স্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুল পরিদর্শনে ইলিয়াস কাঞ্চন
jugantor
স্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুল পরিদর্শনে ইলিয়াস কাঞ্চন

  সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি   

১৩ নভেম্বর ২০২১, ২১:৩৪:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতাসহ নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। শনিবার সকালে তিনি প্রয়াত স্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠিত জাহানারা কাঞ্চন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে সপ্তম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

ইলিয়াস কাঞ্চন শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাসহ নানা বিষয়ে আলোকপাত করেন। রাস্তায় দুর্ঘটনা এড়াতে তিনি সব শিক্ষার্থীকে সাবধানতা অবলম্বন করে চলাচলের পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষণীয় বিষয়াদিরও খোঁজখবর নেন।

পরে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীনের সভাপতিত্বে প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় শিক্ষকসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রওশন আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম, একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মতিবিনিময় সভায় শিক্ষকদের উদ্দেশে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ গ্রেড পর্যায়ে নিয়ে যেতে হলে সব শিক্ষকের দক্ষ, আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সেই দায়িত্বশীল থেকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান বাড়াতে কাজ করলে তবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভালো পর্যায়ে পৌঁছায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষা দিয়ে ভালোপর্যায়ে পৌঁছলে সরকারের নজর পড়ে। তখন সরকারের আগ্রহ সৃষ্টি হয় অবকাঠামো উন্নয়নে। এজন্য সব শিক্ষককে আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন মারা যান। স্ত্রীর স্মৃতির স্মারক হিসেবে ১৯৯৬ সালে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় তিনি জাহানারা কাঞ্চনের নামে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৮ সালে (জুনিয়র) ও ১৯৯৯ সালে (মাধ্যমিক) পর্যায়ে পাঠদানের স্বীকৃতি লাভ করে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি একাধিকবার উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতিও লাভ করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় এক হাজার ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করছে।

স্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুল পরিদর্শনে ইলিয়াস কাঞ্চন

 সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি  
১৩ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতা, সামাজিক দায়বদ্ধতাসহ নানা বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। শনিবার সকালে তিনি প্রয়াত স্ত্রীর নামে প্রতিষ্ঠিত জাহানারা কাঞ্চন স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে সপ্তম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। 

ইলিয়াস কাঞ্চন শিক্ষার্থীদের পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নীতি-নৈতিকতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতাসহ নানা বিষয়ে আলোকপাত করেন। রাস্তায় দুর্ঘটনা এড়াতে তিনি সব শিক্ষার্থীকে সাবধানতা অবলম্বন করে চলাচলের পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের শিক্ষণীয় বিষয়াদিরও খোঁজখবর নেন। 

পরে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীনের সভাপতিত্বে প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় শিক্ষকসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি। 

সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রওশন আলী, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সাইফুল ইসলাম, একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

মতিবিনিময় সভায় শিক্ষকদের উদ্দেশে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এ গ্রেড পর্যায়ে নিয়ে যেতে হলে সব শিক্ষকের দক্ষ, আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সেই দায়িত্বশীল থেকে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান বাড়াতে কাজ করলে তবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভালো পর্যায়ে পৌঁছায়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষা দিয়ে ভালোপর্যায়ে পৌঁছলে সরকারের নজর পড়ে। তখন সরকারের আগ্রহ সৃষ্টি হয় অবকাঠামো উন্নয়নে। এজন্য সব শিক্ষককে আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। 

প্রসঙ্গত, ১৯৯৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন মারা যান। স্ত্রীর স্মৃতির স্মারক হিসেবে ১৯৯৬ সালে পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলায় তিনি জাহানারা কাঞ্চনের নামে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৮ সালে (জুনিয়র) ও ১৯৯৯ সালে (মাধ্যমিক) পর্যায়ে পাঠদানের স্বীকৃতি লাভ করে। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যালয়টি একাধিকবার উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতিও লাভ করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় এক হাজার ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন