অপহরণের নাটক করে আত্মগোপন, র‌্যাবের জালে হত্যা মামলার আসামি
jugantor
অপহরণের নাটক করে আত্মগোপন, র‌্যাবের জালে হত্যা মামলার আসামি

  কক্সবাজার ও মহেশখালী প্রতিনিধি  

২৩ নভেম্বর ২০২১, ১৪:২০:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আটক

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় ১০ আগ্নেয়াস্ত্রসহ হত্যা মামলার আসামি রফিকুল ইসলাম মামুনসহ তিনজনকে আটক করেছে র‌্যাব১৫-এর একটি দল। নিজেদের অপহরণ করা হয়েছে দাবি করে আত্মগোপনে ছিলেন তারা।

সোমবার সন্ধ্যায় বান্দরবানের লামা ও কক্সবাজার শহর থেকে তাদের আটক করা হয়।

পরে আটক আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের ছামিরাঘোনা এলাকা থেকে ১০টি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে র্যা ব।

আটককৃতরা হলেন— মহেশখালী ছামিরাঘোনা এলাকার মৃত মনসুর আলম প্রকাশ রসুর ছেলে রফিকুল ইসলাম প্রকাশ মামুন (২৮), একই ইউনিয়নের চিকনিপাড়ার মুনির উল আলমের ছেলে মোহাম্মদ রিফাত (২৩) ও মোহাম্মদ শাহ ঘোনা এলাকার মৃত আব্দুল আলীর ছেলে আইয়ুব আলী (৪০)।

মঙ্গলবার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব১৫-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার।

র‌্যাবে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গেল ৫ নভেম্বর মহেশখালীর কালারমারছড়ায় আত্মসমর্পণ করা জলদস্যু আলাউদ্দিনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই বাদী হয়ে ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামাল করেন। ঘটনার পর থেকে র্যা ব ওই মামলার তদন্ত শুরু করে।

সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বান্দরবানের লামার ফাইতং থেকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম মামুন এবং তার সহযোগী রিফাতকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এজাহার নামীয় ১২ নম্বর আসামি আইয়ুব আলীকে কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকা থেকে আটক করা হয়।

র‌্যাব জানিয়েছে, নিজেদের অপহরণ করা হয়েছে দাবি করে আত্মগোপনে ছিলেন তারা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র্যা ব কালারমারছড়ার ছামিরাঘোনা পাহাড়ের মাটি খুঁড়ে চারটি একনলা বন্দুক, থ্রি কোয়ার্টার বন্দুক একটি, তিনটি কাটা বন্দুক, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড তাজা গুলি ও পাঁচ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে।

আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মহেশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র‌্যাবকর্মকর্তা মেজর শেখ ইউসুফ আহমেদ।

অপহরণের নাটক করে আত্মগোপন, র‌্যাবের জালে হত্যা মামলার আসামি

 কক্সবাজার ও মহেশখালী প্রতিনিধি 
২৩ নভেম্বর ২০২১, ০২:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আটক
ছবি: যুগান্তর

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় ১০ আগ্নেয়াস্ত্রসহ হত্যা মামলার আসামি রফিকুল ইসলাম মামুনসহ তিনজনকে আটক করেছে র‌্যাব ১৫-এর একটি দল। নিজেদের অপহরণ করা হয়েছে দাবি করে আত্মগোপনে ছিলেন তারা।

সোমবার সন্ধ্যায় বান্দরবানের লামা ও কক্সবাজার শহর থেকে তাদের আটক করা হয়। 

পরে আটক আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের ছামিরাঘোনা এলাকা থেকে ১০টি অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে র্যা ব।

আটককৃতরা হলেন— মহেশখালী ছামিরাঘোনা এলাকার মৃত মনসুর আলম প্রকাশ রসুর ছেলে রফিকুল ইসলাম প্রকাশ মামুন (২৮), একই ইউনিয়নের চিকনিপাড়ার মুনির উল আলমের ছেলে মোহাম্মদ রিফাত (২৩) ও মোহাম্মদ শাহ ঘোনা এলাকার মৃত আব্দুল আলীর ছেলে আইয়ুব আলী (৪০)।  

মঙ্গলবার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব ১৫-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল খায়রুল ইসলাম সরকার।

র‌্যাবে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গেল ৫ নভেম্বর মহেশখালীর কালারমারছড়ায় আত্মসমর্পণ করা জলদস্যু আলাউদ্দিনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই বাদী হয়ে ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামাল করেন। ঘটনার পর থেকে র্যা ব ওই মামলার তদন্ত শুরু করে। 

সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বান্দরবানের লামার ফাইতং থেকে হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম মামুন এবং তার সহযোগী রিফাতকে আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এজাহার নামীয় ১২ নম্বর আসামি আইয়ুব আলীকে কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকা থেকে আটক করা হয়।

র‌্যাব জানিয়েছে, নিজেদের অপহরণ করা হয়েছে দাবি করে আত্মগোপনে ছিলেন তারা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র্যা ব কালারমারছড়ার ছামিরাঘোনা পাহাড়ের মাটি খুঁড়ে চারটি একনলা বন্দুক, থ্রি কোয়ার্টার বন্দুক একটি, তিনটি কাটা বন্দুক, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড তাজা গুলি ও পাঁচ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করে।

আটকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে মহেশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র‌্যাব কর্মকর্তা মেজর শেখ ইউসুফ আহমেদ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন