অপহরণের পর ৩ দিন আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ
jugantor
অপহরণের পর ৩ দিন আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

  গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি  

১১ নভেম্বর ২০২১, ২১:১৫:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

অপহরণ করে তিন দিন আটকে রেখে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাত সোয়া ৩টার দিকে মুলাদী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের ফয়সাল মুন্সীর বাড়ি থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত জুয়েল খানকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে টমটম চালক জুয়েল খানসহ ৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৭ জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার সকালে গৌরনদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, গৌরনদী উপজেলার চরকুতুবপুর গ্রামের রুস্তম খানের বখাটে ছেলে টমটম চালক জুয়েল খান স্কুলে আসা যাওয়ার পথে সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে আসছিল। স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওই ছাত্রী গত ৮ নভেম্বর (সোমবার) ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে জুয়েল খানের নেতৃত্বে বখাটে ৬-৭ জন ওই স্কুলছাত্রীর পথরোধ করে। এ সময় অপহরণকারীরা ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক মাহিন্দ্রায় তুলে নিয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে জুয়েল।

তিনি জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মুলাদী থানা পুলিশের সহযোগিতায় বুধবার রাত সোয়া ৩টার দিকে মুলাদী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে জুয়েলের ভগিনীপতি ফয়সাল মুন্সীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপহৃত ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও প্রধান অভিযুক্ত জুয়েল খানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ছাত্রীকে বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ২২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার জন্য বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শহিদুল ইসলাম জানান।

অপহরণের পর ৩ দিন আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

 গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি 
১১ নভেম্বর ২০২১, ০৯:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অপহরণ করে তিন দিন আটকে রেখে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাত সোয়া ৩টার দিকে মুলাদী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের ফয়সাল মুন্সীর বাড়ি থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত জুয়েল খানকে (২০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে টমটম চালক জুয়েল খানসহ ৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৭ জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার সকালে গৌরনদী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শহিদুল ইসলাম জানান, গৌরনদী উপজেলার চরকুতুবপুর গ্রামের রুস্তম খানের বখাটে ছেলে টমটম চালক জুয়েল খান স্কুলে আসা যাওয়ার পথে সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করে আসছিল। স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ওই ছাত্রী গত ৮ নভেম্বর (সোমবার) ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে জুয়েল খানের নেতৃত্বে বখাটে ৬-৭ জন ওই স্কুলছাত্রীর পথরোধ করে। এ সময় অপহরণকারীরা ওই স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক মাহিন্দ্রায় তুলে নিয়ে যায়। এরপর বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে জুয়েল।

তিনি জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মুলাদী থানা পুলিশের সহযোগিতায় বুধবার রাত সোয়া ৩টার দিকে মুলাদী উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামে জুয়েলের ভগিনীপতি ফয়সাল মুন্সীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপহৃত ওই ছাত্রীকে উদ্ধার ও প্রধান অভিযুক্ত জুয়েল খানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ছাত্রীকে বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ২২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার জন্য বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শহিদুল ইসলাম জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন