নির্বাচনী সহিংসতায় আহত আ.লীগ কর্মীর মৃত্যু
jugantor
নির্বাচনী সহিংসতায় আহত আ.লীগ কর্মীর মৃত্যু

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি  

২৭ নভেম্বর ২০২১, ১৭:৫০:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা মারা গেছেন। শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান।

আওয়ামী লীগ কর্মী আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এদিকে আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুর পর শনিবার সকালে আওয়ামী লীগের মনোনীত পরাজিত চেয়ারম্যান, মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী হত্যায় অভিযুক্তদের বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, আংগারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার কামাল, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএম জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন খান প্রমুখ।

মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে বাবু মোল্লা বলেন, নৌকা মার্কা সমর্থন করাও অন্যায়! আমার বাবাকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যাওয়ার কারণে সংষর্ষের মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে। আসামি গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ নভেম্বর রাতে আংগারিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আসমা আক্তারের সমর্থক ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের সমর্থকদের মধ্যে আংগারিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চর যাদবপুর পাকার মাথা এলাকায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে চর যাদবপুর এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী আব্দুর রজ্জাক মোল্লা (৪৫) গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। সেখানে দীর্ঘ ২০ দিন পর শুক্রবার গভীর রাতে তিনি মারা যান। শনিবার সকালে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নির্বাচনী সহিংসতায় আহত আ.লীগ কর্মীর মৃত্যু

 শরীয়তপুর প্রতিনিধি 
২৭ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা মারা গেছেন। শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান।

আওয়ামী লীগ কর্মী আব্দুর রাজ্জাক দীর্ঘদিন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। 

এদিকে আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যুর পর শনিবার সকালে আওয়ামী লীগের মনোনীত পরাজিত চেয়ারম্যান, মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী হত্যায় অভিযুক্তদের বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, আংগারিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার কামাল, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএম জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন খান প্রমুখ। 

মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে বাবু মোল্লা বলেন, নৌকা মার্কা সমর্থন করাও অন্যায়! আমার বাবাকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই। 

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন মারা যাওয়ার কারণে সংষর্ষের মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে। আসামি গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ নভেম্বর রাতে আংগারিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আসমা আক্তারের সমর্থক ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ার হোসেন হাওলাদারের সমর্থকদের মধ্যে আংগারিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের চর যাদবপুর পাকার মাথা এলাকায় সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে চর যাদবপুর এলাকার আওয়ামী লীগ কর্মী আব্দুর রজ্জাক মোল্লা (৪৫) গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। সেখানে দীর্ঘ ২০ দিন পর শুক্রবার গভীর রাতে তিনি মারা যান। শনিবার সকালে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন