টাকা দিয়ে ৬০ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন অপহৃত সাত জেলে
jugantor
টাকা দিয়ে ৬০ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন অপহৃত সাত জেলে

  শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  

২৫ নভেম্বর ২০২১, ১৯:০০:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গোপসাগরে ৬০ ঘণ্টা পর ডাকাতদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন অপহৃত সাত জেলে। বৃহস্পতিবার সকালে অপহৃত জেলেরা তাদের নিজ নিজ বাড়ি এসে পৌঁছান। এ সময় পরিবারের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

শরণখোলায় ফিরে আসা জেলে লোকমান (৬০) ও জাকির হোসেন (৫০) জানান, গত ২১ নভেম্বর রাত ৯টায় ডাকাত দল তাদের অপহরণ করে একটি ফিশিং ট্রলারের আইসকুঠুরিতে আটকে রাখে। সেখানে আগে থেকেই পাথরঘাটার জেলে নেছার খান (৫০), কামাল হোসেন (৪৫), জামাল হোসেন (৪৮) ও পিরোজপুরের হেলাল (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (৪০)অপহরণ করে আটক রাখা হয়। এরপর সারা রাত ট্রলার চালিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় তাদের। কোন খাবার না দিয়ে বেদম মারপিট করে তাদের।

তারা জানান, অপহরণের একদিন পরে মোবাইল ফোনে জেলেদের মালিকদের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা পরিশোধ করতে বলে ডাকাত দল। এ সময় জেলেদের মারধর করা হয়। পরে জেলে লোকমানের আত্মীয়স্বজন বিকাশের মাধ্যমে ডাকাতদের কাছে ৫০ হাজার টাকা পাঠান। অপর কয়েক জেলেও একইভাবে ডাকাতদের টাকা পাঠিয়েছেন বলে জেলেরা জানান।

একপর্যায়ে বুধবার ভোরে ডাকাত দল তাদের আইসকুঠুরিতে আটক অবস্থায় রেখে অপর একটি ট্রলারে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে বের হয়ে জেলেরা জানতে পারেন তাদের অবস্থান ভোলার চরমমতাজ এলাকায়। সেখান থেকে ট্রলার চালিয়ে কুয়াকাটায় এসে নৌপুলিশকে ঘটনা খুলে বললে শরণখোলা থানা পুলিশের সহায়তায় তারা বাড়ি ফিরে আসেন।

শরণখোলা থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান জানান, ডাকাতদের ব্যবহৃত ট্রলারে জেলেরা ফিরে আসায় কুয়াকাটার জেলেরা তাদের ডাকাত সন্দেহ করে। পরে আমাদের রিপোর্ট পাওয়ার পরে সেখানের নৌ-পুলিশ ও র্যা ব জেলেদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করেন।

টাকা দিয়ে ৬০ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন অপহৃত সাত জেলে

 শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 
২৫ নভেম্বর ২০২১, ০৭:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বঙ্গোপসাগরে ৬০ ঘণ্টা পর ডাকাতদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন অপহৃত সাত জেলে। বৃহস্পতিবার সকালে অপহৃত জেলেরা তাদের নিজ নিজ বাড়ি এসে পৌঁছান। এ সময় পরিবারের স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

শরণখোলায় ফিরে আসা জেলে লোকমান (৬০) ও জাকির হোসেন (৫০) জানান, গত ২১ নভেম্বর রাত ৯টায় ডাকাত দল তাদের অপহরণ করে একটি ফিশিং ট্রলারের আইসকুঠুরিতে আটকে রাখে। সেখানে আগে থেকেই পাথরঘাটার জেলে নেছার খান (৫০), কামাল হোসেন (৪৫), জামাল হোসেন (৪৮) ও পিরোজপুরের হেলাল (৩৫) ও জাহাঙ্গীরকে (৪০)অপহরণ করে আটক রাখা হয়। এরপর সারা রাত ট্রলার চালিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় তাদের। কোন খাবার না দিয়ে বেদম মারপিট করে তাদের।

তারা জানান, অপহরণের একদিন পরে মোবাইল ফোনে জেলেদের মালিকদের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা পরিশোধ করতে বলে ডাকাত দল। এ সময় জেলেদের মারধর করা হয়। পরে জেলে লোকমানের আত্মীয়স্বজন বিকাশের মাধ্যমে ডাকাতদের কাছে ৫০ হাজার টাকা পাঠান। অপর কয়েক জেলেও একইভাবে ডাকাতদের টাকা পাঠিয়েছেন বলে জেলেরা জানান।

একপর্যায়ে বুধবার ভোরে ডাকাত দল তাদের আইসকুঠুরিতে আটক অবস্থায় রেখে অপর একটি ট্রলারে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে বের হয়ে জেলেরা জানতে পারেন তাদের অবস্থান ভোলার চরমমতাজ এলাকায়। সেখান থেকে ট্রলার চালিয়ে কুয়াকাটায় এসে নৌপুলিশকে ঘটনা খুলে বললে শরণখোলা থানা পুলিশের সহায়তায় তারা বাড়ি ফিরে আসেন।

শরণখোলা থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান জানান, ডাকাতদের ব্যবহৃত ট্রলারে জেলেরা ফিরে আসায় কুয়াকাটার জেলেরা তাদের ডাকাত সন্দেহ করে। পরে আমাদের রিপোর্ট পাওয়ার পরে সেখানের নৌ-পুলিশ ও র্যা ব জেলেদের বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন