হেফাজতে রেখে কিশোরীকে ফের ধর্ষণ
jugantor
হেফাজতে রেখে কিশোরীকে ফের ধর্ষণ

  বরিশাল ব্যুরো  

২৬ নভেম্বর ২০২১, ০০:৩৭:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

দেহ ব্যবসায় বাধ্য হওয়া কিশোরীকে জিম্মায় দেওয়ার পর ফয়সাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কিশোরী বুধবার বিকালে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনায় মামলা করেন।

এ সময় বিচারক তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। অভিযুক্ত ফয়সাল হাওলাদার পলাতক রয়েছে।

কিশোরী জবানবন্দিতে বলেছেন, দেহ ব্যবসার কাজে বাধ্য করার অভিযোগে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করায় আদালত ১৪ নভেম্বর তাকে বোনের হেফাজতে দেন। এরপর থেকে তিনি নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাড়িতে অবস্থান করছিল। ২২ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে ফয়সাল হাওলাদার কিশোরীকে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করে।

১৪ নভেম্বর কিশোরী বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে গিয়ে বাবা-মা চাপ প্রয়োগ করে যৌনকর্মীর কাজ করাচ্ছেন বলে অভিযোগ দেন।

অভিযোগে ওই কিশোরী জানান, বাবা-মায়ের সহযোগিতায় আনোয়ার হোসেন নামের একজন মধু ব্যবসায়ী তাকে ১২৫ বার যৌন নির্যাতন করেছে। কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কমিশনার কোতোয়ালি থানা পুলিশকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ওই রাতেই পুলিশ বাবা, মা ও ব্যবসায়ী আনোয়ারকে গ্রেফতার করে। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

কিশোরীর বোন বাদী হয়ে বাবা-মা ও আনোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর আদালতের নির্দেশে কিশোরীকে বোনের হেফাজতে দেওয়া হয়।

হেফাজতে রেখে কিশোরীকে ফের ধর্ষণ

 বরিশাল ব্যুরো 
২৬ নভেম্বর ২০২১, ১২:৩৭ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দেহ ব্যবসায় বাধ্য হওয়া কিশোরীকে জিম্মায় দেওয়ার পর ফয়সাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী কিশোরী বুধবার বিকালে বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনায় মামলা করেন।

এ সময় বিচারক তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। অভিযুক্ত ফয়সাল হাওলাদার পলাতক রয়েছে।

কিশোরী জবানবন্দিতে বলেছেন, দেহ ব্যবসার কাজে বাধ্য করার অভিযোগে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করায় আদালত ১৪ নভেম্বর তাকে বোনের হেফাজতে দেন। এরপর থেকে তিনি নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি বাড়িতে অবস্থান করছিল। ২২ নভেম্বর রাত ৯টার দিকে ফয়সাল হাওলাদার কিশোরীকে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করে।

১৪ নভেম্বর কিশোরী বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে গিয়ে বাবা-মা চাপ প্রয়োগ করে যৌনকর্মীর কাজ করাচ্ছেন বলে অভিযোগ দেন।

অভিযোগে ওই কিশোরী জানান, বাবা-মায়ের সহযোগিতায় আনোয়ার হোসেন নামের একজন মধু ব্যবসায়ী তাকে ১২৫ বার যৌন নির্যাতন করেছে। কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কমিশনার কোতোয়ালি থানা পুলিশকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ওই রাতেই পুলিশ বাবা, মা ও ব্যবসায়ী আনোয়ারকে গ্রেফতার করে। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

কিশোরীর বোন বাদী হয়ে বাবা-মা ও আনোয়ারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর আদালতের নির্দেশে কিশোরীকে বোনের হেফাজতে দেওয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন