নৌপথে ভাসছে ৯০ মেট্রিক টন চুনাপাথর বোঝাই ৩ ট্রলার (ভিডিও)
jugantor
নৌপথে ভাসছে ৯০ মেট্রিক টন চুনাপাথর বোঝাই ৩ ট্রলার (ভিডিও)

  যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর  

২৯ নভেম্বর ২০২১, ১৯:৪১:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রায় ৯০ মেট্রিক টন চুনাপাথর বোঝাই তিনটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নৌপথেই ভাসছে। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের নিয়োজিত নৌপথে থাকা প্রহরীরা সংসার হাওর সংলগ্ন বৈঠাখালী বাঁধে প্রায় ৯০ মেট্রিকটন চুনাপাথর বোঝাই তিনটি ট্রলার আটক করেন রোববার দুপুরে।

এরপর সোমবার বিকালে পর্যন্ত বৈধ চালানপত্র ও গ্রুপের কাগজপত্র না থাকায় চুনাপাথর বোঝাই ট্রলারগুলো উপজেলার সংসার হাওরেই ভাসছে।

তাহিরপুর কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের প্রহরীর দায়িত্বে থাকা শোয়েব আহমদ ও কনকন মিয়া যুগান্তরকে জানান, রোববার ওই তিনটি ট্রলার বোঝাই করে ভুয়া চালান পত্র তৈরি করে গ্রুপের (সমিতির) কাগজপত্র ছাড়াই চুনাপাথরের চালানগুলো নৌপথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় চোরাচালান চক্রের সদস্যরা।

তাদের দাবি, এসব চুনাপাথর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা নৌপথে পরিবহনের সময় নৌযান থেকে চুরি করে নিয়ে মজুদ করে রাখা ও সীমান্তের ওপার থেকে বিনাশুল্কে চোরাচালানের মাধ্যমে এনে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।

তারা আরও বলেন, বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে অবৈধভাবে নিয়ে আসা চুনাপাথর বোঝাই তিনটি ট্রলারগুলো থানা পুলিশ কিংবা বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বিজিবির নিকট হস্তান্তর করা হবে।

সোমবার তাহিরপুর কয়লা আমদারিকারক গ্রুপের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের যুগান্তরকে জানান, ইঞ্জিন চালিত তিনটি ট্রলার বোঝাই করে ৯০ মেট্রিকটন চুনাপাথর গ্রুপের (সমিতির), আমদারিকারক প্রতিষ্ঠানের চালানপত্র ছাড়াই জোরপূর্বক উপজেলার বানিয়াগাঁওর উস্তার আলীর ছেলে ফেসুক মিয়া ও কৃষ্ণতলার কটু পালের ছেলে দিজেন পাল, কলাগাঁওয়ের আলী হোসেন মুন্সীর ছেলে আতাউর রহমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন খাঁয়ের ছেলে পারুল খাঁর পাথর ভাঙ্গানোর মিলে নিয়ে যায়। এরপর গ্রুপের নেতৃবৃন্দকে জানিয়ে প্রহরীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ফের চেয়ারম্যান পুত্রের মিল ঘাট থেকে ফের চুনাপাথর বোঝাই ট্রলার গুলো নিয়ে আসে।

উপজেলার বানিয়াগাঁওয়ের উস্তার আলীর ছেলে ফেসুক মিয়ার নিকট চুনাপাথর বোঝাই ট্রলার আটকের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দিজেন ও আলী হোসেন চুনাপাথর কিনেছে।

উপজেলার কৃষ্ণতলার কটু পালের ছেলে দিজেন পাল বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য সামছুল হকের ডিপো থেকে এক নৌকা (ট্রলার) চুনাপাথর কিনেছি, সমিতির চালানপত্র দেয়নি তাই প্রহরীরা চুনাপাথরের চালান আটকে রেখেছে।

উপজেলার কলাগাঁও গ্রামের আলী হোসেন মুন্সীর ছেলে আতাউর রহমান বলেন, আমি দুলাল মিয়া ও সোহেলের ডিপো থেকে চুনাপাথর কিনে কামালপুরে থাকা আমার পাথর ভাঙ্গার মিলে নিয়ে যাওয়ার পথে গ্রুপের (সমিতি) চালানপত্র না থাকায় আমার দুই নৌকা (ট্রলার) প্রহরীরা আটকে রেখেছেন, গ্রুপের দায়িত্বে থাকা লোকজন চালানপত্র চাইলেও আমাকে দেয়নি।

নৌপথে ভাসছে ৯০ মেট্রিক টন চুনাপাথর বোঝাই ৩ ট্রলার (ভিডিও)

 যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর 
২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রায় ৯০ মেট্রিক টন চুনাপাথর বোঝাই তিনটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নৌপথেই ভাসছে। সুনামগঞ্জের তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের নিয়োজিত নৌপথে থাকা প্রহরীরা সংসার হাওর সংলগ্ন বৈঠাখালী বাঁধে প্রায় ৯০ মেট্রিকটন চুনাপাথর বোঝাই তিনটি ট্রলার আটক করেন রোববার দুপুরে।

এরপর সোমবার বিকালে পর্যন্ত বৈধ চালানপত্র ও গ্রুপের কাগজপত্র না থাকায় চুনাপাথর বোঝাই ট্রলারগুলো উপজেলার সংসার হাওরেই ভাসছে।

তাহিরপুর কয়লা আমদানি কারক গ্রুপের প্রহরীর দায়িত্বে থাকা শোয়েব আহমদ ও কনকন মিয়া যুগান্তরকে জানান, রোববার ওই তিনটি ট্রলার বোঝাই করে ভুয়া চালান পত্র তৈরি করে গ্রুপের (সমিতির) কাগজপত্র ছাড়াই চুনাপাথরের চালানগুলো নৌপথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় চোরাচালান চক্রের সদস্যরা।

তাদের দাবি, এসব চুনাপাথর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা নৌপথে পরিবহনের সময় নৌযান থেকে চুরি করে নিয়ে মজুদ করে রাখা ও সীমান্তের ওপার থেকে বিনাশুল্কে চোরাচালানের মাধ্যমে এনে মজুদ করে রাখা হয়েছিল।

তারা আরও বলেন,  বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে অবৈধভাবে নিয়ে আসা চুনাপাথর বোঝাই তিনটি ট্রলারগুলো থানা পুলিশ কিংবা বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বিজিবির নিকট হস্তান্তর করা হবে।

সোমবার তাহিরপুর কয়লা আমদারিকারক গ্রুপের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের যুগান্তরকে জানান, ইঞ্জিন চালিত তিনটি ট্রলার বোঝাই করে ৯০ মেট্রিকটন চুনাপাথর গ্রুপের (সমিতির), আমদারিকারক প্রতিষ্ঠানের চালানপত্র ছাড়াই জোরপূর্বক উপজেলার বানিয়াগাঁওর উস্তার আলীর ছেলে ফেসুক মিয়া ও কৃষ্ণতলার কটু পালের ছেলে দিজেন পাল, কলাগাঁওয়ের আলী হোসেন মুন্সীর ছেলে আতাউর রহমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন খাঁয়ের ছেলে পারুল খাঁর পাথর ভাঙ্গানোর মিলে নিয়ে যায়। এরপর গ্রুপের নেতৃবৃন্দকে জানিয়ে প্রহরীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ফের চেয়ারম্যান পুত্রের মিল ঘাট থেকে ফের চুনাপাথর বোঝাই ট্রলার গুলো নিয়ে আসে।

উপজেলার বানিয়াগাঁওয়ের উস্তার আলীর ছেলে ফেসুক মিয়ার নিকট চুনাপাথর বোঝাই ট্রলার আটকের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দিজেন ও আলী হোসেন চুনাপাথর কিনেছে।

উপজেলার কৃষ্ণতলার কটু পালের ছেলে দিজেন পাল বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য সামছুল হকের ডিপো থেকে এক নৌকা (ট্রলার) চুনাপাথর কিনেছি, সমিতির চালানপত্র দেয়নি তাই প্রহরীরা চুনাপাথরের চালান আটকে রেখেছে।

উপজেলার কলাগাঁও গ্রামের আলী হোসেন মুন্সীর ছেলে আতাউর রহমান বলেন, আমি দুলাল মিয়া ও সোহেলের ডিপো থেকে চুনাপাথর কিনে কামালপুরে থাকা আমার পাথর ভাঙ্গার মিলে নিয়ে যাওয়ার পথে গ্রুপের (সমিতি) চালানপত্র না থাকায় আমার দুই নৌকা (ট্রলার) প্রহরীরা আটকে রেখেছেন, গ্রুপের দায়িত্বে থাকা লোকজন চালানপত্র চাইলেও আমাকে দেয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন