ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ এক কক্ষে! শিক্ষককে শোকজ
jugantor
ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ এক কক্ষে! শিক্ষককে শোকজ

  গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি  

২৫ নভেম্বর ২০২১, ১৮:২৫:২৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুরের রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজে একটি কক্ষে নিয়ম ভেঙে প্রভাষক ও ছাত্রীর দীর্ঘসময় অবস্থান করার ঘটনায় ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এলাকায় আলোচনার ঝড় উঠেছে।

কারণ দর্শানো নোটিশ ও অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা যায়, ওই কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মো. মাজেম আলী গত ২০ নভেম্বর কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিকাল ৪টা হতে ৫টা ৩৫ পর্যন্ত তার বিভাগীয় অফিস কক্ষে দ্বাদশ প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর সঙ্গে অবস্থান করেন। ওই ঘটনার পর রাতেই ওই ছাত্রীকে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। পর দিন শিক্ষক মাজেম আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল করিম আব্বাসী। তিনি একজন সাংবাদিক বলে জানা গেছে।

ওই ছাত্রী জানায়, তার মা হত্যার নিউজ বিষয়ে মাজেম স্যারের অফিস কক্ষে গিয়েছেন। তবে ওই সময় তার নানিও সঙ্গে ছিলেন।

কলেজের নৈশপ্রহরী জামাত আলী জানান, মাগরিবের নামাজ পর তার দুই রুমমেট প্রাইভেট পড়ে এসে তাদের রুমে তালা দেখে তাকে খোঁজাখুঁজির পর তার (জামাত) কাছে জানতে চায় তাদের রুমমেট কোথায় গেছে। এসব আলোচনার একপর্যায়ে প্রভাষক মাজেম আলী তার অফিস থেকে মেইন গেটের পাশে আসলে তিনি ওই ছাত্রীকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান। মাজেম স্যার বলেন, ওর নানিকে গাড়িতে তুলে দিতে গেছে। মাজেম স্যার গেটের বাহিরে যাওয়ার পরই ওই ছাত্রী স্যারের রুমের দিক থেকে আসে।

অভিযুক্ত প্রভাষক মাজেম আলী বলেন, তার মেয়ের নামে নাম হওয়ায় তাকে মেয়ে বলে ডাকেন। তার মা হত্যার বিষয় নিয়ে কথা বলতে আসে। ওই সময় তার নানিও সঙ্গে ছিলেন। প্রকৃত অর্থে কলেজের একটি নিয়োগ নিয়ে কমিটির সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। ওই ঘটনার জেরে তাকে ফাঁসাতে কমিটি তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জানান, দায়িত্বরত কর্মচারী ও আবাসিক ছাত্রীদের অভিযোগে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কলেজে প্রবেশ করে দীর্ঘক্ষণ তার বিভাগীয় কক্ষে একজন ছাত্রীসহ অবস্থান করায় কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই অভিযুক্ত মাজেমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি জবাব দিয়েছেন। ২-১ দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কলেজটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও পৌর মেয়র মো. শাহনেওয়াজ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং তদন্তের পর তথ্য-প্রমাণের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্রীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ এক কক্ষে! শিক্ষককে শোকজ

 গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি 
২৫ নভেম্বর ২০২১, ০৬:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোরের গুরুদাসপুরের রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজে একটি কক্ষে নিয়ম ভেঙে প্রভাষক ও ছাত্রীর দীর্ঘসময় অবস্থান করার ঘটনায় ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এলাকায় আলোচনার ঝড় উঠেছে।

কারণ দর্শানো নোটিশ ও অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা যায়, ওই কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মো. মাজেম আলী গত ২০ নভেম্বর কর্তৃপক্ষের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিকাল ৪টা হতে ৫টা ৩৫ পর্যন্ত তার বিভাগীয় অফিস কক্ষে দ্বাদশ প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীর সঙ্গে অবস্থান করেন। ওই ঘটনার পর রাতেই ওই ছাত্রীকে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। পর দিন শিক্ষক মাজেম আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রুহুল করিম আব্বাসী। তিনি একজন সাংবাদিক বলে জানা গেছে।

ওই ছাত্রী জানায়, তার মা হত্যার নিউজ বিষয়ে মাজেম স্যারের অফিস কক্ষে গিয়েছেন। তবে ওই সময় তার নানিও সঙ্গে ছিলেন।

কলেজের নৈশপ্রহরী জামাত আলী জানান, মাগরিবের নামাজ পর তার দুই রুমমেট প্রাইভেট পড়ে এসে তাদের রুমে তালা দেখে তাকে খোঁজাখুঁজির পর তার (জামাত) কাছে জানতে চায় তাদের রুমমেট কোথায় গেছে। এসব আলোচনার একপর্যায়ে প্রভাষক মাজেম আলী তার অফিস থেকে মেইন গেটের পাশে আসলে তিনি ওই ছাত্রীকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান। মাজেম স্যার বলেন, ওর নানিকে গাড়িতে তুলে দিতে গেছে। মাজেম স্যার গেটের বাহিরে যাওয়ার পরই ওই ছাত্রী স্যারের রুমের দিক থেকে আসে।

অভিযুক্ত প্রভাষক মাজেম আলী বলেন, তার মেয়ের নামে নাম হওয়ায় তাকে মেয়ে বলে ডাকেন। তার মা হত্যার বিষয় নিয়ে কথা বলতে আসে। ওই সময় তার নানিও সঙ্গে ছিলেন। প্রকৃত অর্থে কলেজের একটি নিয়োগ নিয়ে কমিটির সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়। ওই ঘটনার জেরে তাকে ফাঁসাতে কমিটি তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জানান, দায়িত্বরত কর্মচারী ও আবাসিক ছাত্রীদের অভিযোগে নিয়ম বহির্ভূতভাবে কলেজে প্রবেশ করে দীর্ঘক্ষণ তার বিভাগীয় কক্ষে একজন ছাত্রীসহ অবস্থান করায় কলেজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই অভিযুক্ত মাজেমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি জবাব দিয়েছেন। ২-১ দিনের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কলেজটির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও পৌর মেয়র মো. শাহনেওয়াজ আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং তদন্তের পর তথ্য-প্রমাণের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন