নেত্রকোনায় জালভোট দিতে গিয়ে যুবক আটক
jugantor
নেত্রকোনায় জালভোট দিতে গিয়ে যুবক আটক

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৪:৩৮:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনায় জালভোট দিতে গিয়ে যুবক আটক

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরা ইউনিয়নের ইয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জালভোট দেওয়ার সময় সারাফত মিয়া (১৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

আটক সারাফত ইয়ারপুর গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে। সে গাজীপুরের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করে।

জানা গেছে, সারাফত মিয়া রোববার বেলা পৌনে ১২টার দিকে কেন্দ্রের ১ নম্বর কক্ষে গিয়ে নিজেকে এরশাদ মিয়া বলে পরিচয় দেন। ওই পরিচয়ে সে ভোট দিতে গেলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টরা তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। তখন যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, সে আসলে এরশাদ না, তার প্রকৃত নাম সারাফত।

তার মামা এরশাদ মিয়া এলাকায় না থাকায় সে এরশাদ মিয়া নাম ধারণ করে জালভোট দিতে যায়। কেন্দ্রের কর্মকর্তারা বিষয়টি প্রিসাইডিং অফিসার নাজিরপুর পল্লী জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে জানালে তিনি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ডেকে তাকে আটকের নির্দেশ দেন। পরে তাকে কেন্দ্রের একটি কক্ষে পুলিশ পাহারায় আটকে রাখা হয়।

ইয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রের চারটি কক্ষে মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৪৫০ জন। এর মধ্যে বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ ৫২৫ ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন।

নেত্রকোনায় জালভোট দিতে গিয়ে যুবক আটক

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
২৮ নভেম্বর ২০২১, ০২:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নেত্রকোনায় জালভোট দিতে গিয়ে যুবক আটক
ছবি: নেত্রকোনায় জালভোট দিতে গিয়ে যুবক আটক। যুগান্তর

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরা ইউনিয়নের ইয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জালভোট দেওয়ার সময় সারাফত মিয়া (১৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

আটক সারাফত ইয়ারপুর গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে। সে গাজীপুরের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করে।

জানা গেছে, সারাফত মিয়া রোববার বেলা পৌনে ১২টার দিকে কেন্দ্রের ১ নম্বর কক্ষে গিয়ে নিজেকে এরশাদ মিয়া বলে পরিচয় দেন। ওই পরিচয়ে সে ভোট দিতে গেলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টরা তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। তখন যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, সে আসলে এরশাদ না, তার প্রকৃত নাম সারাফত।

তার মামা এরশাদ মিয়া এলাকায় না থাকায় সে এরশাদ মিয়া নাম ধারণ করে জালভোট দিতে যায়। কেন্দ্রের কর্মকর্তারা বিষয়টি প্রিসাইডিং অফিসার নাজিরপুর পল্লী জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমানকে জানালে তিনি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ডেকে তাকে আটকের নির্দেশ দেন। পরে তাকে কেন্দ্রের একটি কক্ষে পুলিশ পাহারায় আটকে রাখা হয়।

ইয়ারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কেন্দ্রের চারটি কক্ষে মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৪৫০ জন। এর মধ্যে বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ ৫২৫ ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন