নবীগঞ্জে নৌকার ভরাডুবি, জামানত হারালেন ২ জন
jugantor
নবীগঞ্জে নৌকার ভরাডুবি, জামানত হারালেন ২ জন

  নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৯:২১:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জেরনবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার বিশাল পরাজয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। ২৮ নভেম্বর নির্বাচনে ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে নৌকা, ৪টিতে বিদ্রোহী, ৩টিতে বিএনপি সমর্থিত ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

এর মধ্যে ইনাতগঞ্জ ও করগাঁও ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী জামানত হারিয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছেন।

আওয়ামী লীগের বিশাল ভরাডুবির কারণ হিসেবে অনেকেই মনোনয়নের ক্ষেত্রে হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত যথার্থ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন। বেশির ভাগ ইউনিয়নেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন মুখ। কেউ কেউ এলাকার রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়- এমন লোককেও দেওয়া হয়েছে দলীয় মনোনয়ন। এছাড়া বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল বিদ্রোহী প্রার্থীরা। ফলে দলীয় নেতাকর্মী নির্বাচনীয় মাঠে সরব কম ছিল।

উপজেলার ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী সমর চন্দ্র দাশের ভরাডুবি হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৯৪০ ভোট। ৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নে আবু সাঈদের (নৌকা) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৪৬০। ৬নং কুর্শি ইউনিয়নে আলী আহমদ মুসার ( নৌকা) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ২৩৮। ৯নং বাউসা ইউনিয়নে আবু সিদ্দীক (নৌকা) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৯১৯।

১০নং দেবপাড়া ইউনিয়ন যেখানে নৌকার ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত রয়েছে এবং বর্তমান এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ গাজীর বাড়ি। ওই ইউপিতে নৌকার প্রার্থী আব্দুল মুহিতের প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৫৮৪। ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়নে সাবের হোসেন চৌধুরী (নৌকা) পেয়েছেন ভোট ১৯৭১ ভোট। ১২নং কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নে ফরহাদ আহমদ পাঠান (নৌকা) বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তিনি পেয়েছেন ২৩৫৭ ভোট।

জামানত হারিয়েছেন করগাঁও ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী বজলুর রহমান। তিনি দীর্ঘকাল ধরে ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করলেও এলাকার উন্নয়ন, বা সুখ-দুঃখের সঙ্গে জড়িত নেই বললেই চলে। তার প্রাপ্ত ভোট ১৬৫৭। জামানত হারানো আরেকজন ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী আছাবুর রহমান জীবন।

আছাবুর রহমান জীবনের মুল বাড়ি জগন্নাথপুর থানায়। ছোটবেলা থেকেই নানার বাড়ি ইনাতগঞ্জে বেড়ে উঠা। প্রায় ১০-১২ বছর যাবত তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। এর আগে দেশে থাকতে ছাত্রলীগ ও পরে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। দীর্ঘ সময় এলাকার কোনো কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িত ছিলেন না। তার প্রাপ্ত ভোট মাত্র ১৫৮২।

নবীগঞ্জে নৌকার ভরাডুবি, জামানত হারালেন ২ জন

 নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৭:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার বিশাল পরাজয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। ২৮ নভেম্বর নির্বাচনে ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে নৌকা, ৪টিতে বিদ্রোহী, ৩টিতে বিএনপি সমর্থিত ও ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

এর মধ্যে ইনাতগঞ্জ ও করগাঁও ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী জামানত হারিয়ে হাস্যরসের সৃষ্টি করেছেন।

আওয়ামী লীগের বিশাল ভরাডুবির কারণ হিসেবে অনেকেই মনোনয়নের ক্ষেত্রে হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত যথার্থ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন। বেশির ভাগ ইউনিয়নেই প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন মুখ। কেউ কেউ এলাকার রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়- এমন লোককেও দেওয়া হয়েছে দলীয় মনোনয়ন। এছাড়া বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল বিদ্রোহী প্রার্থীরা। ফলে দলীয় নেতাকর্মী নির্বাচনীয় মাঠে সরব কম ছিল।

উপজেলার ভাকৈর (পশ্চিম) ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী সমর চন্দ্র দাশের ভরাডুবি হয়েছে। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৯৪০ ভোট। ৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নে আবু সাঈদের (নৌকা) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৪৬০। ৬নং কুর্শি ইউনিয়নে আলী আহমদ মুসার ( নৌকা) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ২৩৮। ৯নং বাউসা ইউনিয়নে আবু সিদ্দীক (নৌকা) প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৯১৯।

১০নং দেবপাড়া ইউনিয়ন যেখানে নৌকার ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত রয়েছে এবং বর্তমান এমপি গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ মিলাদ গাজীর বাড়ি। ওই ইউপিতে নৌকার প্রার্থী আব্দুল মুহিতের প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৫৮৪। ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়নে সাবের হোসেন চৌধুরী (নৌকা) পেয়েছেন ভোট ১৯৭১ ভোট। ১২নং কালিয়ারভাঙ্গা ইউনিয়নে ফরহাদ আহমদ পাঠান (নৌকা) বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তিনি পেয়েছেন ২৩৫৭ ভোট।

জামানত হারিয়েছেন করগাঁও ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী বজলুর রহমান। তিনি দীর্ঘকাল ধরে ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করলেও এলাকার উন্নয়ন, বা সুখ-দুঃখের সঙ্গে জড়িত নেই বললেই চলে। তার প্রাপ্ত ভোট ১৬৫৭। জামানত হারানো আরেকজন ইনাতগঞ্জ ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী আছাবুর রহমান জীবন।

আছাবুর রহমান জীবনের মুল বাড়ি জগন্নাথপুর থানায়। ছোটবেলা থেকেই নানার বাড়ি ইনাতগঞ্জে বেড়ে উঠা। প্রায় ১০-১২ বছর যাবত তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন। এর আগে দেশে থাকতে ছাত্রলীগ ও পরে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। দীর্ঘ সময় এলাকার কোনো কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িত ছিলেন না। তার প্রাপ্ত ভোট মাত্র ১৫৮২।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন