সোনা মিয়া হত্যায় ৩ জনের যাবজ্জীবন
jugantor
সোনা মিয়া হত্যায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

  কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৪ নভেম্বর ২০২১, ১০:৩২:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

যাবজ্জীবন

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় সোনা মিয়া হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

এ ছাড়া তথ্যপ্রমাণ না থাকায় মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্বাস উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— কাশিয়ানী উপজেলার চরভাটপাড়া গ্রামের মৃত বাকা শেখের ছেলে মো. বাদশা শেখ, জামায়েত শেখের ছেলে লেবু শেখ ও মো. গোরাই মুন্সীর ছেলে মো. তোতা মুন্সী। বর্তমানে তারা সবাই পলাতক।

আদালত সূত্র ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কাশিয়ানীর সোনা মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন স্বজনরা। পরে মামলাটির দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

মামলাটি সরকারপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. শহিদুজ্জামান খান এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী ফজলুল হক খান ও মো. আবু তালেব শেখ পরিচালনা করেন।

সোনা মিয়া হত্যায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

 কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৪ নভেম্বর ২০২১, ১০:৩২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যাবজ্জীবন
ফাইল ছবি

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় সোনা মিয়া হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

এ ছাড়া তথ্যপ্রমাণ না থাকায় মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে গোপালগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্বাস উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— কাশিয়ানী উপজেলার চরভাটপাড়া গ্রামের মৃত বাকা শেখের ছেলে মো. বাদশা শেখ, জামায়েত শেখের ছেলে লেবু শেখ ও মো. গোরাই মুন্সীর ছেলে মো. তোতা মুন্সী। বর্তমানে তারা সবাই পলাতক।

আদালত সূত্র ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কাশিয়ানীর সোনা মিয়াকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন স্বজনরা। পরে মামলাটির দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

মামলাটি সরকারপক্ষে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. শহিদুজ্জামান খান এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী ফজলুল হক খান ও মো. আবু তালেব শেখ পরিচালনা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন