এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, ৬ যুবকের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, ৬ যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

  যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর  

২৪ নভেম্বর ২০২১, ২২:৪৮:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বাড়ি ফেরার পথে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানায় ৬ যুবকের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বাদী উপজেলার বারহাল গ্রামের জাকির হোসেন ওরফে ক্বারী মিয়ার ছেলে মাহমুদুল হাসান নাঈমকে প্রধান ও তার অপর সহযোগী উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রমের হাবিবুর রহমানের ছেলে অনিক মিয়া, একই গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে আকিক মিয়া, উপজেলার যশপ্রতাব (মোল্লাপাড়া) গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে রাকিবুল ইসলাম, উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রামের মাজু মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন, একই গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে মিলন মিয়াসহ ৬ যুবককে অভিযুক্ত করে মামলাটি দায়ের করেন।

বুধবার মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুল হাসান নাঈমকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদার যুগান্তরকে বলেন, মামলায় পলাতক আসামিদের খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ, ৬ যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

 যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর 
২৪ নভেম্বর ২০২১, ১০:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাড়ি ফেরার পথে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানায় ৬ যুবকের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বাদী উপজেলার বারহাল গ্রামের জাকির হোসেন ওরফে ক্বারী মিয়ার ছেলে মাহমুদুল হাসান নাঈমকে প্রধান ও তার অপর সহযোগী উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রমের হাবিবুর রহমানের ছেলে অনিক মিয়া, একই গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে আকিক মিয়া, উপজেলার যশপ্রতাব (মোল্লাপাড়া) গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে রাকিবুল ইসলাম, উপজেলার কামড়াবন্দ গ্রামের মাজু মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন, একই গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে মিলন মিয়াসহ ৬ যুবককে অভিযুক্ত করে মামলাটি দায়ের করেন।

বুধবার মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুল হাসান নাঈমকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

তাহিরপুর থানার ওসি মো. আব্দুল লতিফ তরফদার যুগান্তরকে বলেন, মামলায় পলাতক আসামিদের খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন