ভাই-ছেলেসহ ৫ জন প্রার্থী, ৩ জন পাশ
jugantor
ভাই-ছেলেসহ ৫ জন প্রার্থী, ৩ জন পাশ

  টঙ্গীবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:২৯:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জে একই পরিবারের ৫ সদস্য চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হয়ে তিনজন নির্বাচিত হয়েছেন।

জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি জগলুল হালদার ভুতুর দুই ছেলে বড় ছেলে আরিফুল ইসলাম হালদার দিঘিরপাড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে ছোট ছেলে লুৎফর রহমান খুকু হালদার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীকে কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, দুই চাচাতো ভাই আনোয়ার হোসেন হালদার হাসাইল-বানারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে, মহিউদ্দিন হালদার কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে এবং ফুফাতো ভাই সোহরাব হোসেন পীর জেলার সদর থানাধীন বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছিলেন।

গত রোববার রাতে প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী তাদের থেকে দুই ছেলে আরিফুল ইসলাম হালদার নৌকা প্রতীক নিয়ে, লুৎফর রহমান খুকু আনারস প্রতীক নিয়ে, ফুফাতো ভাই সোহরাব পীর নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন।

ছেলে আরিফুর রহমান হালদার নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন; তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম মোল্লা পান ২ হাজার ৩২৫ ভোট। ফুফাতো ভাই সোহরাব পীর ৭ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন; তার সঙ্গে প্রতিযোগী প্রার্থী হাজী গোলাম মর্তুজা পেয়েছেন ১২৮ ভোট।

কামারখাড়া ইউনিয়নে চাচাতো ভাই মহিউদ্দিন হালদারের সঙ্গে ছেলে লুৎফর রহমান খুকু হালদারের প্রতিযোগিতা হয়। সেখানে খুকু হালদার ৬ হাজার ৪১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেও মহিউদ্দিন হালদার নৌকা প্রতীক নিয়ে পান ২ হাজার ৫৯৩ ভোট। আর চাচাতো ভাই আনোয়ার হালদার হাসাইল-বানারী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে তৃতীয় অবস্থানে থেকে পরাজিত হন।

তবে ইতিপূর্বে খুকু হালদার বাদে অপর চারজন উল্লেখিত চারটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তারা প্রত্যেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ভাই-ছেলেসহ ৫ জন প্রার্থী, ৩ জন পাশ

 টঙ্গীবাড়ী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:২৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জে একই পরিবারের ৫ সদস্য চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী হয়ে তিনজন নির্বাচিত হয়েছেন।

জেলার টঙ্গীবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি জগলুল হালদার ভুতুর দুই ছেলে বড় ছেলে আরিফুল ইসলাম হালদার দিঘিরপাড় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকে ছোট ছেলে লুৎফর রহমান খুকু হালদার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীকে কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, দুই চাচাতো ভাই আনোয়ার হোসেন হালদার হাসাইল-বানারী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে, মহিউদ্দিন হালদার কামারখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে এবং ফুফাতো ভাই সোহরাব হোসেন পীর জেলার সদর থানাধীন বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হয়েছিলেন।

গত রোববার রাতে প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল অনুযায়ী তাদের থেকে দুই ছেলে আরিফুল ইসলাম হালদার নৌকা প্রতীক নিয়ে, লুৎফর রহমান খুকু আনারস প্রতীক নিয়ে, ফুফাতো ভাই সোহরাব পীর নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন।

ছেলে আরিফুর রহমান হালদার নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন; তার প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম মোল্লা পান ২ হাজার ৩২৫ ভোট। ফুফাতো ভাই সোহরাব পীর ৭ হাজার ৪৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন; তার সঙ্গে প্রতিযোগী প্রার্থী হাজী গোলাম মর্তুজা পেয়েছেন ১২৮ ভোট।

কামারখাড়া ইউনিয়নে চাচাতো ভাই মহিউদ্দিন হালদারের সঙ্গে ছেলে লুৎফর রহমান খুকু হালদারের প্রতিযোগিতা হয়। সেখানে খুকু হালদার ৬ হাজার ৪১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হলেও মহিউদ্দিন হালদার নৌকা প্রতীক নিয়ে পান ২ হাজার ৫৯৩ ভোট। আর চাচাতো ভাই আনোয়ার হালদার হাসাইল-বানারী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে তৃতীয় অবস্থানে থেকে পরাজিত হন।

তবে ইতিপূর্বে খুকু হালদার বাদে অপর চারজন উল্লেখিত চারটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তারা প্রত্যেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন