কৃষক লীগ নেতার হাতে চুড়ি পরিয়ে দিলেন আ.লীগ নেতা
jugantor
কৃষক লীগ নেতার হাতে চুড়ি পরিয়ে দিলেন আ.লীগ নেতা

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

২৪ নভেম্বর ২০২১, ০০:৩৮:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটে কৃষক লীগ নেতা শেখ মোশারেফ হোসেনের হাতে জোর করে চুড়ি পরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক বালী শোকরানা রব্বানি আজাদ ওরফে আজাদ বালী ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

শেখ মোশারেফ হোসেন কচুয়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি। তিনি পরাজিত সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী সেলিনা বেগমের সমর্থক।

সোমবার বিকালে আওয়ামী লীগ নেতা আজাদ বালীসহ তার কর্মী সমর্থকরা কচুয়া উপজেলার গিমটাকাঠি কৃষক লীগ নেতার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন কচুয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি শেখ মোশারেফ। এ সময় তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

লিখিত বক্তব্যে মোশারেফ শেখ বলেন, আমি কচুয়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি। গত ২০ নভেম্বর কচুয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আমি ১, ২, ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী সেলিনা বেগমের কর্মী হিসেবে কাজ করি। কিন্তু সেলিনা বেগম নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর বিজয়ী প্রার্থী মোহিনি বেগমের পক্ষে বালী শোকরানা রব্বানি আজাদ ওরফে আজাদ বালী ও তার সমর্থরা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি অব্যাহত রাখে। একপর্যায়ে সোমবার বিকালে আজাদ বালী তার সমর্থক ইকতিয়ার হোসেন, শহিদুল শেখসহ ১৫-২০ জন লোক আমার বাড়িতে এসে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে।

তিনি বলেন, এ সময় আমার স্ত্রী ও পুত্রবধূসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সামনে জোর করে আজাদ বালীর নির্দেশে ইকতিয়ার হোসেন আমার হাতে চুড়ি পরিয়ে দেয়। এরপর ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামের লোকজন চুড়িপরা লোক দেখতে আমার বাড়িতে ভিড় করেন।

তিনি বলেন, ৭১ বছর বয়েস আমার এই অপমান সহ্য করে কীভাবে আমি গ্রামে বসবাস করব? এ কথা বলেই কৃষক লীগের এই নেতা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাকে পরিয়ে দেয়া চুড়িটিও গণমাধ্যমকর্মীদের দেখান।

লিখিত বক্তব্যে মোশারেফ শেখ বলেন, শুধু আমাকে অপমান করা নয়। মঙ্গলবার আজাদ বালী ও তার লোকজন গ্রামের সাহাপাড়া এলাকার খোকন সাহা, পলাশী রানী সাহা ও সুশান্তকে মারধর করেছে। তাদের অপরাধ ছিল তারা পরাজিত সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী সেলিনা বেগমের সমর্থক ছিলেন।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আজাদ বালী বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আমার নির্দেশে ঘটেনি। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এ নাটক সাজানো হয়েছে। যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। দোষীদের শাস্তির দাবি করি।

কৃষক লীগ নেতার হাতে চুড়ি পরিয়ে দিলেন আ.লীগ নেতা

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
২৪ নভেম্বর ২০২১, ১২:৩৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটে কৃষক লীগ নেতা শেখ মোশারেফ হোসেনের হাতে জোর করে চুড়ি পরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক বালী শোকরানা রব্বানি আজাদ ওরফে আজাদ বালী ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

শেখ মোশারেফ হোসেন কচুয়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি। তিনি পরাজিত সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী সেলিনা বেগমের সমর্থক।

সোমবার বিকালে আওয়ামী লীগ নেতা আজাদ বালীসহ তার কর্মী সমর্থকরা কচুয়া উপজেলার গিমটাকাঠি কৃষক লীগ নেতার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন কচুয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি শেখ মোশারেফ। এ সময় তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

লিখিত বক্তব্যে মোশারেফ শেখ বলেন, আমি কচুয়া সদর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি। গত ২০ নভেম্বর কচুয়া উপজেলা সদর ইউনিয়নের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আমি ১, ২, ও ৩নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী সেলিনা বেগমের কর্মী হিসেবে কাজ করি। কিন্তু সেলিনা বেগম নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর বিজয়ী প্রার্থী মোহিনি বেগমের পক্ষে বালী শোকরানা রব্বানি আজাদ ওরফে আজাদ বালী ও তার সমর্থরা আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি-ধমকি অব্যাহত রাখে। একপর্যায়ে সোমবার বিকালে আজাদ বালী তার সমর্থক ইকতিয়ার হোসেন, শহিদুল শেখসহ ১৫-২০ জন লোক আমার বাড়িতে এসে হুমকি-ধমকি দিতে থাকে।

তিনি বলেন, এ সময় আমার স্ত্রী ও পুত্রবধূসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সামনে জোর করে আজাদ বালীর নির্দেশে ইকতিয়ার হোসেন আমার হাতে চুড়ি পরিয়ে দেয়। এরপর ঘটনা জানাজানি হলে গ্রামের লোকজন চুড়িপরা লোক দেখতে আমার বাড়িতে ভিড় করেন।

তিনি বলেন, ৭১ বছর বয়েস আমার এই অপমান সহ্য করে কীভাবে আমি গ্রামে বসবাস করব? এ কথা বলেই কৃষক লীগের এই নেতা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাকে পরিয়ে দেয়া চুড়িটিও গণমাধ্যমকর্মীদের দেখান।

লিখিত বক্তব্যে মোশারেফ শেখ বলেন, শুধু আমাকে অপমান করা নয়। মঙ্গলবার আজাদ বালী ও তার লোকজন গ্রামের সাহাপাড়া এলাকার খোকন সাহা, পলাশী রানী সাহা ও সুশান্তকে মারধর করেছে। তাদের অপরাধ ছিল তারা পরাজিত সংরক্ষিত নারী সদস্য প্রার্থী সেলিনা বেগমের সমর্থক ছিলেন।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আজাদ বালী বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা আমার নির্দেশে ঘটেনি। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য এ নাটক সাজানো হয়েছে। যদি এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাই। দোষীদের শাস্তির দাবি করি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন