পুত্রবধূর নির্যাতনে হাসপাতালে ৯০ বছরের রাবেয়া
jugantor
পুত্রবধূর নির্যাতনে হাসপাতালে ৯০ বছরের রাবেয়া

  কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৬ নভেম্বর ২০২১, ১৬:০৯:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

হাসপাতাল

পুত্রবধূর নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রাবেয়া বেগম (৯০) নামে এক বৃদ্ধা।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া মাছুয়াখালী গ্রামে।

এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই বৃদ্ধার ছেলে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় স্ত্রীর ভাইকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলাসূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে আত্মীয়ের মেয়ে খায়রুন্নাহার হেনাকে ছেলে মিজানুর রহমানের বউ করে ঘরে আনেন রাবেয়া বেগম। মিজান কলাপাড়া পৌরসভার একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী।

বিয়ের পর খায়রুন্নাহারের চালচলনে অখুশি ছিলেন রাবেয়া বেগম। গত ২৫ আগস্ট কাচভাঙা গুড়া করে চিনির সঙ্গে মিশিয়ে শাশুড়িকে খাওয়ান খায়রুন্নাহার। এতে রাবেয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বসে। ওই ঘটনায় খায়রুন্নাহার ক্ষমা চান।

এর পর গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঘরের মালামালসহ কাপড়-চোপড়, থালাবাটি, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা নিয়ে খায়রুন্নাহার ভাইয়ের বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন। এতে বাধা দিলে শাশুড়ি রাবেয়া বেগমকে বেধড়ক মারধর করেন তিনি। এতে তার ঠোঁট ফেটে রক্ত বের হয়। বুক ও পিঠে লাথি কিল-ঘুষি মারা হয়। এর পর খায়রুন্নাহার ভ্যানে করে মালামাল নিয়ে ভাইয়ের বাড়িতে চলে যান।

রাবেয়া বেগম বলেন, অনেক শখ করে খায়রুন্নাহারকে ছেলের বউ করে ঘরে এনেছিলাম। কিন্তু এখন সব দুঃসহ স্মৃতি। ভাতের সঙ্গে একটু মরিচ ভর্তা চাইলেও মুখের ওপর চড়থাপ্পড় দিত সে। এমনকি ঝাড়ুপেটা পর্যন্ত করা হয়েছে আমাকে।

মিজানুর রহমান জানান, তিনি স্ত্রীর এই জঘন্য কাজের বিচার চান।

চিকিৎসক সায়মা সুলতানা বলেন, উনার মুখের আপার লিপে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধরের কথা তাকে বলেছেন রাবেয়া বেগম।

পুত্রবধূর নির্যাতনে হাসপাতালে ৯০ বছরের রাবেয়া

 কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৬ নভেম্বর ২০২১, ০৪:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাসপাতাল
ছবি-যুগান্তর

পুত্রবধূর নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রাবেয়া বেগম (৯০) নামে এক বৃদ্ধা। 

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া মাছুয়াখালী গ্রামে। 

এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার কলাপাড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই বৃদ্ধার ছেলে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় স্ত্রীর ভাইকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলাসূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে আত্মীয়ের মেয়ে খায়রুন্নাহার হেনাকে ছেলে মিজানুর রহমানের বউ করে ঘরে আনেন রাবেয়া বেগম। মিজান কলাপাড়া পৌরসভার একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। 

বিয়ের পর খায়রুন্নাহারের চালচলনে অখুশি ছিলেন রাবেয়া বেগম। গত ২৫ আগস্ট কাচভাঙা গুড়া করে চিনির সঙ্গে মিশিয়ে শাশুড়িকে খাওয়ান খায়রুন্নাহার। এতে রাবেয়া বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বসে। ওই ঘটনায় খায়রুন্নাহার ক্ষমা চান। 

এর পর গত ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঘরের মালামালসহ কাপড়-চোপড়, থালাবাটি, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা নিয়ে খায়রুন্নাহার ভাইয়ের বাড়িতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন। এতে বাধা দিলে শাশুড়ি রাবেয়া বেগমকে বেধড়ক মারধর করেন তিনি। এতে তার ঠোঁট ফেটে রক্ত বের হয়। বুক ও পিঠে লাথি কিল-ঘুষি মারা হয়। এর পর খায়রুন্নাহার ভ্যানে করে মালামাল নিয়ে ভাইয়ের বাড়িতে চলে যান। 

রাবেয়া বেগম বলেন, অনেক শখ করে খায়রুন্নাহারকে ছেলের বউ করে ঘরে এনেছিলাম। কিন্তু এখন সব দুঃসহ স্মৃতি। ভাতের সঙ্গে একটু মরিচ ভর্তা চাইলেও মুখের ওপর চড়থাপ্পড় দিত সে। এমনকি ঝাড়ুপেটা পর্যন্ত করা হয়েছে আমাকে। 

মিজানুর রহমান জানান, তিনি স্ত্রীর এই জঘন্য কাজের বিচার চান। 

চিকিৎসক সায়মা সুলতানা বলেন, উনার মুখের আপার লিপে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারধরের কথা তাকে বলেছেন রাবেয়া বেগম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন