গরম পানিতে ঝলসে দিল ভাবির শরীর
jugantor
গরম পানিতে ঝলসে দিল ভাবির শরীর

  দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি  

২২ নভেম্বর ২০২১, ১৯:২৬:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর দাগনভূঞায় পারিবারিক কলহের জেরে দেবর ও তার স্ত্রীর ছুঁড়ে দেওয়া গরম পানিতে রাবেয়া আক্তার মুন্নি (২৩) নামে এক নারীর শরীর ঝলসে গেছে। শনিবার বিকালে উপজেলার উত্তর চন্ডিপুর গ্রামের গুরা কাজী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

এনিয়ে নির্যাতিতার স্বামী স্বামী শহীদ উল্যাহ বাদী হয়ে থানায় খোকন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেন।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ওইদিন বিকালে পারিবারিক কলহের জেরে চন্ডিপুর গ্রামের সিরাজ উল্যাহর ছেলে আহসান উল্যাহ খোকন (৩০) ও তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার সুইটি (২৩) বড় ভাবি মুন্নির শরীর লক্ষ্য করে গরম পানি নিক্ষেপ করে। এসময় তার কোমর থেকে উরুর নিচ পর্যন্ত গরম পানিতে ঝলসে যায়।

চিৎকার শুনে বাড়ির অন্যরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দাগনভূঞা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এই ঘটনায় রাতে তার স্বামী শহীদ উল্যাহ বাদী হয়ে থানায় ভাই খোকন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ফরহাদ কামাল সুজন এজাহার নামীয় খোকন ও তার স্ত্রীকে সোমবার গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

মামলার বাদী শহীদ উল্যাহ পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক। তিনি জানান, দীর্ঘদিন তার ভাই ও তার স্ত্রী বিভিন্ন ছলছুতায় তাদের সঙ্গে ঝগড়া করে আসছিল। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও তারা বিচার মানেন না। ওই দিন হত্যার উদ্দেশ্যে তার স্ত্রীকে গরম পানি নিক্ষেপ করে ঝলসে দেওয়ার পর প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

দাগনভূঞা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

গরম পানিতে ঝলসে দিল ভাবির শরীর

 দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি 
২২ নভেম্বর ২০২১, ০৭:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর দাগনভূঞায় পারিবারিক কলহের জেরে দেবর ও তার স্ত্রীর ছুঁড়ে দেওয়া গরম পানিতে রাবেয়া আক্তার মুন্নি (২৩) নামে এক নারীর শরীর ঝলসে গেছে। শনিবার বিকালে উপজেলার উত্তর চন্ডিপুর গ্রামের গুরা কাজী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

এনিয়ে নির্যাতিতার স্বামী স্বামী শহীদ উল্যাহ বাদী হয়ে থানায় খোকন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেন।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ওইদিন বিকালে পারিবারিক কলহের জেরে চন্ডিপুর গ্রামের সিরাজ উল্যাহর ছেলে আহসান উল্যাহ খোকন (৩০) ও তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার সুইটি (২৩) বড় ভাবি মুন্নির শরীর লক্ষ্য করে গরম পানি নিক্ষেপ করে। এসময় তার কোমর থেকে উরুর নিচ পর্যন্ত গরম পানিতে ঝলসে যায়।

চিৎকার শুনে বাড়ির অন্যরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে দাগনভূঞা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এই ঘটনায় রাতে তার স্বামী শহীদ উল্যাহ বাদী হয়ে থানায় ভাই খোকন ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. ফরহাদ কামাল সুজন এজাহার নামীয় খোকন ও তার স্ত্রীকে সোমবার গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

মামলার বাদী শহীদ উল্যাহ পেশায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক। তিনি জানান, দীর্ঘদিন তার ভাই ও তার স্ত্রী বিভিন্ন ছলছুতায় তাদের সঙ্গে ঝগড়া করে আসছিল। স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ হলেও তারা বিচার মানেন না। ওই দিন হত্যার উদ্দেশ্যে তার স্ত্রীকে গরম পানি নিক্ষেপ করে ঝলসে দেওয়ার পর প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

দাগনভূঞা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন