কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: আরও দুই আসামি গ্রেফতার
jugantor
কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: আরও দুই আসামি গ্রেফতার

  কুমিল্লা ব্যুরো  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ০০:৫০:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহা হত্যা মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এনিয়ে আলোচিত এই জোড়া খুনের ঘটনায় মোট ৬ জন গ্রেফতার হয়েছেন।

রোববার গভীর রাতে মামলার ৮ নম্বর আসামি নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর এলাকার নুর আলীর ছেলে জিসান মিয়া এবং সংরাইশ এলাকার বাদল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ রাব্বি ইসলাম অন্তুকে গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক কায়সার হামিদ। তবে এদিন শুনানি অনুষ্ঠিত না হওয়ায় আদালত আসামিদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

সোমবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কায়সার হামিদ বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত ৮ নম্বর আসামি জিসানকে রোববার গভীর রাতে নগরীর সংরাইশ এলাকা থেকে এবং একই সময়ে অন্তুকে জেলার দেবিদ্বার থেকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের সদস্যরা। অন্তু মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও তদন্তে তার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো শুনানি হয়নি।

গত ২২ নভেম্বর নগরীর পাথরিয়াপাড়া এলাকায় কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ওই দুজন। কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও ৫ জন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: আরও দুই আসামি গ্রেফতার

 কুমিল্লা ব্যুরো 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১২:৫০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহা হত্যা মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এনিয়ে আলোচিত এই জোড়া খুনের ঘটনায় মোট ৬ জন গ্রেফতার হয়েছেন।

রোববার গভীর রাতে মামলার ৮ নম্বর আসামি নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর এলাকার নুর আলীর ছেলে জিসান মিয়া এবং সংরাইশ এলাকার বাদল মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ রাব্বি ইসলাম অন্তুকে গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক কায়সার হামিদ। তবে এদিন শুনানি অনুষ্ঠিত না হওয়ায় আদালত আসামিদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

সোমবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কায়সার হামিদ বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত ৮ নম্বর আসামি জিসানকে রোববার গভীর রাতে নগরীর সংরাইশ এলাকা থেকে এবং একই সময়ে অন্তুকে জেলার দেবিদ্বার থেকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের সদস্যরা। অন্তু মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও তদন্তে তার জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো শুনানি হয়নি।

গত ২২ নভেম্বর নগরীর পাথরিয়াপাড়া এলাকায় কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ওই দুজন। কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও ৫ জন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন