এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ‘দিতে বিলম্ব’, দুই শিক্ষককে অব্যাহতি
jugantor
এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ‘দিতে বিলম্ব’, দুই শিক্ষককে অব্যাহতি

  বগুড়া ব্যুরো  

১৪ নভেম্বর ২০২১, ২২:৩১:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সোনাতলায় রোববার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষায় সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের একটি কক্ষে নির্ধারিত সময়ের কিছুক্ষণ পর প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এতে ফলাফল বিপর্যয়ের আশঙ্কায় কয়েকজন পরীক্ষার্থী কান্নাকাটি করেছে।

জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলা সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ১০৩নং কক্ষে বালুয়াহাট উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাতলা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও শিচারপাড়া বুলজান উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই কক্ষে স্থানীয় লুৎফর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিয়ান সাবু মিয়া ও সোনাতলা সবুজ সাথী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পল্লব মিয়া কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেন।

পরীক্ষার্থী বেশি হওয়ায় নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্র বিতরণে কিছু সময় বিলম্ব হয়। এ অজুহাতে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট পর খাতা জমা দেয়। পরীক্ষা শেষে কয়েকজন পরীক্ষার্থী তাদের ফলাফল বিপর্যয়ের আশঙ্কা করে কান্নাকাটি করে। তারা দুইজন পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তোলে। এ সময় কেন্দ্র সচিব মতিয়ার রহমান তাদের সান্ত্বনা দেন।

এ প্রসঙ্গে সোনাতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান হাবীব জানান, একটি কক্ষে পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন দিতে দেরি করায় এমন উদ্ভব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন জানান, পরীক্ষার্থী বেশি হওয়ায় প্রশ্নপত্র বিতরণে তিন মিনিট বিলম্ব হয়েছিল। এ কারণে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট পর খাতা জমা দেয়। এতে তারা ক্ষতির চেয়ে লাভবান হয়েছে। এরপরও দুই শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই কক্ষের শিক্ষার্থীদের দুই কক্ষে পরীক্ষা নিতে কেন্দ্র সচিবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ‘দিতে বিলম্ব’, দুই শিক্ষককে অব্যাহতি

 বগুড়া ব্যুরো 
১৪ নভেম্বর ২০২১, ১০:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার সোনাতলায় রোববার এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষায় সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের একটি কক্ষে নির্ধারিত সময়ের কিছুক্ষণ পর প্রশ্নপত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। এতে ফলাফল বিপর্যয়ের আশঙ্কায় কয়েকজন পরীক্ষার্থী কান্নাকাটি করেছে।

জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলা সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ১০৩নং কক্ষে বালুয়াহাট উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাতলা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও শিচারপাড়া বুলজান উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। ওই কক্ষে স্থানীয় লুৎফর রহমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিয়ান সাবু মিয়া ও সোনাতলা সবুজ সাথী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পল্লব মিয়া কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেন।

পরীক্ষার্থী বেশি হওয়ায় নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নপত্র বিতরণে কিছু সময় বিলম্ব হয়। এ অজুহাতে পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট পর খাতা জমা দেয়। পরীক্ষা শেষে কয়েকজন পরীক্ষার্থী তাদের ফলাফল বিপর্যয়ের আশঙ্কা করে কান্নাকাটি করে। তারা দুইজন পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তোলে। এ সময় কেন্দ্র সচিব মতিয়ার রহমান তাদের সান্ত্বনা দেন।

এ প্রসঙ্গে সোনাতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান হাবীব জানান, একটি কক্ষে পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন দিতে দেরি করায় এমন উদ্ভব পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন জানান, পরীক্ষার্থী বেশি হওয়ায় প্রশ্নপত্র বিতরণে তিন মিনিট বিলম্ব হয়েছিল। এ কারণে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট পর খাতা জমা দেয়। এতে তারা ক্ষতির চেয়ে লাভবান হয়েছে। এরপরও দুই শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই কক্ষের শিক্ষার্থীদের দুই কক্ষে পরীক্ষা নিতে কেন্দ্র সচিবকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন