খেলার মাঠ থেকে কলেজছাত্রকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ
jugantor
খেলার মাঠ থেকে কলেজছাত্রকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

  রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি  

২৫ নভেম্বর ২০২১, ১৯:০৩:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে সিফাতুল ইসলাম তামিম (১৮) নামে এক কলেজছাত্রকে খেলার মাঠ থেকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার বিকালে মো. সোহাগ হোসেন অপু মৃধার বিরুদ্ধে এ নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নির্যাতনে আহত তামিম উপজেলা সদরের বাগড়ি এলাকার মো. খলিলুর রহমানের ছেলে ও বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্র। নির্যাতনকারী অপু মৃধা উপজেলার সদর ইউনিয়নের সত্যনগর এলাকার পুলিশ কর্মকর্তা (এএসআই) মো. ইদ্রিস আলী মৃধার ছেলে। তিনি বর্তমানে বরিশাল বিমানবন্দর থানায় কর্মরত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অপু পলাতক রয়েছে।

আহত তামিম জানান, মঙ্গলবার উপজেলার বাইপাস মোড় এলাকায় দুই দল এসএসসি পরীক্ষার্থী সংঘর্ষে জড়ানোর পরিকল্পনা করছিল। তিনি বুঝতে পেরে দুইপক্ষকে ঝামেলায় না জড়ানোর পরামর্শ দেন। পরে দুইপক্ষই ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। এই দুইপক্ষের মধ্যে একপক্ষ নির্যাতনকারী অপু মৃধার সহযোগী।

তিনি জানান, এ ঘটনার জেরে বুধবার বিকালে অপু ও তার দুই সহযোগী মিলে দুইটি মোটরসাইকেলে করে উপজেলা সদরের খেলার মাঠ থেকে তাকে তুলে নিয়ে আঙ্গারিয়া এলাকায় যায়। সেখানে আঙ্গারিয়া পঞ্চগ্রাম বালিকা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কক্ষে আটকে টানা দুই ঘণ্টা হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে তাকে নির্মমভাবে পেটানো হয়। খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের বারান্দা থেকে গুরুতর আহতাবস্থায় স্বজনরা তামিমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

জানা যায়, অপু মৃধা এর আগেও একাধিকবার এমন নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে। তার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম মনিরুজ্জামানের ছোটভাই ছাত্রলীগ নেতা সাইফুজ্জামান রুবেল হত্যাচেষ্টা, সত্যনগর এলাকার অপর এক যুবককে হত্যাচেষ্টা, পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া ও মাদকের মামলাসহ রাজাপুর ও ঝালকাঠি থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

তামিমের বাবা মো. খলিলুর রহমান মোবাইল ফোনে বলেন, আমার ছেলেকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ নিয়ে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত থানায় অবস্থান করেও মামলা করতে পারিনি। পুলিশ বলেছে, তদন্ত করে দেখে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হালিম তালুকদার বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খেলার মাঠ থেকে কলেজছাত্রকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ

 রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি 
২৫ নভেম্বর ২০২১, ০৭:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে সিফাতুল ইসলাম তামিম (১৮) নামে এক কলেজছাত্রকে খেলার মাঠ থেকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার বিকালে মো. সোহাগ হোসেন অপু মৃধার বিরুদ্ধে এ নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নির্যাতনে আহত তামিম উপজেলা সদরের বাগড়ি এলাকার মো. খলিলুর রহমানের ছেলে ও বরিশাল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্র। নির্যাতনকারী অপু মৃধা উপজেলার সদর ইউনিয়নের সত্যনগর এলাকার পুলিশ কর্মকর্তা (এএসআই) মো. ইদ্রিস আলী মৃধার ছেলে। তিনি বর্তমানে বরিশাল বিমানবন্দর থানায় কর্মরত রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অপু পলাতক রয়েছে।

আহত তামিম জানান, মঙ্গলবার উপজেলার বাইপাস মোড় এলাকায় দুই দল এসএসসি পরীক্ষার্থী সংঘর্ষে জড়ানোর পরিকল্পনা করছিল। তিনি বুঝতে পেরে দুইপক্ষকে ঝামেলায় না জড়ানোর পরামর্শ দেন। পরে দুইপক্ষই ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। এই দুইপক্ষের মধ্যে একপক্ষ নির্যাতনকারী অপু মৃধার সহযোগী।

তিনি জানান, এ ঘটনার জেরে বুধবার বিকালে অপু ও তার দুই সহযোগী মিলে দুইটি মোটরসাইকেলে করে উপজেলা সদরের খেলার মাঠ থেকে তাকে তুলে নিয়ে আঙ্গারিয়া এলাকায় যায়। সেখানে আঙ্গারিয়া পঞ্চগ্রাম বালিকা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কক্ষে আটকে টানা দুই ঘণ্টা হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে তাকে নির্মমভাবে পেটানো হয়। খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের বারান্দা থেকে গুরুতর আহতাবস্থায় স্বজনরা তামিমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। 

জানা যায়, অপু মৃধা এর আগেও একাধিকবার এমন নির্মম ঘটনা ঘটিয়েছে। তার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম মনিরুজ্জামানের ছোটভাই ছাত্রলীগ নেতা সাইফুজ্জামান রুবেল হত্যাচেষ্টা, সত্যনগর এলাকার অপর এক যুবককে হত্যাচেষ্টা, পুলিশের কাছ থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে যাওয়া ও মাদকের মামলাসহ রাজাপুর ও ঝালকাঠি থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

তামিমের বাবা মো. খলিলুর রহমান মোবাইল ফোনে বলেন, আমার ছেলেকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ নিয়ে বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত থানায় অবস্থান করেও মামলা করতে পারিনি। পুলিশ বলেছে, তদন্ত করে দেখে মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হালিম তালুকদার বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন