পদ্মায় ধরা পড়া ১ কেজি ওজনের সাকার মাছ কিনল না কেউ
jugantor
পদ্মায় ধরা পড়া ১ কেজি ওজনের সাকার মাছ কিনল না কেউ

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

২৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯:৪১:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির একটি সাকার মাছ। বুধবার ভোরে স্থানীয় জেলে সুমন হালদার জাল ফেলে সাকার মাছটি ধরেন। তবে কেউ না কেনায় মাছটি আড়তে ফেলে যান তিনি।

স্থানীয়রা জানান, পদ্মা নদীর অন্তরমোড় এলাকায় জাল ফেললে ১ কেজি ওজনের মাছটি সুমন হালদারের জালে ধরা পড়ে। পরে মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া বাজারে দেলোয়ার হোসেনের আড়তে নিয়ে গেলে উৎসুক জনতা ভিড় জমান। কিন্তু মাছটি স্থানীয়দের কাছে অপরিচিত হওয়ায় কেউ কিনতে সাহস করেননি।

মৎস্য ব্যবসায়ী মিলন বলেন, এ জাতীয় মাছ আমি প্রথম দেখলাম। মাছটি বাজারের সব লোকের কাছে অপরিচিত হওয়ায় কেউ এই মাছটি কিনতে সাহস পায়নি। পরে সুমন হালদার মাছটি আড়তে ফেলে চলে যান। তখন আমি মাছটি নিয়ে আমাদের পুকুরে ছেড়ে দিয়েছি।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরিফ জানান, সাকার মূলত সামুদ্রিক মাছ। কিন্তু নানা কারণে আজকাল নদ-নদীতেও এদের দেখা মিলছে। এমনকি পুকুরেও এরা দীর্ঘদিন বাঁচে। এই মাছ খাওয়া যায় না। খুব একটা বড়ও হয় না। এর শরীর খুব শক্ত। বটি দিয়ে ঠিকমতো কাটা যায় না। শৌখিন অনেকেই এ মাছ লালন করে থাকেন। আমার নিজের পুকুরেও বেশ কয়েকটি রয়েছে।

পদ্মায় ধরা পড়া ১ কেজি ওজনের সাকার মাছ কিনল না কেউ

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
২৪ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ১ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির একটি সাকার মাছ। বুধবার ভোরে স্থানীয় জেলে সুমন হালদার জাল ফেলে সাকার মাছটি ধরেন। তবে কেউ না কেনায় মাছটি আড়তে ফেলে যান তিনি। 

স্থানীয়রা জানান, পদ্মা নদীর অন্তরমোড় এলাকায় জাল ফেললে ১ কেজি ওজনের মাছটি সুমন হালদারের জালে ধরা পড়ে। পরে মাছটি বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া বাজারে দেলোয়ার হোসেনের আড়তে নিয়ে গেলে উৎসুক জনতা ভিড় জমান। কিন্তু মাছটি স্থানীয়দের কাছে অপরিচিত হওয়ায় কেউ কিনতে সাহস করেননি।

মৎস্য ব্যবসায়ী মিলন বলেন, এ জাতীয় মাছ আমি প্রথম দেখলাম। মাছটি বাজারের সব লোকের কাছে অপরিচিত হওয়ায় কেউ এই মাছটি কিনতে সাহস পায়নি। পরে সুমন হালদার মাছটি আড়তে ফেলে চলে যান। তখন আমি মাছটি নিয়ে আমাদের পুকুরে ছেড়ে দিয়েছি।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরিফ জানান, সাকার মূলত সামুদ্রিক মাছ। কিন্তু নানা কারণে আজকাল নদ-নদীতেও এদের দেখা মিলছে। এমনকি পুকুরেও এরা দীর্ঘদিন বাঁচে। এই মাছ খাওয়া যায় না। খুব একটা বড়ও হয় না। এর শরীর খুব শক্ত। বটি দিয়ে ঠিকমতো কাটা যায় না। শৌখিন অনেকেই এ মাছ লালন করে থাকেন। আমার নিজের পুকুরেও বেশ কয়েকটি রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন