একদিন অফিসে এসে পুরো সপ্তাহের হাজিরা লেখেন বজলুর রশিদ!
jugantor
একদিন অফিসে এসে পুরো সপ্তাহের হাজিরা লেখেন বজলুর রশিদ!

  জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল  

২৬ নভেম্বর ২০২১, ১৬:০৩:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের আবহাওয়া অফিসের পেশাগত সহকারি বজলুর রশিদ একদিন এসেই পুরো সপ্তাহের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি টাঙ্গাইলে যোগদান করার পর থেকেই অনিয়মিতভাবে অফিস করছেন। বাড়িতে থেকেই মাস শেষে সরকারি বেতন তোলেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট কারো নজরদারি না থাকায় তিনি ১০ বছর যাবৎ দায়িত্বের অবহেলা করছেন।

সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে বজলুর রশিদ টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসে পেশাগত সহকারি পদে যোগদান করেন। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের চরপাড়াবাড়ই গ্রামে।

অভিযোগ রয়েছে, তার বাড়ি পার্শ্ববর্তী উপজেলায় হওয়ায় তিনি যোগদানের পর থেকে অফিসের কোনো শৃঙ্খলা না মেনেই মাসে শেষে বেতন তোলেন। এ সব তথ্য কাউকে দিতে চাইলে তিনি খারাপ আচরণ করেন। দীর্ঘ এক বছর যাবৎ টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসে নজর রেখে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

বুধবার বেলা ১১টায় সরেজমিনে তার অফিসে গিয়ে বজলুর রশিদ পাওয়া যায়নি। হাজিরা খাতায় গত সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত তার কোনো স্বাক্ষর নেই।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবারে তিনি উপস্থিত হয়ে পুরো সপ্তাহের স্বাক্ষর দিয়েছেন খাতায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আবহাওয়া অফিসের এক কর্মচারী বলেন, পেশাগত সহকারি বজলুর রশিদ সপ্তাহে একবার আসেন। এসেই পুরো সপ্তাহের স্বাক্ষর করেন। মাসে চার দিনও অফিস করেন না। তারপরও পুরো মাসের বেতন তুলেন তিনি। এ বিষয়ে তাকে কিছু করলে কর্মচারীদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেন।

আরেক কর্মচারী বলেন, যাদের নজরদারি দেওয়ার কথা তারা যদি নজর দিতেন তাহলে বাড়ি থেকে সরকারি বেতন তুলতে পারতেন না। সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তেমন কোনো নজরদারি নেই। যে কারণে বছরের পর বছর তিনি বাড়ি থেকেই সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। তিনি বাড়ি থেকেই বিভিন্ন জনকে নানা কাজে ব্যস্ত থাকার অজুহাত দেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ পেশাগত সহকারি বজলুর রশিদ যুগান্তরকে বলেন, আমি নিয়মিত অফিস করি। সব অভিযোগ মিথ্যা।

একদিন অফিসে এসে পুরো সপ্তাহের হাজিরা লেখেন বজলুর রশিদ!

 জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল 
২৬ নভেম্বর ২০২১, ০৪:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের আবহাওয়া অফিসের পেশাগত সহকারি বজলুর রশিদ একদিন এসেই পুরো সপ্তাহের হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি টাঙ্গাইলে যোগদান করার পর থেকেই অনিয়মিতভাবে অফিস করছেন। বাড়িতে থেকেই মাস শেষে সরকারি বেতন তোলেন তিনি। 

সংশ্লিষ্ট কারো নজরদারি না থাকায় তিনি ১০ বছর যাবৎ দায়িত্বের অবহেলা করছেন। 

সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালে বজলুর রশিদ টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসে পেশাগত সহকারি পদে যোগদান করেন। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের চরপাড়াবাড়ই গ্রামে। 

অভিযোগ রয়েছে, তার বাড়ি পার্শ্ববর্তী উপজেলায় হওয়ায় তিনি যোগদানের পর থেকে অফিসের কোনো শৃঙ্খলা না মেনেই মাসে শেষে বেতন তোলেন। এ সব তথ্য কাউকে দিতে চাইলে তিনি খারাপ আচরণ করেন। দীর্ঘ এক বছর যাবৎ টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসে নজর রেখে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

বুধবার বেলা ১১টায় সরেজমিনে তার অফিসে গিয়ে বজলুর রশিদ পাওয়া যায়নি। হাজিরা খাতায় গত সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত তার কোনো স্বাক্ষর নেই। 

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবারে তিনি উপস্থিত হয়ে পুরো সপ্তাহের স্বাক্ষর দিয়েছেন খাতায়।
 
নাম প্রকাশ না করার শর্তে আবহাওয়া অফিসের এক কর্মচারী বলেন, পেশাগত সহকারি বজলুর রশিদ সপ্তাহে একবার আসেন। এসেই পুরো সপ্তাহের স্বাক্ষর করেন। মাসে চার দিনও অফিস করেন না। তারপরও পুরো মাসের বেতন তুলেন তিনি। এ বিষয়ে তাকে কিছু করলে কর্মচারীদের সঙ্গে খুব খারাপ আচরণ করেন।

আরেক কর্মচারী বলেন, যাদের নজরদারি দেওয়ার কথা তারা যদি নজর দিতেন তাহলে বাড়ি থেকে সরকারি বেতন তুলতে পারতেন না। সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তেমন কোনো নজরদারি নেই। যে কারণে বছরের পর বছর তিনি বাড়ি থেকেই সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন। তিনি বাড়ি থেকেই বিভিন্ন জনকে নানা কাজে ব্যস্ত থাকার অজুহাত দেন। 

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ পেশাগত সহকারি বজলুর রশিদ যুগান্তরকে বলেন, আমি নিয়মিত অফিস করি। সব অভিযোগ মিথ্যা। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন