৪ লাখ টাকার চোরাই কয়লার চালান জব্দ, গ্রেফতার ৪
jugantor
৪ লাখ টাকার চোরাই কয়লার চালান জব্দ, গ্রেফতার ৪

  যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর  

১৯ নভেম্বর ২০২১, ২২:০৯:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

বিনাশুল্কে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত হতে আনা দুটি অবৈধ কয়লার চালান জব্দ করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ভোরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের পাটলাই নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ এ কয়লার চালানসহ ৪ চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে রুহুল আমিন, একই গ্রামের আব্দুল হাফিজের ছেলে জাফর আলী, বাবুল মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন, ফয়েজ আলীর ছেলে জয় হোসেন।

শুক্রবার থানার এসআই আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত চারজন ও অপর তিন চোরাকারবারিকে পলাতক দেখিয়ে পৃথক মামলা দায়ের করেন।

মামলার পলাতক আসামিরা হলো- উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্ত গ্রাম লাল ঘাটের মৃত আলী বক্সের ছেলে জামাল মিয়া ওরফে (ড্রাইভার) জামাইল্যা, লাল ঘাট গুচ্ছগ্রাম দক্ষিণপাড়ার লাল হোসেনের ছেলে খোকন মিয়া, লাল ঘাট পূর্বপাড়ার আব্দুল মোতালিবের ছেলে মানিক মিয়া।

সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, তাহিরপুরের বালিয়াঘাট-চারাগাঁও, টেকেরঘাট সীমান্তের কয়েকটি চোরাচালান চক্র গত দুই বছর ধরেই বিনাশুল্কে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে কয়লা চালান এপারে নিয়ে আসে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযানে নামে। অভিযানে দুটি স্টিলবডি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারসহ চালানে থাকা ১৪০ বস্তা (৮ মেট্রিক টন) কয়লা জব্দ করা হয়। চার চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করা। এ সময় পুলিশের চোখ এড়িয়ে তিন চোরাকারবারি ও তাদের কয়েকজন সহযোগী ট্রলার থেকে পালিয়ে যায়।

সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান (বিপিএম) যুগান্তরকে বলেন, বৈধপথে এলসির মাধ্যমে নিয়ে আসা কয়লা, চুনাপাথর ছাড়া চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসা অবৈধ কয়লা, পাথর, চুনাপাথর, কথিত ‘বাংলা’ কয়লার চালান নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেই পুলিশ তা জব্দ করে। চোরাকারবারিদের ব্যাপারে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

৪ লাখ টাকার চোরাই কয়লার চালান জব্দ, গ্রেফতার ৪

 যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর 
১৯ নভেম্বর ২০২১, ১০:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিনাশুল্কে চোরাচালানের মাধ্যমে ভারত হতে আনা দুটি অবৈধ কয়লার চালান জব্দ করেছে পুলিশ।

শুক্রবার ভোরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের পাটলাই নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশ এ কয়লার চালানসহ ৪ চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের বালিয়াঘাট গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে রুহুল আমিন, একই গ্রামের আব্দুল হাফিজের ছেলে জাফর আলী, বাবুল মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন, ফয়েজ আলীর ছেলে জয় হোসেন।

শুক্রবার থানার এসআই আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত চারজন ও অপর তিন চোরাকারবারিকে পলাতক দেখিয়ে পৃথক মামলা দায়ের করেন।

মামলার পলাতক আসামিরা হলো- উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্ত গ্রাম লাল ঘাটের মৃত আলী বক্সের ছেলে জামাল মিয়া ওরফে (ড্রাইভার) জামাইল্যা, লাল ঘাট গুচ্ছগ্রাম দক্ষিণপাড়ার লাল হোসেনের ছেলে খোকন মিয়া, লাল ঘাট পূর্বপাড়ার আব্দুল মোতালিবের ছেলে মানিক মিয়া।

সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল জানায়, তাহিরপুরের বালিয়াঘাট-চারাগাঁও, টেকেরঘাট সীমান্তের কয়েকটি চোরাচালান চক্র গত দুই বছর ধরেই বিনাশুল্কে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে কয়লা চালান এপারে নিয়ে আসে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযানে নামে। অভিযানে দুটি স্টিলবডি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারসহ চালানে থাকা ১৪০ বস্তা (৮ মেট্রিক টন) কয়লা জব্দ করা হয়। চার চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করা। এ সময় পুলিশের চোখ এড়িয়ে তিন চোরাকারবারি ও তাদের কয়েকজন সহযোগী ট্রলার থেকে পালিয়ে যায়।

সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান (বিপিএম) যুগান্তরকে বলেন, বৈধপথে এলসির মাধ্যমে নিয়ে আসা কয়লা, চুনাপাথর ছাড়া চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসা অবৈধ কয়লা, পাথর, চুনাপাথর, কথিত ‘বাংলা’ কয়লার চালান নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেই পুলিশ তা জব্দ করে। চোরাকারবারিদের ব্যাপারে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন