এএসপি জামিলুলকে ওসি প্রদীপের আইনজীবীর জেরা
jugantor
এএসপি জামিলুলকে ওসি প্রদীপের আইনজীবীর জেরা

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১৬ নভেম্বর ২০২১, ১১:৫১:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সিনহা হত্যা

পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার সপ্তম দফায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমালের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

আজ তালিকাভুক্ত অসমাপ্ত সাক্ষী সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি)মো. জামিলুল হকের জেরার মধ্যদিয়ে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম।

ফরিদ আলম বলেন, মামলার সাক্ষীগ্রহণের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। এ ছাড়াও আজ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৬৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় ওসি প্রদীপসহ মামলার ১৫ আসামিকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে নিয়ে আসা হয়।

প্রসঙ্গত, ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে মেজর সিনহা নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি, রামুতে একটি) মামলা করে।

ঘটনার পর গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মেজর সিনহার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

আলোচিত এ মামলায় গত বছর ১৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা ও র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ওসি প্রদীপসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এএসপি জামিলুলকে ওসি প্রদীপের আইনজীবীর জেরা

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১৬ নভেম্বর ২০২১, ১১:৫১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সিনহা হত্যা
ফাইল ছবি

পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার সপ্তম দফায় দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমালের আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

আজ তালিকাভুক্ত অসমাপ্ত সাক্ষী সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. জামিলুল হকের জেরার মধ্যদিয়ে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও কক্সবাজার আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম।

ফরিদ আলম বলেন, মামলার সাক্ষীগ্রহণের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। এ ছাড়াও আজ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি খাইরুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ হবে। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৬৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টায় ওসি প্রদীপসহ মামলার ১৫ আসামিকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে নিয়ে আসা হয়।

প্রসঙ্গত, ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে মেজর সিনহা নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি (টেকনাফে দুটি, রামুতে একটি) মামলা করে।

ঘটনার পর গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মেজর সিনহার বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

আলোচিত এ মামলায় গত বছর ১৩ ডিসেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা ও  র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের তৎকালীন দায়িত্বরত সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ওসি প্রদীপসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : মেজর সিনহার মৃত্যু

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন