নিখোঁজের চার দিন পর বাঁশঝাড়ে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ
jugantor
নিখোঁজের চার দিন পর বাঁশঝাড়ে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ

  নীলফামারী প্রতিনিধি  

২৬ নভেম্বর ২০২১, ১৭:৪৭:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার লক্ষণপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে নিখোঁজের চার দিন পর বাঁশঝাড় থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ওই গৃহবধূর নাম লাভলী বেগম (২৫)। তিনি লাবিব (৬) এবং মাওয়া (৪) নামে দুই সন্তানের জননী।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর স্বামী রেজাউল ইসলাম (৩০) ও শাশুড়ি ইছরা বেগমকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীরা জানান, ২০১৩ সালে সৈয়দপুর উপজেলার লক্ষণপুর পশ্চিমপাড়ার আফজাল হোসেনের ছেলে রেজাউল ইসলামের সঙ্গে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ধলবাড়ীপাড় এলাকার তাজনগর বল্লামপুর গ্রামের বাবুল হোসেনের মেয়ে লাভলী বেগমের বিয়ে হয়। রেজাউল বাড়ির সামনে মেশিনের সাহায্যে খড় কেটে জীবিকা নির্বাহ করেন।

রেজাউলের স্ত্রী লাভলী বেগমকে গত মঙ্গলবার থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার নিখোঁজের বিষয়ে স্বামীর পক্ষ থেকে সৈয়দপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এছাড়া তার সন্ধানে এলাকায় মাইকিংও করা হয়।

পরে শুক্রবার সকালে নিখোঁজ গৃহবধূ লাভলী বেগমকে বাড়ির পাশের মোখলেছুর রহমান দুলু সরকার নামে একজনের বাঁশঝাড়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। একই এলাকার নুর মোহাম্মদের স্ত্রী রোজিনা খাতুন প্রথম এটা দেখতে পান।

খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহসান হাবীব ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁশঝাড় থেকে লাশ নামিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। এই পুলিশ কর্মকর্তা লাশের অবস্থা দেখে অনুমান করে বলেন, গৃহবধূকে ২-৩ দিন আগে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

গৃহবধূর মামা আমিনুল হক, ফুফু রোজী ও আর্জিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, স্বামী রেজাউল ইসলাম লাভলী বেগমকে দাম্পত্য কলহের কারণে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আর হত্যার ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তাকে নিখোঁজ বলে প্রচার করে।

এ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত খান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের চেষ্টা চলছে।

নিখোঁজের চার দিন পর বাঁশঝাড়ে মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ

 নীলফামারী প্রতিনিধি 
২৬ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার লক্ষণপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামে নিখোঁজের চার দিন পর বাঁশঝাড় থেকে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

ওই গৃহবধূর নাম লাভলী বেগম (২৫)। তিনি লাবিব (৬) এবং মাওয়া (৪) নামে দুই সন্তানের জননী।

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর স্বামী রেজাউল ইসলাম (৩০) ও শাশুড়ি ইছরা বেগমকে (৫০) আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীরা জানান, ২০১৩ সালে সৈয়দপুর উপজেলার লক্ষণপুর পশ্চিমপাড়ার আফজাল হোসেনের ছেলে রেজাউল ইসলামের সঙ্গে দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার ধলবাড়ীপাড় এলাকার তাজনগর বল্লামপুর গ্রামের বাবুল হোসেনের মেয়ে লাভলী বেগমের বিয়ে হয়। রেজাউল বাড়ির সামনে মেশিনের সাহায্যে খড় কেটে জীবিকা নির্বাহ করেন। 

রেজাউলের স্ত্রী লাভলী বেগমকে গত মঙ্গলবার থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার নিখোঁজের বিষয়ে স্বামীর পক্ষ থেকে সৈয়দপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। এছাড়া তার সন্ধানে এলাকায় মাইকিংও করা হয়। 

পরে শুক্রবার সকালে নিখোঁজ গৃহবধূ লাভলী বেগমকে বাড়ির পাশের মোখলেছুর রহমান দুলু সরকার নামে একজনের বাঁশঝাড়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। একই এলাকার নুর মোহাম্মদের স্ত্রী রোজিনা খাতুন প্রথম এটা দেখতে পান।

খবর পেয়ে সৈয়দপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আহসান হাবীব ঘটনাস্থলে গিয়ে বাঁশঝাড় থেকে লাশ নামিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। এই পুলিশ কর্মকর্তা লাশের অবস্থা দেখে অনুমান করে বলেন, গৃহবধূকে ২-৩ দিন আগে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। পুলিশ পরে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নীলফামারী সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। 

গৃহবধূর মামা আমিনুল হক, ফুফু রোজী ও আর্জিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, স্বামী রেজাউল ইসলাম লাভলী বেগমকে দাম্পত্য কলহের কারণে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আর হত্যার ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তাকে নিখোঁজ বলে প্রচার করে।

এ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল হাসনাত খান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী ও শাশুড়িকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের চেষ্টা চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন