নির্বাচন এলেই ভোট দেওয়ার জন্য পাগল হয়ে যান ৯৫ বছর বয়সী সুখিতন
jugantor
নির্বাচন এলেই ভোট দেওয়ার জন্য পাগল হয়ে যান ৯৫ বছর বয়সী সুখিতন

  নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি  

২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৮:২০:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ছেলে-মেয়ের সহযোগিতায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন পঁচানব্বই বছর বয়সী সুখিতন।

রোববার দুপুরে তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের পলাশিকুড়া জনতা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন তিনি।

শতবর্ষী সুখিতন পোড়াগাঁও ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পলাশিকুড়া গ্রামের মৃত হুরমুজ আলী মেম্বারের স্ত্রী। তিনি ২ ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তার নাতির ঘরের ছেলে-মেয়েদেরও বিয়ে হয়েছে।

সুখিতনের ছেলে জানান, তার মায়ের বয়স ৯৫ বছর। বার্ধক্যজনিত রোগে অসুস্থ হয়ে হাঁটতে পারেন না। কিন্তু নির্বাচন এলেই ভোট দেওয়ার জন্য পাগল হয়ে উঠেন।

সুখিতনের ছেলে বলেন, মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতেই কোলে চড়িয়ে, চেয়ারে বসিয়ে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা পূরণ করি। তিনি কোনো নির্বাচনে ভোট দেননি এমনটা আমি দেখিনি। তবে কোনোবার ভোট দিতে পেরেছেন, আবার কোনোবার পারেননি। তবে এবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজের ভোট দিতে পেরে খুব খুশি হয়েছেন।

সুখিতন বলেন, বয়স হয়েছে, হায়াত-মউতের ঠিক নাই। তবে এই বৃদ্ধ আগামী সংসদ নির্বাচনেও ভোট দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান।

কেন্দ্রের একজন পোলিং অফিসার বলেন, এই কেন্দ্রে সুখিতন সবচেয়ে বয়স্ক ভোটার। তিনি বেলা ১২টায় ছেলেমেয়েদের সহযোগিতায় ভোট দিয়েছেন।

নির্বাচন এলেই ভোট দেওয়ার জন্য পাগল হয়ে যান ৯৫ বছর বয়সী সুখিতন

 নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি 
২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৬:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ছেলে-মেয়ের সহযোগিতায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন পঁচানব্বই বছর বয়সী সুখিতন। 

রোববার দুপুরে তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নের পলাশিকুড়া জনতা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন তিনি।

শতবর্ষী সুখিতন পোড়াগাঁও ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পলাশিকুড়া গ্রামের মৃত হুরমুজ আলী মেম্বারের স্ত্রী। তিনি ২ ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তার নাতির ঘরের ছেলে-মেয়েদেরও বিয়ে হয়েছে। 

সুখিতনের ছেলে জানান, তার মায়ের বয়স ৯৫ বছর।  বার্ধক্যজনিত রোগে অসুস্থ হয়ে হাঁটতে পারেন না। কিন্তু নির্বাচন এলেই ভোট দেওয়ার জন্য পাগল হয়ে উঠেন।

সুখিতনের ছেলে বলেন,  মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতেই কোলে চড়িয়ে, চেয়ারে বসিয়ে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা পূরণ করি। তিনি কোনো নির্বাচনে ভোট দেননি এমনটা আমি দেখিনি। তবে কোনোবার ভোট দিতে পেরেছেন, আবার কোনোবার পারেননি।  তবে এবার শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজের ভোট দিতে পেরে খুব খুশি হয়েছেন। 

সুখিতন বলেন, বয়স হয়েছে,  হায়াত-মউতের ঠিক নাই। তবে এই বৃদ্ধ আগামী সংসদ নির্বাচনেও ভোট দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানান। 

কেন্দ্রের একজন পোলিং অফিসার বলেন, এই কেন্দ্রে সুখিতন সবচেয়ে বয়স্ক ভোটার। তিনি বেলা ১২টায় ছেলেমেয়েদের সহযোগিতায় ভোট দিয়েছেন। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন