দুলাভাইয়ের নৌকাকে হারিয়ে চেয়ারম্যান ‘বিদ্রোহী’ শ্যালক
jugantor
দুলাভাইয়ের নৌকাকে হারিয়ে চেয়ারম্যান ‘বিদ্রোহী’ শ্যালক

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৯ নভেম্বর ২০২১, ২২:৫১:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর পবা উপজেলার দর্শনপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দুলাভাই আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়েছেন তারই শ্যালক। দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে শ্যালক শাহাদাত হোসেন সাব্বির ভোটে জিতে গেছেন। এ নিয়ে এলাকায় মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

শাহাদাত তার দুলাভাই কামরুল হাসান রাজের চেয়ে এক হাজার ৮৯ ভোট বেশি পেয়েছেন। কামরুল দর্শনপাড়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিও। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে নৌকায় চড়ে তিনি প্রথমবার চেয়ারম্যান হন।

কামরুলের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। এবার ইউপি নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন পান কামরুল। তবে ‘বিদ্রোহী’ হন তারই শ্যালক শাহাদাত। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ইউপি নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে রোববার অনুষ্ঠিত দর্শনপাড়া ইউনিয়নের এই নির্বাচনে মোট ছয়জন প্রার্থী ছিলেন। তবে ‘আনারস’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত হোসেনকেই বেছে নিয়েছেন ভোটাররা। এ নিয়ে বেজায় খুশি শাহাদাত।

শ্যালকের এ জয় মেনে নিয়েছেন দুলাভাই কামরুল হাসান রাজ। সোমবার দুপুরে তিনি বলেন, ভোটাররা রায় দিয়েছেন, আমি মেনে নিয়েছি।

ভোটের আগে শ্যালকের সঙ্গে কোন আলোচনা হয়েছিল কি না জানতে চাইলে কামরুল বলেন, শুধু আমি না, সবাই আলোচনা করেছে। এমপি সাহেবও কথা বলেছিলেন, কিন্তু লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকায় তাকে বহিষ্কার করা হয়।

নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সাব্বির বললেন, দুলাভাইয়ের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আমাদের পারিবারিক সম্প্রীতি ঠিকই আছে। রাজনীতি এক জিনিস, আত্মীয়তা আরেক জিনিস। ভোটে আমি জিতে গেলেও পারিবারিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। অভিজ্ঞ দুলাভাইয়ের পরামর্শ নিয়েই আমি পরিষদ চালাতে চাই।

দুলাভাইয়ের নৌকাকে হারিয়ে চেয়ারম্যান ‘বিদ্রোহী’ শ্যালক

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৯ নভেম্বর ২০২১, ১০:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর পবা উপজেলার দর্শনপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দুলাভাই আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়েছেন তারই শ্যালক। দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়ে শ্যালক শাহাদাত হোসেন সাব্বির ভোটে জিতে গেছেন। এ নিয়ে এলাকায় মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

শাহাদাত তার দুলাভাই কামরুল হাসান রাজের চেয়ে এক হাজার ৮৯ ভোট বেশি পেয়েছেন। কামরুল দর্শনপাড়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিও। ২০১৬ সালের ইউপি নির্বাচনে নৌকায় চড়ে তিনি প্রথমবার চেয়ারম্যান হন।

কামরুলের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াসিন আলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। এবার ইউপি নির্বাচনেও দলের মনোনয়ন পান কামরুল। তবে ‘বিদ্রোহী’ হন তারই শ্যালক শাহাদাত। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ইউপি নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে রোববার অনুষ্ঠিত দর্শনপাড়া ইউনিয়নের এই নির্বাচনে মোট ছয়জন প্রার্থী ছিলেন। তবে ‘আনারস’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত হোসেনকেই বেছে নিয়েছেন ভোটাররা। এ নিয়ে বেজায় খুশি শাহাদাত।

শ্যালকের এ জয় মেনে নিয়েছেন দুলাভাই কামরুল হাসান রাজ। সোমবার দুপুরে তিনি বলেন, ভোটাররা রায় দিয়েছেন, আমি মেনে নিয়েছি।

ভোটের আগে শ্যালকের সঙ্গে কোন আলোচনা হয়েছিল কি না জানতে চাইলে কামরুল বলেন, শুধু আমি না, সবাই আলোচনা করেছে। এমপি সাহেবও কথা বলেছিলেন, কিন্তু লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকায় তাকে বহিষ্কার করা হয়।

নবনির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সাব্বির বললেন, দুলাভাইয়ের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আমাদের পারিবারিক সম্প্রীতি ঠিকই আছে। রাজনীতি এক জিনিস, আত্মীয়তা আরেক জিনিস। ভোটে আমি জিতে গেলেও পারিবারিক সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। অভিজ্ঞ দুলাভাইয়ের পরামর্শ নিয়েই আমি পরিষদ চালাতে চাই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন