দুই এতিম শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল
jugantor
দুই এতিম শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল

  ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৬ নভেম্বর ২০২১, ২২:২৭:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের দুটি এতিম শিশুকে বেধড়ক পেটানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, স্টিলের স্কেল দিয়ে ২ মিনিট ৬ সেকেন্ডে ৩২টি আঘাত করা হয়েছে ১০-১১ বছরের শিশু দুটিকে। বেধড়ক পিটুনি সহ্য না করতে পেরে শিশুটি পা ধরে শিক্ষকের। তারপরও তারা রক্ষা পায়নি।

সম্প্রতি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান মাওলানা মো. আব্দুল মুকিত। ছাতক উপজেলার হাজী ইউসুফ আলী এতিমখানা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার মুহতামিম মো. আব্দুল মুকিত একই উপজেলার রহমতপুর গ্রামের বাসিন্দা। কয়েক বছর আগে তিনি ওই মাদ্রাসায় নিয়োগ পান।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। ওই শিক্ষকও ইতোমধ্যে অন্য একটি মাদ্রাসায় চাকরি নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এলাকার অনেকে জানিয়েছেন তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে পরিচালনা পরিষদ।

ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া জানান, এ ঘটনাটি ৬ থেকে ৭ দিন আগের। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

দুই এতিম শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল

 ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৬ নভেম্বর ২০২১, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের দুটি এতিম শিশুকে বেধড়ক পেটানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, স্টিলের স্কেল দিয়ে ২ মিনিট ৬ সেকেন্ডে ৩২টি আঘাত করা হয়েছে ১০-১১ বছরের শিশু দুটিকে। বেধড়ক পিটুনি সহ্য না করতে পেরে শিশুটি পা ধরে শিক্ষকের। তারপরও তারা রক্ষা পায়নি।

সম্প্রতি এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধান মাওলানা মো. আব্দুল মুকিত। ছাতক উপজেলার হাজী ইউসুফ আলী এতিমখানা হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার মুহতামিম মো. আব্দুল মুকিত একই উপজেলার রহমতপুর গ্রামের বাসিন্দা। কয়েক বছর আগে তিনি ওই মাদ্রাসায় নিয়োগ পান।

এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। ওই শিক্ষকও ইতোমধ্যে অন্য একটি মাদ্রাসায় চাকরি নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এলাকার অনেকে জানিয়েছেন তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে পরিচালনা পরিষদ।

ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়া জানান, এ ঘটনাটি ৬ থেকে ৭ দিন আগের। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন