প্রাইভেট না পড়লেই ফেল করানোর হুমকি!
jugantor
প্রাইভেট না পড়লেই ফেল করানোর হুমকি!

  কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৭ নভেম্বর ২০২১, ১৮:২৩:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীর কাছে প্রাইভেট না পড়লে ফেল করানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সিংগা কেসিসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী দেবব্রত মৌলিকের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, সিংগা কেসিসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী দেবব্রত মৌলিক প্রতিদিন সকাল-বিকালে স্কুল ও বাসায় প্রাইভেট পড়ান। মাসিক ৩০০ টাকা বেতনে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৫-৬টি ব্যাচে প্রাইভেট পড়ান। শিক্ষার্থীরা তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে ক্লাস পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হবে বলে ভয় দেখান।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদের মৌখিকভাবে জানিয়েও কোনো ফল হয়নি। এ ঘটনার প্রতিকার না পেলে সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠাবেন না বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা।

এ ব্যাপারে অফিস সহকারী দেবব্রত মৌলিকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কোনো প্রাইভেট পড়াই না। ইউপি নির্বাচনে একজন মেম্বার প্রার্থীর নির্বাচন না করায় তিনি আমাকে অহেতুক হয়রানি করার চেষ্টা করছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলালী বিশ্বাস বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছি।

বিদ্যালয়ের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ রায় বলেন, আমি বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রাইভেট না পড়লেই ফেল করানোর হুমকি!

 কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৭ নভেম্বর ২০২১, ০৬:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীর কাছে প্রাইভেট না পড়লে ফেল করানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সিংগা কেসিসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী দেবব্রত মৌলিকের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, সিংগা কেসিসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী দেবব্রত মৌলিক প্রতিদিন সকাল-বিকালে স্কুল ও বাসায় প্রাইভেট পড়ান। মাসিক ৩০০ টাকা বেতনে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ৫-৬টি ব্যাচে প্রাইভেট পড়ান। শিক্ষার্থীরা তার কাছে প্রাইভেট না পড়লে ক্লাস পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হবে বলে ভয় দেখান।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকদের মৌখিকভাবে জানিয়েও কোনো ফল হয়নি। এ ঘটনার প্রতিকার না পেলে সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠাবেন না বলেও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা।

এ ব্যাপারে অফিস সহকারী দেবব্রত মৌলিকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি কোনো প্রাইভেট পড়াই না। ইউপি নির্বাচনে একজন মেম্বার প্রার্থীর নির্বাচন না করায় তিনি আমাকে অহেতুক হয়রানি করার চেষ্টা করছেন। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলালী বিশ্বাস বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। তাকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছি। 

বিদ্যালয়ের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ রায় বলেন, আমি বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। যদি এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তদন্তপূর্বক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন