ডুবে যাওয়া সারের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই
jugantor
ডুবে যাওয়া সারের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই

  বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি  

২৫ নভেম্বর ২০২১, ০১:০৭:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে বিসিআইসির ৬ হাজার ৪০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেড ডুবে গেছে। এ ঘটনায় সার সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পোটোন ট্রেডার্সকেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

বুধবার এ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরিশাল বিসিআইসির পাঁচ জেলার দায়িত্বরত কর্মকর্তা আব্দুর রহিম খন্দকার।

তিনি যুগান্তরকে জানান, তারা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিসিআইসির সার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন করার জন্য শর্তসাপেক্ষে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করেন। এক্ষেত্রে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম অনুযায়ী বিসিআইসির সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে সার পরিবহনের সমপরিমাণ মূল্য বিসিআইসির সরকারি কোষাগারে জমা রাখার চুক্তিবদ্ধ হতে হয়। সে অনুযায়ী সার সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যদি সুনির্দিষ্ট স্থানে ওই সার পরিবহন করতে না পারেন, সেজন্য শর্ত অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জামানত হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা রাখা টাকা থেকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সারের মূল্য কেটে রাখা হবে।

জানা গেছে, যশোরের নওয়াপাড়া থেকে বিসিআইসির ইউরিয়া সার সরবরাহ করার জন্য পোটোন ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। শর্ত অনুযায়ী নওয়াপাড়া থেকে তাদের সেই ইউরিয়া সার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর পৌঁছে দেওয়ার কথা। এক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠান সেই ইউরিয়া সার সুনির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারেনি।

২২ নভেম্বর তাদের চুক্তিভিত্তিক সেই ইউরিয়া সারবোঝাই এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেডটির তলা ফেটে সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যায়। এক্ষেত্রে শর্ত অনুযায়ী সেই সার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পোটোন ট্রেডার্সকেই এর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এদিকে বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় বিসিআইসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. সাইদুর রহমান ও বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা বিসিআইসির সারসহ সন্ধ্যা নদীতে বাল্কহেডের ডুবে যাওয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা যুগান্তরকে জানান।

এদিকে সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটি উদ্ধারের জন্য বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর কাছে কোনো আবেদন করেনি। বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর পোর্ট অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান যুগান্তরকে জানান, সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটি উদ্ধার করতে হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের কাছে আবেদন করতে হবে। তারপর তারা ওই বাল্কহেডটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এক্ষেত্রে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএর কাছে কোনো ব্যক্তি আবেদন করেনি বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেডের মূল মালিক ঢাকার আব্দুর রহমানের কাছ থেকে মাসিক দেড় লাখ টাকা ভাড়া চুক্তি নেওয়া নওয়াপাড়া নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশন শাখার সভাপতি মো. ইমরান মাস্টার যুগান্তরকে জানান, বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেডটি বিআইডব্লিউটিএর মাধ্যমে উদ্ধার করতে হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যে পরিমাণ টাকা খরচ করতে হবে, এই মুহূর্তে তিনি ওই পরিমাণ টাকা খরচ করতে পারছেন না। ফলে তিনি কম খরচে ও স্থানীয় ডুবুরি দিয়ে বাল্কহেডটি উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে তারা কবেনাগাদ ওই বাল্কহেডটি উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারবেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।

নওয়াপাড়া বিসিআইসির ইউরিয়া সার নিয়ে আসার ব্যাপারে নৌযান শ্রমিক নেতা ইমরান মাস্টার যুগান্তরকে জানান, সম্প্রতি তিনি নওয়াপাড়ার লেবার সরদার মো.আনোয়ার হোসেনের মাধ্যমে অভয়নগর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির সঙ্গে বস্তাপ্রতি ১৬ টাকা ভাড়া চুক্তিতে বিসিআইসির গুদাম থেকে ৬৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে বরিশালের শিকারপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসেন। চুক্তি অনুযায়ী ১১ নভেম্বর তিনি এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেডটি বিসিআইসির গুদাম থেকে ৬৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও নৌযান শ্রমিক আন্দোলনের কারণে ১৪ নভেম্বর সেখান থেকে তার বাল্কহেডটি ছেড়ে আসে।

তিনি জানান, এদিন রাতে বাল্কহেডটির সুকানি মো. শফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনচালক মো. আলাউদ্দিন ও লস্কর মো. আল আমিন ওই সার নিয়ে মঙ্গলা এলাকায় অবস্থান করেন। পর দিন সকালে সেখান থেকে ওই বাল্কহেডটি শিকারপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ১৬ নভেম্বর তার বাল্কহেডটির মেশিন বিকল হয়ে পড়লে সুকানি শফিকুল ইসলাম বাগেরহাট জেলার ফুলহাতা-ঘষিয়াখালী এলাকায় নোঙর করেন। ২০ নভেম্বর সেখান থকে তারা বাল্কহেডটির মেশিন ঠিক করে কাউখালী এসে নোঙর করেন।

২১ নভেম্বর সকালে ওই বাল্কহেডটি সেখান থেকে শিকারপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ওই দিন তারা শিকারপুর না গিয়ে বানারীপাড়ার খোদাবকশা দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে নোঙর করেন। ২২ নভেম্বর সকাল অনুমান সাড়ে ১০টার দিকে বাল্কহেডটির মেশিন রুমের তলা ফেটে ডুবে যায় বলে তিনি জানান।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতে ইমরান মাস্টার বানারীপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। একই রাতে সারের মালিকপক্ষ দাবি করে নওয়াপাড়ার লেবার সরদার মো. আনোয়ার হোসেন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। তাদের দুজনের পৃথকভাবে করা সাধারণ ডায়েরি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন যুগান্তরকে জানিয়েছেন।

ডুবে যাওয়া সারের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই

 বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি 
২৫ নভেম্বর ২০২১, ০১:০৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা নদীতে বিসিআইসির ৬ হাজার ৪০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেড ডুবে গেছে। এ ঘটনায় সার সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পোটোন ট্রেডার্সকেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

বুধবার এ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বরিশাল বিসিআইসির পাঁচ জেলার দায়িত্বরত কর্মকর্তা আব্দুর রহিম খন্দকার।

তিনি যুগান্তরকে জানান, তারা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিসিআইসির সার এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন করার জন্য শর্তসাপেক্ষে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ করেন। এক্ষেত্রে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ম অনুযায়ী বিসিআইসির সঙ্গে শর্তসাপেক্ষে সার পরিবহনের সমপরিমাণ মূল্য বিসিআইসির সরকারি কোষাগারে জমা রাখার চুক্তিবদ্ধ হতে হয়। সে অনুযায়ী সার সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যদি সুনির্দিষ্ট স্থানে ওই সার পরিবহন করতে না পারেন, সেজন্য শর্ত অনুযায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জামানত হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা রাখা টাকা থেকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে সারের মূল্য কেটে রাখা হবে।

জানা গেছে, যশোরের নওয়াপাড়া থেকে বিসিআইসির ইউরিয়া সার সরবরাহ করার জন্য পোটোন ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। শর্ত অনুযায়ী নওয়াপাড়া থেকে তাদের সেই ইউরিয়া সার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর পৌঁছে দেওয়ার কথা। এক্ষেত্রে উক্ত প্রতিষ্ঠান সেই ইউরিয়া সার সুনির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিতে পারেনি।

২২ নভেম্বর তাদের চুক্তিভিত্তিক সেই ইউরিয়া সারবোঝাই এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেডটির তলা ফেটে সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যায়। এক্ষেত্রে শর্ত অনুযায়ী সেই সার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান পোটোন ট্রেডার্সকেই এর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এদিকে বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় বিসিআইসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. সাইদুর রহমান ও বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা বিসিআইসির সারসহ সন্ধ্যা নদীতে বাল্কহেডের ডুবে যাওয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ ব্যাপারে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা যুগান্তরকে জানান। 

এদিকে সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটি উদ্ধারের জন্য বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর কাছে কোনো আবেদন করেনি। বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর পোর্ট অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান যুগান্তরকে জানান, সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটি উদ্ধার করতে হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাদের কাছে আবেদন করতে হবে। তারপর তারা ওই বাল্কহেডটি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এক্ষেত্রে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিআইডব্লিউটিএর কাছে কোনো ব্যক্তি আবেদন করেনি বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেডের মূল মালিক ঢাকার আব্দুর রহমানের কাছ থেকে মাসিক দেড় লাখ টাকা ভাড়া চুক্তি নেওয়া নওয়াপাড়া নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশন শাখার সভাপতি মো. ইমরান মাস্টার যুগান্তরকে জানান, বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীতে ডুবে যাওয়া এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেডটি বিআইডব্লিউটিএর মাধ্যমে উদ্ধার করতে হলে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী যে পরিমাণ টাকা খরচ করতে হবে, এই মুহূর্তে তিনি ওই পরিমাণ টাকা খরচ করতে পারছেন না। ফলে তিনি কম খরচে ও স্থানীয় ডুবুরি দিয়ে বাল্কহেডটি উদ্ধার করার চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে তারা কবেনাগাদ ওই বাল্কহেডটি উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারবেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি। 

নওয়াপাড়া বিসিআইসির ইউরিয়া সার নিয়ে আসার ব্যাপারে নৌযান শ্রমিক নেতা ইমরান মাস্টার যুগান্তরকে জানান, সম্প্রতি তিনি নওয়াপাড়ার লেবার সরদার মো.আনোয়ার হোসেনের মাধ্যমে অভয়নগর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির সঙ্গে বস্তাপ্রতি ১৬ টাকা ভাড়া চুক্তিতে বিসিআইসির গুদাম থেকে ৬৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে বরিশালের শিকারপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসেন। চুক্তি অনুযায়ী ১১ নভেম্বর তিনি এমভি আব্দুর রহমান-২ বাল্কহেডটি বিসিআইসির গুদাম থেকে ৬৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও নৌযান শ্রমিক আন্দোলনের কারণে ১৪ নভেম্বর সেখান থেকে তার বাল্কহেডটি ছেড়ে আসে।

তিনি জানান, এদিন রাতে বাল্কহেডটির সুকানি মো. শফিকুল ইসলাম, ইঞ্জিনচালক মো. আলাউদ্দিন ও লস্কর মো. আল আমিন ওই সার নিয়ে মঙ্গলা এলাকায় অবস্থান করেন। পর দিন সকালে সেখান থেকে ওই বাল্কহেডটি শিকারপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ১৬ নভেম্বর তার বাল্কহেডটির মেশিন বিকল হয়ে পড়লে সুকানি শফিকুল ইসলাম বাগেরহাট জেলার ফুলহাতা-ঘষিয়াখালী এলাকায় নোঙর করেন। ২০ নভেম্বর সেখান থকে তারা বাল্কহেডটির মেশিন ঠিক করে কাউখালী এসে নোঙর করেন।

২১ নভেম্বর সকালে ওই বাল্কহেডটি সেখান থেকে শিকারপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ওই দিন তারা শিকারপুর না গিয়ে বানারীপাড়ার খোদাবকশা দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীতে নোঙর করেন। ২২ নভেম্বর সকাল অনুমান সাড়ে ১০টার দিকে বাল্কহেডটির মেশিন রুমের তলা ফেটে ডুবে যায় বলে তিনি জানান। 

এ ঘটনায় ওই দিন রাতে ইমরান মাস্টার বানারীপাড়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। একই রাতে সারের মালিকপক্ষ দাবি করে নওয়াপাড়ার লেবার সরদার মো. আনোয়ার হোসেন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। তাদের দুজনের পৃথকভাবে করা সাধারণ ডায়েরি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন যুগান্তরকে জানিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন