সিএনজিতে তুলে নিয়ে নারীকে গণধর্ষণ
jugantor
সিএনজিতে তুলে নিয়ে নারীকে গণধর্ষণ

  ফেনী প্রতিনিধি  

২৩ নভেম্বর ২০২১, ২২:৪৬:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুরে এক নারীকে (৩৫) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দাগনভূঞা থানায় ৪ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার দুপুরে মামলা করেছেন ওই নারী। এ ঘটনায় মেহেদী হাসান নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার দাগনভূঞা সিন্দুরপুর ইউপির সাদেকপুরে সিদ্দিক সওদাগরের বাড়ির পেছনে খুরশিদ আলমের আমগাছ বাগানে গণধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। ধর্ষিতার পরিবার সূত্র জানায়, তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুর নবীকে জানালে তিনি পুলিশকে জানাতে পরামর্শ দেন।

দাগনভূঞা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, মামলার অন্য আসামিরা হলো- একই এলাকার পেয়ার মেম্বারের ছেলে ওমর ফারুক (২২), কামাল উদ্দিনের ছেলে মোবারক হোসেন হৃদয় (২২) ও খায়েজ আহম্মদের ছেলে মো. সালাউদ্দিন (২৪)। এছাড়া আরও ২৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন বিকালে বিকাশ অ্যাকাউন্ট হতে টাকা উত্তোলনের জন্য সিন্দুরপুর বাজারের উদ্দেশে তার বড়বোনের বাড়ি হতে বের হন। বাজারে প্রবেশ করার পথে পেছন থেকে মোবারক হোসেন হৃদয় ডাক দেয় এবং দাঁড়িয়ে থাকা একটি সিএনজির সামনে যাওয়া মাত্র জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় চিৎকার করলে তারা হত্যার হুমকি দেয়।

এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্য তিন আসামিসহ আরও দুই-তিনজন এসে শারীরিক সম্পর্ক করতে বলে। রাজি না হলে মেহেদী হাসান ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে আনুমানিক রাত ৯টায় এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে বিপদ হবে বলে আসামিরা হুমকি দেয় এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, অভিযোগের পর এক নম্বর আসামি মেহেদী হাসানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুর নবী জানান, গণধর্ষণের কথা শুনেছি। ধর্ষিতার স্বজনরা জানান, ধর্ষণের পর তার কাছে থাকা ছয় হাজার টাকা আসামিরা ছিনতাই করেছে। ধর্ষিতা স্বামী পরিত্যক্তা এবং তার স্কুলপড়ুয়া একটি মেয়ে রয়েছে।

সিএনজিতে তুলে নিয়ে নারীকে গণধর্ষণ

 ফেনী প্রতিনিধি 
২৩ নভেম্বর ২০২১, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুরে এক নারীকে (৩৫) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দাগনভূঞা থানায় ৪ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার দুপুরে মামলা করেছেন ওই নারী। এ ঘটনায় মেহেদী হাসান নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার দাগনভূঞা সিন্দুরপুর ইউপির সাদেকপুরে সিদ্দিক সওদাগরের বাড়ির পেছনে খুরশিদ আলমের আমগাছ বাগানে গণধর্ষণের ঘটনাটি ঘটে। ধর্ষিতার পরিবার সূত্র জানায়, তাৎক্ষণিক স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুর নবীকে জানালে তিনি পুলিশকে জানাতে পরামর্শ দেন।

দাগনভূঞা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, মামলার অন্য আসামিরা হলো- একই এলাকার পেয়ার মেম্বারের ছেলে ওমর ফারুক (২২), কামাল উদ্দিনের ছেলে  মোবারক হোসেন হৃদয় (২২) ও খায়েজ আহম্মদের ছেলে মো. সালাউদ্দিন (২৪)। এছাড়া আরও ২৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন বিকালে বিকাশ অ্যাকাউন্ট হতে টাকা উত্তোলনের জন্য সিন্দুরপুর বাজারের উদ্দেশে তার বড়বোনের বাড়ি হতে বের হন। বাজারে প্রবেশ করার পথে পেছন থেকে মোবারক হোসেন হৃদয় ডাক দেয় এবং দাঁড়িয়ে থাকা একটি সিএনজির সামনে যাওয়া মাত্র জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় চিৎকার করলে তারা হত্যার হুমকি দেয়।

এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই অন্য তিন আসামিসহ আরও দুই-তিনজন এসে শারীরিক সম্পর্ক করতে বলে। রাজি না হলে মেহেদী হাসান ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয় এবং জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে আনুমানিক রাত ৯টায় এ বিষয়ে কাউকে কিছু বললে বিপদ হবে বলে আসামিরা হুমকি দেয় এবং ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, অভিযোগের পর এক নম্বর আসামি মেহেদী হাসানকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুর নবী জানান, গণধর্ষণের কথা শুনেছি। ধর্ষিতার স্বজনরা জানান, ধর্ষণের পর তার কাছে থাকা ছয় হাজার টাকা আসামিরা ছিনতাই করেছে। ধর্ষিতা স্বামী পরিত্যক্তা এবং তার স্কুলপড়ুয়া একটি মেয়ে রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন