গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, শ্বশুর-শাশুড়ি আটক
jugantor
গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, শ্বশুর-শাশুড়ি আটক

  ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি  

২৮ নভেম্বর ২০২১, ২২:৩১:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

হত্যা

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ফরিদা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। শনিবার ভোর ৪টায় পৌর এলাকার বুড়াইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফরিদাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাত বছর আগে বুড়াইল গ্রামের মোফাজ্জল মন্ডলের মেয়ে ফরিদা খাতুনের প্রতিবেশী আ. গফুরের ছেলে সোহেল রানার সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের ছালেহা নামে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

ফরিদা খাতুনের বাবা যৌতুক হিসেবে জামাইকে এক খন্ড জমি, ইটের পাকা বাড়ী তৈরি করে দিয়েছেন। কিন্তু স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ির এতেও প্রত্যাশা মেটেনি। বিভিন্ন অজুহাতে প্রায়ই ফরিদার ওপর শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন চালানো হতো।

শনিবার ভোর ৪টায় স্বামী ও পরিবারের লোকজনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তারা দেখতে পান গৃহবধূ ফরিদাকে ঘরের ভেতর খাটের ওপরলেপ দিয়ে ঢেকে রেখেছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে এমন গুঞ্জন শুরু হলে গৃহবধূর স্বামী সোহেল পালিয়ে যান।

ক্ষেতলাল থানায় ঘটনা জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে ওই গৃহবধূর বাবা মোফাজ্জল মন্ডল বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ওসি নিরেন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, শ্বশুর-শাশুড়ি আটক

 ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি 
২৮ নভেম্বর ২০২১, ১০:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হত্যা
প্রতীকী ছবি

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ফরিদা খাতুন (২৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। শনিবার ভোর ৪টায় পৌর এলাকার বুড়াইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ফরিদাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাত বছর আগে বুড়াইল গ্রামের মোফাজ্জল মন্ডলের মেয়ে ফরিদা খাতুনের প্রতিবেশী আ. গফুরের ছেলে সোহেল রানার সঙ্গে বিয়ে হয়। তাদের ছালেহা নামে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

ফরিদা খাতুনের  বাবা যৌতুক হিসেবে জামাইকে এক খন্ড জমি,  ইটের পাকা বাড়ী তৈরি করে দিয়েছেন। কিন্তু স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ির এতেও প্রত্যাশা মেটেনি।  বিভিন্ন অজুহাতে প্রায়ই ফরিদার ওপর  শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন চালানো হতো।

শনিবার ভোর ৪টায় স্বামী ও পরিবারের লোকজনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। তারা দেখতে পান গৃহবধূ ফরিদাকে ঘরের ভেতর খাটের ওপর লেপ দিয়ে ঢেকে রেখেছে। তাকে হত্যা করা হয়েছে এমন গুঞ্জন শুরু হলে গৃহবধূর স্বামী সোহেল পালিয়ে যান।

ক্ষেতলাল থানায় ঘটনা জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে ওই গৃহবধূর বাবা মোফাজ্জল মন্ডল বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ওসি নিরেন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন,  লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গৃহবধূর শ্বশুর-শ্বাশুড়িকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন