নৌকায় প্রকাশ্যে ভোট দিতে আ.লীগ নেতার হুংকার
jugantor
নৌকায় প্রকাশ্যে ভোট দিতে আ.লীগ নেতার হুংকার

  মেহেরপুর প্রতিনিধি  

২৬ নভেম্বর ২০২১, ০০:২৯:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পর এবার ভাইরাল হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মখলেসুর রহমান স্বপনের বক্তব্য। সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের পক্ষে পথসভায় মখলেসুর বলেছেন, ‘মেম্বার পদে গোপনে যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন। কিন্তু চেয়ারম্যান পদে নৌকায় ভোট দেবেন প্রকাশ্যে। মুখে বলবেন আওয়ামী লীগ করি, ভোট দেবেন নৌকার বিপক্ষে তা হবে না। এটা আমরা মানব না। ভোটকেন্দ্রে প্রকাশ্যে ভোট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে নৌকায় ভোট দিয়েছেন।’ এছাড়া তিনি কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন।

সম্প্রতি মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কুলবাড়িয়ায় এক নির্বাচনি পথসভায় মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোখলেসুর রহমানের এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ওই নির্বাচনি পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মতিউর রহমান, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সরফরাজ হোসেন প্রমুখ। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মোখলেসুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, রাজনীতির শেষ হিসাব হচ্ছে নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের ভোটের দিনে যদি আপনাদের কাছে না পাই বলে তিনিও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন।

একই পথসভার আরও একটি ভিডিওতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মতিউর রহমানকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা ইতিমধ্যে জেনে এসেছি, এই কুলবাড়িয়া গ্রাম পশ্চিম পাকিস্তান। এই পশ্চিম পাকিস্তানের আস্তানা যদি ভাঙতে হয়, তাহলে আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আগামী ২৮ নভেম্বর নৌকাতে প্রকাশ্যে ভোট দিতে হবে। সদস্য ভোটটি গোপনে দিতে পারেন। বিরোধী দলের লোক যাতে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারে, সেদিকে আপনারা খেয়াল রাখবেন।

আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যে আতংক বাড়ছে ভোটারদের মধ্যে। নিরাপদে তারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন কী পারবে না এমন দোলাচল বক্তব্য মানুষের মুখে মুখে।

কুতুবপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইদ্রিস আলীর প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শোলমারী গ্রামের সেলিম রেজা।

এর আগে গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের নৌকা প্রার্থীর পক্ষে কর্মী সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র দখলে নিয়ে প্রতিজন নৌকা প্রতীকে একবুর, দুবুর, তিনবুর প্রয়োজনে যত খুশি ততবার সিল মারবেন। সরকার আমাদের, প্রশাসন আমাদের। কেউ কোনো বাধা দেবে না। যদি বাধা দেয় আমাকে বলবেন।’

নৌকায় প্রকাশ্যে ভোট দিতে আ.লীগ নেতার হুংকার

 মেহেরপুর প্রতিনিধি 
২৬ নভেম্বর ২০২১, ১২:২৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পর এবার ভাইরাল হয়েছে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মখলেসুর রহমান স্বপনের বক্তব্য। সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকের পক্ষে পথসভায় মখলেসুর বলেছেন, ‘মেম্বার পদে গোপনে যাকে খুশি তাকে ভোট দেবেন। কিন্তু চেয়ারম্যান পদে নৌকায় ভোট দেবেন প্রকাশ্যে। মুখে বলবেন আওয়ামী লীগ করি, ভোট দেবেন নৌকার বিপক্ষে তা হবে না। এটা আমরা মানব না। ভোটকেন্দ্রে প্রকাশ্যে ভোট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে নৌকায় ভোট দিয়েছেন।’ এছাড়া তিনি কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন।

সম্প্রতি মেহেরপুর সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কুলবাড়িয়ায় এক নির্বাচনি পথসভায় মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মোখলেসুর রহমানের এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ওই নির্বাচনি পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মতিউর রহমান, যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সরফরাজ হোসেন প্রমুখ। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মোখলেসুর রহমানকে বলতে শোনা যায়, রাজনীতির শেষ হিসাব হচ্ছে নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের ভোটের দিনে যদি আপনাদের কাছে না পাই বলে তিনিও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেন।

একই পথসভার আরও একটি ভিডিওতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মতিউর রহমানকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা ইতিমধ্যে জেনে এসেছি, এই কুলবাড়িয়া গ্রাম পশ্চিম পাকিস্তান। এই পশ্চিম পাকিস্তানের আস্তানা যদি ভাঙতে হয়, তাহলে আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। আগামী ২৮ নভেম্বর নৌকাতে প্রকাশ্যে ভোট দিতে হবে। সদস্য ভোটটি গোপনে দিতে পারেন। বিরোধী দলের লোক যাতে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে না পারে, সেদিকে আপনারা খেয়াল রাখবেন।

আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যে আতংক বাড়ছে ভোটারদের মধ্যে। নিরাপদে তারা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন কী পারবে না এমন দোলাচল বক্তব্য মানুষের মুখে মুখে।

কুতুবপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইদ্রিস আলীর প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শোলমারী গ্রামের সেলিম রেজা।

এর আগে গাংনী উপজেলার ষোলটাকা ইউনিয়নের নৌকা প্রার্থীর পক্ষে কর্মী সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র দখলে নিয়ে প্রতিজন নৌকা প্রতীকে একবুর, দুবুর, তিনবুর প্রয়োজনে যত খুশি ততবার সিল মারবেন। সরকার আমাদের, প্রশাসন আমাদের। কেউ কোনো বাধা দেবে না। যদি বাধা দেয় আমাকে বলবেন।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন