রেশন কার্ড আটকে ভোট প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগ
jugantor
রেশন কার্ড আটকে ভোট প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগ

  ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

২০ নভেম্বর ২০২১, ১৭:৫৭:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ভূরুঙ্গামারীতে ১০ টাকার চালের রেশন কার্ড আটকে রেখে ভোট প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে এক ডিলারের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছেন ভুক্তভোগীরা।

গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার মোজাম্মেল হক বেপারি।

সূত্র জানায়, নির্বাচনের প্রায় এক মাস পূর্বে মোজাম্মেল হক রেশন কার্ডগুলো জমা নেন।

ঘটনার ভুক্তভোগীরা বলেন, নির্বাচনের তিন দিন পূর্বে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোজাম্মেল হক ও তার কর্মীরা কার্ডধারীদের ভয়-ভীতি দেখায় যে, তাকে ভোট না দিলে রেশন কার্ড ও চাল দেওয়া হবে না এবং রেশন কার্ড বাতিল করা হবে বলে শাসায়।

গত ১৫ নভেম্বর থেকে আবার চাল বিতরণ শুরু হয়েছে, কিন্তু যাদের কার্ড আটকে রাখা হয়েছিল তাদের কার্ড ফেরত দেওয়া হয়নি। চাল নিতে গিয়ে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

ভুক্তভোগী আলিমা, আ. কাদের, চাঁদ মিয়া, কল্পনা ও সোলেমান বলেন, শুধুমাত্র মাস্টাররোলে টিপ নিয়ে চাল দেওয়া হচ্ছে, আমাদের কার্ড এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে ডিলার মোজাম্মেল হক বলেন, তাদের কার্ডগুলো জমা নেওয়া হয়েছিল কিন্তু ভোট প্রদানে বাধ্য করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রেশন কার্ড আটকে ভোট প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগ

 ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
২০ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভূরুঙ্গামারীতে ১০ টাকার চালের রেশন কার্ড আটকে রেখে ভোট প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে এক ডিলারের বিরুদ্ধে। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ প্রদান করেছেন ভুক্তভোগীরা।

গত ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার মোজাম্মেল হক বেপারি।

সূত্র জানায়, নির্বাচনের প্রায় এক মাস পূর্বে মোজাম্মেল হক রেশন কার্ডগুলো জমা নেন।

ঘটনার ভুক্তভোগীরা বলেন, নির্বাচনের তিন দিন পূর্বে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোজাম্মেল হক ও তার কর্মীরা কার্ডধারীদের ভয়-ভীতি দেখায় যে, তাকে ভোট না দিলে রেশন কার্ড ও চাল দেওয়া হবে না এবং রেশন কার্ড বাতিল করা হবে বলে শাসায়। 

গত ১৫ নভেম্বর থেকে আবার চাল বিতরণ শুরু হয়েছে, কিন্তু যাদের কার্ড আটকে রাখা হয়েছিল তাদের কার্ড ফেরত দেওয়া হয়নি। চাল নিতে গিয়ে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। 

ভুক্তভোগী আলিমা, আ. কাদের, চাঁদ মিয়া, কল্পনা ও সোলেমান বলেন, শুধুমাত্র মাস্টাররোলে টিপ নিয়ে চাল দেওয়া হচ্ছে, আমাদের কার্ড এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে ডিলার মোজাম্মেল হক বলেন, তাদের কার্ডগুলো জমা নেওয়া হয়েছিল কিন্তু ভোট প্রদানে বাধ্য করা হয়নি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন