খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রভাষক কাওসারুল কারাগারে
jugantor
খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রভাষক কাওসারুল কারাগারে

  গলাচিপা ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২২ নভেম্বর ২০২১, ১৯:২৮:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীতে উপ-খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে আটক গলাচিপা সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক মো. কাওসারুল আলম (৩৫) বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার অনুষ্ঠেয় উপ-খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে শিমু আক্তার নামে এক পরীক্ষার্থীর কাছে ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়। বিষয়টি কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানালে তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

পরে পুলিশ শিমু আক্তারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অন্য পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন এবং তারাও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দিলে ওইদিন রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে।

গলাচিপা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফোরকান কবির বলেন, কাওসারুলের বিষয়টি আমি শুনেছি তাৎক্ষনিক সভাপতি পদে সরকারি প্রতিনিধি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি। তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, নারীসহ আটক ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আর কেউ সম্পৃক্ততা আছে কি না তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রভাষক কাওসারুল কারাগারে

 গলাচিপা ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২২ নভেম্বর ২০২১, ০৭:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীতে উপ-খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে আটক গলাচিপা সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক মো. কাওসারুল আলম (৩৫) বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার অনুষ্ঠেয় উপ-খাদ্য পরিদর্শক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় পটুয়াখালী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে শিমু আক্তার নামে এক পরীক্ষার্থীর কাছে ইলেকট্রনিক ডিভাইস পাওয়া যায়। বিষয়টি কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানালে তিনি আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

পরে পুলিশ শিমু আক্তারের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী অন্য পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন এবং তারাও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দিলে ওইদিন রাতে পুলিশ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে।

গলাচিপা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফোরকান কবির বলেন, কাওসারুলের বিষয়টি আমি শুনেছি তাৎক্ষনিক সভাপতি পদে সরকারি প্রতিনিধি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানিয়েছি। তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশিষ কুমার বলেন, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, নারীসহ আটক ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আর কেউ সম্পৃক্ততা আছে কি না তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন