ভবদহের অভিশাপ থেকে মুক্তি চায় মানুষ
jugantor
ভবদহের অভিশাপ থেকে মুক্তি চায় মানুষ

  কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি  

১০ নভেম্বর ২০২১, ২১:২৬:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের ভবদহের অঞ্চলের মানবসৃষ্ট দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে কেশবপুরে জলাবদ্ধ ২৭ বিলের পানি নিষ্কাশনের দাবিতে মানববন্ধনসহ স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। ভবদহের অভিশাপ থেকে মুক্তি চায় মানুষ।

বুধবার দুপুরে ২৭ বিল বাঁচাও সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে কেশবপুর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর ১৪ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। মানববন্ধনে জলাবদ্ধ এলাকার শ্রমজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে যশোর জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে— আগামী মাঘী পূর্ণিমার আগে বিল কপালিয়ায় জোয়ারাধার (টিআরএম) প্রকল্প চালু করতে হবে, সব নদী অববাহিকায় একটি করে জোয়ারাধার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে, জোয়ারাধারকৃত বিলের জমি মালিকদের সহজ শর্তে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করতে হবে, পদ্মা, ভৈরব ও মাথাভাঙ্গা নদীর সঙ্গে এ অঞ্চলের নদীগুলোর সংযোগ স্থাপন করতে হবে, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে জন সম্পৃক্তকরণ নিশ্চিত করতে হবে, সমস্যা সমাধানে লোকজ জ্ঞানের সমন্বয় ঘটাতে হবে, সকল নদ-নদী দখল মুক্ত করতে হবে, সমস্যা সমাধানে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় কমিটি গঠন করতে হবে, জলাবদ্ধ এলাকায় ৬ মাস ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ গোখাদ্যের ভর্তুকি দিতে হবে।

২৭ বিল বাঁচাও সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক বাবুর আলী গোলদারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও উপজেলা নাগরিক সমাজের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিকী।

এ সময় বক্তব্য দেন- ইউপি মেম্বার বৈদ্যনাথ সরকার, মাসুদা বেগম বিউটি, জলাবদ্ধ এলাকার উত্তম কুমার গাইন, আজগর আলী, সনজিৎ বিশ্বাস, রবিউল ইসলাম, পার্থ সারথী সরকার প্রমুখ।

ভবদহের অভিশাপ থেকে মুক্তি চায় মানুষ

 কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি 
১০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের ভবদহের অঞ্চলের মানবসৃষ্ট দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে কেশবপুরে জলাবদ্ধ ২৭ বিলের পানি নিষ্কাশনের দাবিতে মানববন্ধনসহ স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। ভবদহের অভিশাপ থেকে মুক্তি চায় মানুষ।

বুধবার দুপুরে ২৭ বিল বাঁচাও সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে কেশবপুর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর ১৪ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। মানববন্ধনে জলাবদ্ধ এলাকার শ্রমজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে যশোর জেলা প্রশাসক বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে— আগামী মাঘী পূর্ণিমার আগে বিল কপালিয়ায় জোয়ারাধার (টিআরএম) প্রকল্প চালু করতে হবে, সব নদী অববাহিকায় একটি করে জোয়ারাধার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে, জোয়ারাধারকৃত বিলের জমি মালিকদের সহজ শর্তে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের চিকিৎসা বিনামূল্যে করতে হবে, পদ্মা, ভৈরব ও মাথাভাঙ্গা নদীর সঙ্গে এ অঞ্চলের নদীগুলোর সংযোগ স্থাপন করতে হবে, প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে জন সম্পৃক্তকরণ নিশ্চিত করতে হবে, সমস্যা সমাধানে লোকজ জ্ঞানের সমন্বয় ঘটাতে হবে, সকল নদ-নদী দখল মুক্ত করতে হবে, সমস্যা সমাধানে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় কমিটি গঠন করতে হবে, জলাবদ্ধ এলাকায় ৬ মাস ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ গোখাদ্যের ভর্তুকি দিতে হবে।

২৭ বিল বাঁচাও সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক বাবুর আলী গোলদারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও উপজেলা নাগরিক সমাজের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু বকর সিদ্দিকী।

এ সময় বক্তব্য দেন- ইউপি মেম্বার বৈদ্যনাথ সরকার, মাসুদা বেগম বিউটি, জলাবদ্ধ এলাকার উত্তম কুমার গাইন, আজগর আলী, সনজিৎ বিশ্বাস, রবিউল ইসলাম, পার্থ সারথী সরকার প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন