ২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভ্রমণপিয়াসু পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সৈকতে প্রথমবারের মত এ আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নিতে ভিড় জমায় হাজারও দর্শনার্থী।

বিচ ফেস্টিবল উপলক্ষে মঙ্গলবার দিনব্যাপী জাহাজমারা সৈকতে বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়। ঘুড়ি উৎসব, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো সৈকত। প্রদর্শন হয় বালু ভাস্কয ‘মৎস্যকন্যা’।

এর পরে আতশবাজি ফুটিয়ে সৈকতে ফানুস উড়িয়ে সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় নিয়ে ফেস্টিভ্যালের আয়োজন শেষ হয়।

দর্শনার্থীরা জানান, প্রথমবারের মত এ আয়োজন ছিল তাদের কাছে মনমুগ্ধকর । প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে এ ধরণের আয়োজন করা হলে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কাছে জাহাজমারা সৈকতের পরিচিতি আরও বাড়বে বলে মনে করেন তারা।

উপজেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে মৌডুবি ইউপির উদ্যোগে বিচ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের ধারণা, ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষে পাঁচ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে সৈকতে।

মৌডুবি ইউনিয়নের প্রশাসক মনিরুল ইসলাম বলেন, ভ্রমণপিয়াসু পর্যটকদের জাহাজমারার প্রতি আকৃষ্ট করতেই প্রথমবারের মত বিচ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, জাহাজমারাসহ রাঙ্গাবালীর কয়েকটি পর্যটন সম্ভাবনার দ্বীপকে ট্যুরিস্ট জোন করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এসব দ্বীপ ট্যুরিস্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হলে পর্যটন সম্ভাবনার বিকাশ ঘটবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. জহির উদ্দিন বলেন, জাহাজমারার প্রচারের জন্য প্রতিবছর এ ধরণের আয়োজন করতে চাই আমরা। কুয়াকাটার চেয়ে সুন্দর করে গড়তে চাই জাহাজমারাকে।

জাহাজমারা সৈকতে বিচ ফেস্টিভ্যাল, দর্শনার্থীদের ভিড়

 যুগান্তর প্রতিবেদন, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) 
১০ নভেম্বর ২০২১, ০২:৩৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা জাহাজমারা সৈকতে বিচ ফেস্টিভ্যাল ২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ভ্রমণপিয়াসু পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সৈকতে প্রথমবারের মত এ আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নিতে ভিড় জমায় হাজারও দর্শনার্থী।

বিচ ফেস্টিবল উপলক্ষে মঙ্গলবার দিনব্যাপী জাহাজমারা সৈকতে বর্ণাঢ্য আয়োজন করা হয়। ঘুড়ি উৎসব, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো সৈকত। প্রদর্শন হয় বালু ভাস্কয ‘মৎস্যকন্যা’। 

এর পরে আতশবাজি ফুটিয়ে সৈকতে ফানুস উড়িয়ে সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করার প্রত্যয় নিয়ে ফেস্টিভ্যালের আয়োজন শেষ হয়।

দর্শনার্থীরা জানান, প্রথমবারের মত এ আয়োজন ছিল তাদের কাছে মনমুগ্ধকর । প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে এ ধরণের আয়োজন করা হলে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের কাছে জাহাজমারা সৈকতের পরিচিতি আরও বাড়বে বলে মনে করেন তারা।

উপজেলা প্রশাসনের তত্বাবধানে মৌডুবি ইউপির উদ্যোগে বিচ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের ধারণা, ফেস্টিভ্যাল উপলক্ষে পাঁচ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে সৈকতে।

মৌডুবি ইউনিয়নের প্রশাসক মনিরুল ইসলাম বলেন, ভ্রমণপিয়াসু পর্যটকদের জাহাজমারার প্রতি আকৃষ্ট করতেই প্রথমবারের মত বিচ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, জাহাজমারাসহ রাঙ্গাবালীর কয়েকটি পর্যটন সম্ভাবনার দ্বীপকে ট্যুরিস্ট জোন করার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। এসব দ্বীপ ট্যুরিস্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হলে পর্যটন সম্ভাবনার বিকাশ ঘটবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. জহির উদ্দিন বলেন, জাহাজমারার প্রচারের জন্য প্রতিবছর এ ধরণের আয়োজন করতে চাই আমরা। কুয়াকাটার চেয়ে সুন্দর করে গড়তে চাই জাহাজমারাকে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন