অভিমানীদের রাজপথে ফেরাতে নতুন কৌশলে আ’লীগ
jugantor
অভিমানীদের রাজপথে ফেরাতে নতুন কৌশলে আ’লীগ

  আশিক আলী, বিশ্বনাথ (সিলেট)  

১৬ নভেম্বর ২০২১, ১৭:৫৫:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘদিন ধরে দলীয় এমপি না থাকায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীরা অভিমানে ঘরে বসে রয়েছেন। তাই সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে এসব অভিমানী নেতাকর্মীদের রাজপথে ফিরিয়ে আনতে সাংগঠনিক নামের তিনটি টিম গঠন করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

উপজেলা ও ৮টি ইউনিয়নে অসন্তোষ আর অভিমান করে ঘরে বসে থাকা নেতাকর্মীদের দলের কার্যক্রমে মনযোগী রাজপথে ফেরাতে এই টিমগুলো গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ওই টিমের দায়িত্বপ্রাপ্তরা ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্যক্রমও শুরু করেছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮ বছর ধরে সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত দলীয় কোনো এমপি না থাকায় অনেক উল্লেখযোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। শুধু কমিটির মূল ও পদধারী নেতৃবৃন্দ ছাড়া আর কাউকে মাঠের রাজনীতিতে এখন আর দেখা যায় না।

গত ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীকে পরাজিত করে এই আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়ে চমক দেখান শফিকুর রহমান চৌধুরী। পরবর্তী দুটি সংসদ নির্বাচনে এই আসনটি হাত ছাড়া হয়ে যায় আওয়ামী লীগের।

গত ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে মহাজোট থেকে মনোনয়ন পেয়ে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন জাপা নেতা ইয়াহই্য়া চৌধুরী এহিয়া। কিন্তু তার কাছে মূল্যহীন হয়ে পড়েন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচনেও এই আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত হন আওয়ামী লীগের নৌকার প্রত্যাশীরা। আবারও মহাজোট থেকে মনোনয়ন পান জাপা নেতা ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী এহিয়া। কিন্তু এই নির্বাচনে তিনি গণফোরামের মোকাব্বির খানের সাথে বিপুল ভোটে পরাজিত হন।

টানা এ দুই বারের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মনোনয়ন না পাওয়ায় ও এমপি না থাকায় অনেকটা মনভাঙ্গা হয়ে অভিমানে ঘরে বসে থাকেন আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীরা। তাই দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম অনেকটা ঝিমিয়ে রয়েছে। কিন্তু তাদের দলীয় এমপি থাকা অবস্থায় দলের যে কোনো কার্যক্রমে নেতাকর্মীদের অপ্রতুল উপস্থিতি দেখা যেত। এখন কোনো অনুষ্ঠান হলে আগের মতো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায় না।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান বলেন, দলীয় এমপি না থাকা সেটা সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে মিল নয়। এটা স্বার্থপর নেতাকর্মীদের মনোভাব। তবে স্থানীয় এমপি যদি সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন করেন তাহলে তাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরও লাভ হতো। কিন্তু তারা যদি সমন্বয় না করে আমাদের কিছুই করার নেই।

অভিমানীদের রাজপথে ফেরাতে নতুন কৌশলে আ’লীগ

 আশিক আলী, বিশ্বনাথ (সিলেট) 
১৬ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘদিন ধরে দলীয় এমপি না থাকায় সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অনেক নেতাকর্মীরা অভিমানে ঘরে বসে রয়েছেন। তাই সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীল করতে এসব অভিমানী নেতাকর্মীদের রাজপথে ফিরিয়ে আনতে সাংগঠনিক নামের তিনটি টিম গঠন করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

উপজেলা ও ৮টি ইউনিয়নে অসন্তোষ আর অভিমান করে ঘরে বসে থাকা নেতাকর্মীদের দলের কার্যক্রমে মনযোগী রাজপথে ফেরাতে এই টিমগুলো গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ওই টিমের দায়িত্বপ্রাপ্তরা ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্যক্রমও শুরু করেছেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৮ বছর ধরে সিলেট-২ আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত দলীয় কোনো এমপি না থাকায় অনেক উল্লেখযোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। শুধু কমিটির মূল ও পদধারী নেতৃবৃন্দ ছাড়া আর কাউকে মাঠের রাজনীতিতে এখন আর দেখা যায় না।

গত ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বর্তমান নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীকে পরাজিত করে এই আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়ে চমক দেখান শফিকুর রহমান চৌধুরী। পরবর্তী দুটি সংসদ নির্বাচনে এই আসনটি হাত ছাড়া হয়ে যায় আওয়ামী লীগের।

গত ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনে মহাজোট থেকে মনোনয়ন পেয়ে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন জাপা নেতা ইয়াহই্য়া চৌধুরী এহিয়া। কিন্তু তার কাছে মূল্যহীন হয়ে পড়েন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা।

সর্বশেষ ২০১৮ সালের নির্বাচনেও এই আসনে মনোনয়ন বঞ্চিত হন আওয়ামী লীগের নৌকার প্রত্যাশীরা। আবারও মহাজোট থেকে মনোনয়ন পান জাপা নেতা ইয়াহ্ইয়া চৌধুরী এহিয়া। কিন্তু এই নির্বাচনে তিনি গণফোরামের মোকাব্বির খানের সাথে বিপুল ভোটে পরাজিত হন।

টানা এ দুই বারের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মনোনয়ন না পাওয়ায় ও এমপি না থাকায় অনেকটা মনভাঙ্গা হয়ে অভিমানে ঘরে বসে থাকেন আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীরা। তাই দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম অনেকটা ঝিমিয়ে রয়েছে। কিন্তু তাদের দলীয় এমপি থাকা অবস্থায় দলের যে কোনো কার্যক্রমে নেতাকর্মীদের অপ্রতুল উপস্থিতি দেখা যেত। এখন কোনো অনুষ্ঠান হলে আগের মতো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায় না।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান বলেন, দলীয় এমপি না থাকা সেটা সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গে মিল নয়। এটা স্বার্থপর নেতাকর্মীদের মনোভাব। তবে স্থানীয় এমপি যদি সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন করেন তাহলে তাদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরও লাভ হতো। কিন্তু তারা যদি সমন্বয় না করে আমাদের কিছুই করার নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন