ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মনা জানতে পারে সে ভোট আগেই দিয়ে গেছে!
jugantor
ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মনা জানতে পারে সে ভোট আগেই দিয়ে গেছে!

  পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি  

১২ নভেম্বর ২০২১, ১৪:৫০:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মনা জানতে পারে সে ভোট আগেই দিয়ে গেছে!

রংপুরের পীরগাছায় দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার গুজবে ভোটারকে নিয়ে দুই গ্রুপের টানাটানির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার পারুল ইউনিয়নে রসেচাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে ঘটে এ ঘটনা। এ নিয়ে মেম্বার প্রার্থীদের দুই গ্রুপের চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, ২নং পারুল ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী ভোটার মকবুল ও মনা দুই ভাই।বড় ভাই মকবুল তার ভোট দিতে সেচাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে যান। মকবুল তার ভোট দেয় ঠিকই কিন্তু দায়িত্বে থাকা পোলিং অফিসার দুই ভাইয়ের নাম ভোটার লিস্টে পাশাপাশি হওয়ায় ভুল করে মকবুলের নামে টিকচিহ্ন না দিয়ে তার ছোট ভাই মনার নামের ওপর টিকচিহ্ন দেন।

এর কিছুক্ষণ পর ভোট দিতে যায় মনা। মনা গিয়ে জানতে পারে সে ভোট দিয়েছে। কিন্তু মনার দাবি সে ভোট দেয়নি। সে পরপর পাঁচবার ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যায় কিন্তু পোলিং অফিসার একই কথা বারবার মনাকে জানান। আর পরপর পাঁচবার ভোট কেন্দ্রে যাওয়ায় প্রতিপক্ষরা মনে করেন মনা আবার জাল ভোট দিতে এসেছেন। এ নিয়েই দুই গ্রুপের মাঝে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে মনাকে নিয়ে দুই গ্রুপের টানাটানি শুরু হয়।

পরে প্রশাসনের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জাল ভোট দেওয়ার গুজবে দুই মেম্বার প্রার্থীদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

সেচাকান্দি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আশরাফুল ইসলাম বলেন, গুজব ছড়িয়ে মেম্বার প্রার্থীর লোকজন ঝামেলা করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার শোয়েব সিদ্দিকী বলেন, তেমন কোনো বড় ধরণের ঘটনা ছাড়াই ভোট সুষ্ঠুভাবে শেষ হয়েছে।

উল্লেখ্য, উপজেলার ৮ ইউনিয়নের ১১৭টি কেন্দ্রের ৬২৩টি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৮টি ইউনিয়নে ২ লাখ ৩৯ হাজার ২৯৯ জন ভোটার। এ জন্য ১১৭ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৬২৩ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও ১ হাজার ২৪৬ জন পুলিশ অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ, ৮ জন ম্যাজিষ্ট্রেট, ৪টি মোবাইল টিম, ১১৭ জন পিসি এবং এপিসিসহ ১ হাজার ৯৮৯ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।

ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মনা জানতে পারে সে ভোট আগেই দিয়ে গেছে!

 পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি 
১২ নভেম্বর ২০২১, ০২:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মনা জানতে পারে সে ভোট আগেই দিয়ে গেছে!
ছবি: যুগান্তর

রংপুরের পীরগাছায় দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে জাল ভোট দেওয়ার গুজবে ভোটারকে নিয়ে দুই গ্রুপের টানাটানির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার পারুল ইউনিয়নে রসেচাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে ঘটে এ ঘটনা। এ নিয়ে মেম্বার প্রার্থীদের দুই গ্রুপের চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, ২নং পারুল ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী ভোটার মকবুল ও মনা দুই ভাই।বড় ভাই মকবুল তার ভোট দিতে সেচাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে যান। মকবুল তার ভোট দেয় ঠিকই কিন্তু দায়িত্বে থাকা পোলিং অফিসার দুই ভাইয়ের নাম ভোটার লিস্টে পাশাপাশি হওয়ায় ভুল করে মকবুলের নামে টিকচিহ্ন না দিয়ে তার ছোট ভাই মনার নামের ওপর টিকচিহ্ন দেন।

এর কিছুক্ষণ পর ভোট দিতে যায় মনা। মনা গিয়ে জানতে পারে সে ভোট দিয়েছে। কিন্তু মনার দাবি সে ভোট দেয়নি। সে পরপর পাঁচবার ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যায় কিন্তু পোলিং অফিসার একই কথা বারবার মনাকে জানান। আর পরপর পাঁচবার ভোট কেন্দ্রে যাওয়ায় প্রতিপক্ষরা মনে করেন মনা আবার জাল ভোট দিতে এসেছেন। এ নিয়েই দুই গ্রুপের মাঝে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে মনাকে নিয়ে দুই গ্রুপের টানাটানি শুরু হয়।

পরে প্রশাসনের তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জাল ভোট দেওয়ার গুজবে দুই মেম্বার প্রার্থীদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝি হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করে।

সেচাকান্দি কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আশরাফুল ইসলাম বলেন, গুজব ছড়িয়ে মেম্বার প্রার্থীর লোকজন ঝামেলা করছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার শোয়েব সিদ্দিকী বলেন, তেমন কোনো বড় ধরণের ঘটনা ছাড়াই ভোট সুষ্ঠুভাবে শেষ হয়েছে।

উল্লেখ্য, উপজেলার ৮ ইউনিয়নের ১১৭টি কেন্দ্রের ৬২৩টি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৮টি ইউনিয়নে ২ লাখ ৩৯ হাজার ২৯৯ জন ভোটার। এ জন্য ১১৭ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৬২৩ জন সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও ১ হাজার ২৪৬ জন পুলিশ অফিসার, অতিরিক্ত পুলিশ, ৮ জন ম্যাজিষ্ট্রেট, ৪টি মোবাইল টিম, ১১৭ জন পিসি এবং এপিসিসহ ১ হাজার ৯৮৯ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন