সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন জামায়াত নেতা আলতাফ 
jugantor
পুলিশের প্রেস ব্রিফিং
সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন জামায়াত নেতা আলতাফ 

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

১৯ নভেম্বর ২০২১, ১৫:৫১:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রেস ব্রিফিং

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সাবেক রাজনৈতিক সচিব আলতাফ হুসাইনকে আটকের পর নারায়ণগঞ্জ থেকে সাতক্ষীরায় নিয়ে আসা হয়েছে।তিনি সাতক্ষীরার কলেজ প্রভাষক মামুন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি।

বৃহস্পতিবার রাতে র‌্যাব১-এর সদস্যরা তাকে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে তাকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মধুখালী এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

শুক্রবার সকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বাবুল আখতার।

তিনি বলেন, আবাসন ব্যবস্থার নামে জমির দালালি ও প্রতারণার অভিযোগে আলতাফ হুসাইনকে র্যাব গ্রেফতার করে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি উল্লেখ করেন, আলতাফ হুসাইনের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর ব্যাপক সহিংসতার মাধ্যমে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের প্রভাষক এবিএম মামুন হত্যা মামলা হয়।

এর আগে ও পরে তার বিরুদ্ধে আরও কমপক্ষে ১৩টি বিস্ফোরক ও নাশকতার কয়েকটি মামলা হয়। হত্যাসহ আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, আলতাফ হুসাইনের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও পুলিশের কাজে বাধা সৃষ্টি ছাড়াও সহিংসতা এবং জেলাব্যাপী অবরোধে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতার আরও বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জামায়াত-শিবিরের ব্যাপক সহিংসতায় সাতক্ষীরায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হন। তারা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ে সাতক্ষীরা শহর অভিমুখে উঠে আসতে থাকে। এ সময় সার্কিট হাউস মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে কমপক্ষে সাতজন সহিংসতা সৃষ্টিকারী নিহত হন। এসব সহিংসতার ঘটনায় জেলা জামায়াতের আলতাফ হুসাইন অন্যতম নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল আজিজসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ শুক্রবার আলতাফ হুসাইনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

পুলিশের প্রেস ব্রিফিং

সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন জামায়াত নেতা আলতাফ 

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
১৯ নভেম্বর ২০২১, ০৩:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
প্রেস ব্রিফিং
ছবি-যুগান্তর

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সাবেক রাজনৈতিক সচিব আলতাফ হুসাইনকে আটকের পর নারায়ণগঞ্জ থেকে সাতক্ষীরায় নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি সাতক্ষীরার কলেজ প্রভাষক মামুন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। 

বৃহস্পতিবার রাতে র‌্যাব ১-এর সদস্যরা তাকে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার রাতে তাকে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মধুখালী এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। 

শুক্রবার সকালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বাবুল আখতার। 

তিনি বলেন, আবাসন ব্যবস্থার নামে জমির দালালি ও প্রতারণার অভিযোগে আলতাফ হুসাইনকে র্যাব গ্রেফতার করে।
 
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি উল্লেখ করেন, আলতাফ হুসাইনের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির আদেশ হওয়ার পর ব্যাপক সহিংসতার মাধ্যমে সাতক্ষীরা সিটি কলেজের প্রভাষক এবিএম মামুন হত্যা মামলা হয়। 

এর আগে ও পরে তার বিরুদ্ধে আরও কমপক্ষে ১৩টি বিস্ফোরক ও নাশকতার কয়েকটি মামলা হয়। হত্যাসহ আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে বলা হয়, আলতাফ হুসাইনের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র ও পুলিশের কাজে বাধা সৃষ্টি ছাড়াও সহিংসতা এবং জেলাব্যাপী অবরোধে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়।
 
পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতার আরও বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জামায়াত-শিবিরের ব্যাপক সহিংসতায় সাতক্ষীরায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হন। তারা দলবদ্ধ হয়ে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ে সাতক্ষীরা শহর অভিমুখে উঠে আসতে থাকে। এ সময় সার্কিট হাউস মোড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে কমপক্ষে সাতজন সহিংসতা সৃষ্টিকারী নিহত হন। এসব সহিংসতার ঘটনায় জেলা জামায়াতের আলতাফ হুসাইন অন্যতম নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেন। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল আজিজসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ শুক্রবার আলতাফ হুসাইনকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন