নৌকায় জেলার সর্বনিম্ন ১০২ ভোট
jugantor
নৌকায় জেলার সর্বনিম্ন ১০২ ভোট

  চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  

২৯ নভেম্বর ২০২১, ২২:৩৯:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ইউপি নির্বাচনে এক নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। রোববার উপজেলার ১৩টিতে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলার বেলাগাছি ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সমীর কুমার দে। তিনি এ নির্বাচনে মাত্র ১০২ ভোট পেয়েছেন। এটিই উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বনিম্ন ভোট।

এ ব্যাপারে এলাকার অনেকেই বলেছেন নৌকার প্রার্থী সমীর কুমার দের পেছনে কোনো দলীয় নেতাকর্মী ছিল না। অথচ তাকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছিল।

এ ব্যাপারে প্রার্থী সমীর কুমার দে বলেন, আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে দল আমাকে সম্মানিত করেছিল। কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা কেউই আমার পেছনে ছিলেন না। তারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের পেছনে ভোট করে বেড়িয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বেলগাছি ইউনিয়নে আনারস প্রতীকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী মাহমুদুল হাসান চঞ্চল। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী প্রার্থী আমিরুল ইসলাম মন্টু মোটরসাইকেল মার্কায় পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮ ভোট। আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম সরোয়ার শামীম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২ ভোট। আর আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী সমীর কুমার দে পেয়েছেন মাত্র ১০২ ভোট।

এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহমেদ বলেন, কোনো প্রার্থী ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাতিল হবে। সেই হিসেবে প্রার্থী সমীর কুমার দের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

এদিকে আলমডাঙ্গার ১৩ ইউনিয়নের পাঁচটিতে আওয়ামী লীগ ও ৮টিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় ধাপের নির্বাচন।

নৌকায় জেলার সর্বনিম্ন ১০২ ভোট

 চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি 
২৯ নভেম্বর ২০২১, ১০:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ইউপি নির্বাচনে এক নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। রোববার উপজেলার ১৩টিতে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলার বেলাগাছি ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সমীর কুমার দে। তিনি এ নির্বাচনে মাত্র ১০২ ভোট পেয়েছেন। এটিই উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর সর্বনিম্ন ভোট।

এ ব্যাপারে এলাকার অনেকেই বলেছেন নৌকার প্রার্থী সমীর কুমার দের পেছনে কোনো দলীয় নেতাকর্মী ছিল না। অথচ তাকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছিল।

এ ব্যাপারে প্রার্থী সমীর কুমার দে বলেন, আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিয়ে দল আমাকে সম্মানিত করেছিল। কিন্তু দলের নেতাকর্মীরা কেউই আমার পেছনে ছিলেন না। তারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের পেছনে ভোট করে বেড়িয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বেলগাছি ইউনিয়নে আনারস প্রতীকে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৪৮৩ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী মাহমুদুল হাসান চঞ্চল। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিদ্রোহী প্রার্থী আমিরুল ইসলাম মন্টু মোটরসাইকেল মার্কায় পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৮ ভোট। আরেক বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম সরোয়ার শামীম ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২ ভোট। আর আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী সমীর কুমার দে পেয়েছেন মাত্র ১০২ ভোট।

এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহমেদ বলেন, কোনো প্রার্থী ৮ ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাতিল হবে। সেই হিসেবে প্রার্থী সমীর কুমার দের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

এদিকে আলমডাঙ্গার ১৩ ইউনিয়নের পাঁচটিতে আওয়ামী লীগ ও ৮টিতে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় ধাপের নির্বাচন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন