নিখোঁজের ৪ দিন পর বিলে সেন্টু মিয়ার লাশ
jugantor
নিখোঁজের ৪ দিন পর বিলে সেন্টু মিয়ার লাশ

  দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯:৩৭:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর সেন্টু মিয়া (৪০) নামের এক অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের নায়েব আলী কলেজ সংলগ্ন বিলে।

বুধবার দুপুরে বিলের পানি থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই অটোরিকশাচালকের লাশটি। তিনি উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের খাইয়ার গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোববার সকালে স্থানীয়রা উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের নায়েব আলী কলেজ সংলগ্ন বিলে একটি লাশ পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে এসআই আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত লাশটি নিখোঁজ সেন্টু মিয়ার বলে তার স্বজনরা পুলিশকে নিশ্চিত করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কুমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিহতের ভাতিজা মো. আব্দুল্লাহ জানান, গত রোববার রাত থেকে তার চাচা সেন্টু মিয়া নিখোঁজ হন। প্রতিদিনের মতো রিকশা নিয়ে বাহির হলেও ওই রাতে তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। রাত থেকেই অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন পার্শ্ববর্তী বুড়িরপাড় বাজারে গিয়ে খোঁজ নিলে স্থানীয় দোকানদাররা জানান রোববার রাত ৮টার দিকে দুজন অপরিচিত ব্যক্তি নাল্লার গ্রামের উদ্দেশে ভাড়া নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাকে বাজারে আর দেখা যায়নি। নিহত সেন্টু মিয়ার তিন কন্যাসন্তান রয়েছে, তাদের মধ্যে দুটি সন্তানই শারীরিক প্রতিবন্ধী ।

দেবিদ্বার থানার এসআই আব্দুল বাতেন জানান, লাশটি পানিতে থেকে পচন ধরায় কোনো আঘাতের চিহৃ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তবে প্রথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তার অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হতে পারে।

নিখোঁজের ৪ দিন পর বিলে সেন্টু মিয়ার লাশ

 দেবিদ্বার (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২৪ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর সেন্টু মিয়া (৪০) নামের এক অটোরিকশাচালকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের নায়েব আলী কলেজ সংলগ্ন বিলে। 

বুধবার দুপুরে বিলের পানি থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই অটোরিকশাচালকের লাশটি। তিনি উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের খাইয়ার গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের পুত্র।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রোববার সকালে স্থানীয়রা উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের নায়েব আলী কলেজ সংলগ্ন বিলে একটি লাশ পানিতে ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে এসআই আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত লাশটি নিখোঁজ সেন্টু মিয়ার বলে তার স্বজনরা পুলিশকে নিশ্চিত করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কুমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিহতের ভাতিজা মো. আব্দুল্লাহ জানান, গত রোববার রাত থেকে তার চাচা সেন্টু মিয়া নিখোঁজ হন। প্রতিদিনের মতো রিকশা নিয়ে বাহির হলেও ওই রাতে তিনি বাড়ি ফিরে আসেননি। রাত থেকেই অনেক খোঁজাখুঁজি করে কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন পার্শ্ববর্তী বুড়িরপাড় বাজারে গিয়ে খোঁজ নিলে স্থানীয় দোকানদাররা জানান রোববার রাত ৮টার দিকে দুজন অপরিচিত ব্যক্তি নাল্লার গ্রামের উদ্দেশে ভাড়া নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাকে বাজারে আর দেখা যায়নি। নিহত সেন্টু মিয়ার তিন কন্যাসন্তান রয়েছে, তাদের মধ্যে দুটি সন্তানই শারীরিক প্রতিবন্ধী । 

দেবিদ্বার থানার এসআই আব্দুল বাতেন জানান, লাশটি পানিতে থেকে পচন ধরায় কোনো আঘাতের চিহৃ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তবে প্রথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তার অটোরিকশাটি নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হতে পারে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন