লড়াইয়ে আপন দুই ভাই, বিপাকে ভোটাররা
jugantor
লড়াইয়ে আপন দুই ভাই, বিপাকে ভোটাররা

  মাহবুবুর রহমান পীর, সুনামগঞ্জ  

১৬ নভেম্বর ২০২১, ১৯:০৪:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য প্রার্থী হয়েছেন আপন দুই ভাই। নির্বাচিত হতে জোরেশোরে প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। নির্বাচনে জয়লাভের ব্যাপারে দুই ভাই-ই আশাবাদী।

একই ওয়ার্ডে আপন দুই ভাই ভোটযুদ্ধে নামায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। কাকে রেখে কাকে ভোট দেবেন- এ নিয়ে বেশ বিপাকে রয়েছেন ভোটাররাও। আগামী ২৮ নভেম্বর উক্ত ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, এ ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ মারা যাওয়ার পর উপনির্বাচনে ছোট ছেলে এমরান হোসেন নির্বাচিত হন। এবারের নির্বাচনেও এমরান হোসেন ইউপি সদস্য হতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদিকে তার আপন বড়ভাই আনোয়ার হোসেনও ইউপি সদস্য প্রার্থী হয়েছেন। এমরান হোসেনের প্রতীক নলকূপ এবং আনোয়ার হোসেনের প্রতীক ঘুড়ি। দুইজন দুই প্রতীক নিয়ে ঘুরছেন ওয়ার্ডবাসীর দ্বারে দ্বারে।

শহরতলীর ইব্রাহীমপুর গ্রাম নিয়ে দুই নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এই ওয়ার্ডে এবার ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ প্রার্থী। ভোটার রয়েছেন নারী-পুরুষ মিলে প্রায় ৩ হাজার ১০০।

ওই ওয়ার্ডের ভোটার ফরিদ মিয়া বলেন, একটি ওয়ার্ডে ২ বা ৩ জন প্রার্থী হলে ভালো হয়। ভোটাররা বুঝে শুনে ভোট দিতে সুবিধা হয়। এখন সব মিলিয়ে প্রার্থী হয়েছেন ৬ জন। একই পরিবারে ২ ভাই প্রার্থী হয়েছেন। প্রচারণায়ও আছেন তারা। আমরা ভোট কাকে দেব। এ নিয়ে বড়ই দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি। একই বক্তব্য ওয়ার্ডের অধিকাংশ ভোটারদের।

ইউপি সদস্য প্রার্থী বড়ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ইচ্ছায় আমি প্রার্থী হয়েছি। আমার বাবার মৃত্যুর পর আমার ছোটভাই এমরান উপ-নির্বাচনে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। এবারো নির্বাচনে সে প্রার্থী হয়েছে। আমিও এবারের নির্বাচনে প্রার্থী। এখন পছন্দ হলে আমাকে ভোটাররা ভোট দেবেন, না হয় তাকে। আমি বিনাস্বার্থে মানুষের সেবা করতে চাই।

ছোটভাই ইউপি সদস্য প্রার্থী এমরান হোসেন বলেন, আমার বাবা ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ মারা যাওয়ার পর উপনির্বাচনে আমার আত্মীয়স্বজন এবং ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আমাকে ভোটে দাড় করিয়ে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন। আমার বাবার সেবা করার যে স্বপ্ন ছিল সেটি আমি পূরণ করতে চাই। এখন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমাকে আত্মীয়স্বজনরা পুনরায় নির্বাচন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। একইসঙ্গে আমার বড়ভাই আনোয়ার হোসেনও নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী তবে আপন বড়ভাই প্রার্থী হওয়ায় এলাকার মানুষের কাছে নানান প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

লড়াইয়ে আপন দুই ভাই, বিপাকে ভোটাররা

 মাহবুবুর রহমান পীর, সুনামগঞ্জ 
১৬ নভেম্বর ২০২১, ০৭:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য প্রার্থী হয়েছেন আপন দুই ভাই। নির্বাচিত হতে জোরেশোরে প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। নির্বাচনে জয়লাভের ব্যাপারে দুই ভাই-ই আশাবাদী।

একই ওয়ার্ডে আপন দুই ভাই ভোটযুদ্ধে নামায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। কাকে রেখে কাকে ভোট দেবেন- এ নিয়ে বেশ বিপাকে রয়েছেন ভোটাররাও। আগামী ২৮ নভেম্বর উক্ত ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, এ ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ মারা যাওয়ার পর উপনির্বাচনে ছোট ছেলে এমরান হোসেন নির্বাচিত হন। এবারের নির্বাচনেও এমরান হোসেন ইউপি সদস্য হতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদিকে তার আপন বড়ভাই আনোয়ার হোসেনও ইউপি সদস্য প্রার্থী হয়েছেন। এমরান হোসেনের প্রতীক নলকূপ এবং আনোয়ার হোসেনের প্রতীক ঘুড়ি। দুইজন দুই প্রতীক নিয়ে ঘুরছেন ওয়ার্ডবাসীর দ্বারে দ্বারে। 

শহরতলীর ইব্রাহীমপুর গ্রাম নিয়ে দুই নম্বর ওয়ার্ড গঠিত। এই ওয়ার্ডে এবার ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ প্রার্থী। ভোটার রয়েছেন নারী-পুরুষ মিলে প্রায় ৩ হাজার ১০০।

ওই ওয়ার্ডের ভোটার ফরিদ মিয়া বলেন, একটি ওয়ার্ডে ২ বা ৩ জন প্রার্থী হলে ভালো হয়। ভোটাররা বুঝে শুনে ভোট দিতে সুবিধা হয়। এখন সব মিলিয়ে প্রার্থী হয়েছেন ৬ জন। একই পরিবারে ২ ভাই প্রার্থী হয়েছেন। প্রচারণায়ও আছেন তারা। আমরা ভোট কাকে দেব। এ নিয়ে বড়ই দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছি। একই বক্তব্য ওয়ার্ডের অধিকাংশ ভোটারদের।

ইউপি সদস্য প্রার্থী বড়ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ইচ্ছায় আমি প্রার্থী হয়েছি। আমার বাবার মৃত্যুর পর আমার ছোটভাই এমরান উপ-নির্বাচনে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়। এবারো নির্বাচনে সে প্রার্থী হয়েছে। আমিও এবারের নির্বাচনে প্রার্থী। এখন পছন্দ হলে আমাকে ভোটাররা ভোট দেবেন, না হয় তাকে। আমি বিনাস্বার্থে মানুষের সেবা করতে চাই।

ছোটভাই ইউপি সদস্য প্রার্থী এমরান হোসেন বলেন, আমার বাবা ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ মারা যাওয়ার পর উপনির্বাচনে আমার আত্মীয়স্বজন এবং ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আমাকে ভোটে দাড় করিয়ে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলেন। আমার বাবার সেবা করার যে স্বপ্ন ছিল সেটি আমি পূরণ করতে চাই। এখন পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আমাকে আত্মীয়স্বজনরা পুনরায় নির্বাচন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। একইসঙ্গে আমার বড়ভাই আনোয়ার হোসেনও নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। জয়ের ব্যাপারে আমি আশাবাদী তবে আপন বড়ভাই প্রার্থী হওয়ায় এলাকার মানুষের কাছে নানান প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন