যুবলীগ নেতা হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবনসহ ২৫ জনের কারাদণ্ড
jugantor
যুবলীগ নেতা হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবনসহ ২৫ জনের কারাদণ্ড

  রাজশাহী ব্যুরো  

১৪ নভেম্বর ২০২১, ২১:৫৪:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন হত্যা মামলায় ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড, চারজনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১৫ জনকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।

রোববার দুপুরে জনাকীর্ণ এক আদালতে রাজশাহী দ্রুতবিচার টাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত ৩৩ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওয়াসিম রেজা (৩২), মোস্তাক আহম্মেদ ওরফে মেজার (৩৫), শরীফ দুলাল ওরফে সেতু (৪৩), মোহাম্মদ জহির ও আবু সুফিয়ান। তাদের সবার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার পালপুর ধরমপুর গ্রামে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন ২২ জন। পরে তদন্ত শেষে গোদাগাড়ী থানা পুলিশ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করেন। মামলায় ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ইসমাইল হোসেন গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেদিন বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা পালপুর স্কুল ভোট কেন্দ্র দখলে নিতে গেলে বাধা দিতে যান ইসমাইল। এ সময় তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই ইসমাইল হোসেন মারা যান। এ ঘটনায় স্ত্রী বিজলা বেগম গোদাগাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন।

যুবলীগ নেতা হত্যায় ৫ জনের যাবজ্জীবনসহ ২৫ জনের কারাদণ্ড

 রাজশাহী ব্যুরো 
১৪ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন হত্যা মামলায় ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড, চারজনকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১৫ জনকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।

রোববার দুপুরে জনাকীর্ণ এক আদালতে রাজশাহী দ্রুতবিচার টাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত ৩৩ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ওয়াসিম রেজা (৩২), মোস্তাক আহম্মেদ ওরফে মেজার (৩৫), শরীফ দুলাল ওরফে সেতু (৪৩), মোহাম্মদ জহির ও আবু সুফিয়ান। তাদের সবার বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার পালপুর ধরমপুর গ্রামে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন ২২ জন। পরে তদন্ত শেষে গোদাগাড়ী থানা পুলিশ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র প্রদান করেন।  মামলায় ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ইসমাইল হোসেন গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেদিন বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা পালপুর স্কুল ভোট কেন্দ্র দখলে নিতে গেলে বাধা দিতে যান ইসমাইল। এ সময় তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিনই ইসমাইল হোসেন মারা যান। এ ঘটনায় স্ত্রী বিজলা বেগম গোদাগাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন