হাওড় চরাঞ্চল পাহাড়ের মেয়েশিশুদের শিক্ষায় ৫৪ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে ব্রিটিশ
jugantor
হাওড় চরাঞ্চল পাহাড়ের মেয়েশিশুদের শিক্ষায় ৫৪ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে ব্রিটিশ

  সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮:৪১:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার উজানিগাঁও গ্রামে ইউনিসেফের লেট আস লার্ন প্রকল্পের আনন্দধারা প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন ও ব্রিটিশ সংসদ সদস্য হেলেন গ্রান্ট।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় পরিদর্শন শেষে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত বলেন, ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের হাওড়, চরাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকায় মেয়েশিশুদের শিক্ষার জন্য ৫৪ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ব্রিটিশ সরকার প্রকল্পটি টেকসই করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করবে। শিক্ষার পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের আর্থ-সামাজিক ও জীবনমান উন্নয়নে প্রকল্পটি অবদান রাখবে।

অতীতেও ব্রিটেন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো ছিল; ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন- হাইকমিশনের সিপিও সেলিম রেজা, টিম লিডার ফাহমিদা শবনম, ডেপুটি টিম লিডার গোলাম কিবরিয়া।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পের সার্বিক খোঁজখবর নেন।
পরে তারা শান্তিগঞ্জ উপজেলা ব্রিটিশ সরকারের অর্থায়নে একাধিক প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে ছিলেন।

হাওড় চরাঞ্চল পাহাড়ের মেয়েশিশুদের শিক্ষায় ৫৪ মিলিয়ন পাউন্ড দেবে ব্রিটিশ

 সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৩ নভেম্বর ২০২১, ০৬:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার উজানিগাঁও গ্রামে ইউনিসেফের লেট আস লার্ন প্রকল্পের আনন্দধারা প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন ও ব্রিটিশ সংসদ সদস্য হেলেন গ্রান্ট।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় পরিদর্শন শেষে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত বলেন, ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের হাওড়, চরাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকায় মেয়েশিশুদের শিক্ষার জন্য ৫৪ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করেছে।  ব্রিটিশ সরকার প্রকল্পটি টেকসই করার লক্ষ্যে  বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করবে। শিক্ষার পাশাপাশি দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের আর্থ-সামাজিক ও জীবনমান উন্নয়নে প্রকল্পটি অবদান রাখবে।

অতীতেও ব্রিটেন ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো ছিল; ভবিষ্যতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।  

প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন- হাইকমিশনের সিপিও সেলিম রেজা, টিম লিডার ফাহমিদা শবনম, ডেপুটি টিম লিডার গোলাম কিবরিয়া।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে প্রকল্পের সার্বিক খোঁজখবর নেন। 
পরে তারা শান্তিগঞ্জ উপজেলা ব্রিটিশ সরকারের অর্থায়নে একাধিক প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন