শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা, খালাসের বিরুদ্ধে আপিল
jugantor
শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা, খালাসের বিরুদ্ধে আপিল

  বরিশাল ব্যুরো  

২৪ নভেম্বর ২০২১, ০০:৪৩:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সব আসামির খালাস দেওয়ার আদেশের অসম্মতিতে রাষ্ট্রপক্ষ ফৌজদারি আপিল দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর আপিলটি দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম আপিলটি আমলে নিয়ে ৩০ নভেম্বর আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

আসামিরা হলেন- বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, বিএনপি নেতা সরোয়ার আলম, মুকুল খান, হান্নান শরীফ, বদিউজ্জামান মিন্টু, আ. আউয়াল লোকমান, ঝিন্টু তালুকদারসহ ১৬ জন। সব আসামির বাড়ি গৌরনদী উপজেলায়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে ১ এপ্রিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা গৌরনদীতে জনসভায় যোগ দিতে ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছামাত্র আসামিরা তার গাড়িবহরে হামলা করেন। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়; স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

এর আগে জনসভা স্থলের মঞ্চে হামলা ও ভাঙচুর চালায় আসামিরা। দুই হামলায় গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন আহ্বায়ক কালিয়া দমন গুহ ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হক গুরুতর আহত হন।

তখন বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় মামলা দায়ের করতে ব্যর্থ হন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে গৌরনদী থানায় ২০০৯ সালের ২০ জুলাই মামলা দায়ের করেন। পরে ৩ জন তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত শেষে ৪০ জন আসামির বিরুদ্ধে ২০১১ সালে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে ২০১৩ সালের ১৯ মে জহির উদ্দিন স্বপনসহ ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ওই সময় ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিহাবুল ইসলাম আসামিদের খালাস প্রদান করেন।

আপিলে উল্লেখ করা হয়- ওই রায়ে ৪০ জন আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৬ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ, অভিযোগকারী ও জখমি নুরুল হক এবং ডাক্তার সমির মিত্রের সাক্ষী গ্রহণ না করাসহ একাধিক কারণে রাষ্ট্রপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আপিল দায়েরকারী বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর বলেন, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার রায় ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হওয়ায় আপিল দায়ের করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা, খালাসের বিরুদ্ধে আপিল

 বরিশাল ব্যুরো 
২৪ নভেম্বর ২০২১, ১২:৪৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলার মামলায় সব আসামির খালাস দেওয়ার আদেশের অসম্মতিতে রাষ্ট্রপক্ষ ফৌজদারি আপিল দায়ের করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর আপিলটি দায়ের করেন।

আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম আপিলটি আমলে নিয়ে ৩০ নভেম্বর আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

আসামিরা হলেন- বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন, বিএনপি নেতা সরোয়ার আলম, মুকুল খান, হান্নান শরীফ, বদিউজ্জামান মিন্টু, আ. আউয়াল লোকমান, ঝিন্টু তালুকদারসহ ১৬ জন। সব আসামির বাড়ি গৌরনদী উপজেলায়।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালে ১ এপ্রিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী  শেখ হাসিনা গৌরনদীতে জনসভায় যোগ দিতে ঢাকা থেকে বরিশালের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। দুপুর সাড়ে ১২টায় গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছামাত্র আসামিরা তার গাড়িবহরে হামলা করেন। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়; স্থানীয় আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।

এর আগে জনসভা স্থলের মঞ্চে হামলা ও ভাঙচুর চালায় আসামিরা। দুই হামলায় গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন আহ্বায়ক কালিয়া দমন গুহ ও আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হক গুরুতর আহত হন।

তখন বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় মামলা দায়ের করতে ব্যর্থ হন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরবর্তীতে গৌরনদী থানায় ২০০৯ সালের ২০ জুলাই মামলা দায়ের করেন।  পরে ৩ জন তদন্তকারী কর্মকর্তার তদন্ত শেষে ৪০ জন আসামির বিরুদ্ধে ২০১১ সালে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

পরে ২০১৩ সালের ১৯ মে জহির উদ্দিন স্বপনসহ ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ওই সময় ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিহাবুল ইসলাম আসামিদের খালাস প্রদান করেন।

আপিলে উল্লেখ করা হয়- ওই রায়ে ৪০ জন আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ১৬ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র ৬ জনের সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ, অভিযোগকারী ও জখমি নুরুল হক এবং ডাক্তার সমির মিত্রের সাক্ষী গ্রহণ না করাসহ একাধিক কারণে রাষ্ট্রপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আপিল দায়েরকারী বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর বলেন, তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার রায় ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হওয়ায় আপিল দায়ের করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন