দগ্ধ নারী শ্রমিকের হাসপাতালে মৃত্যু, মালিক আত্মগোপনে
jugantor
দগ্ধ নারী শ্রমিকের হাসপাতালে মৃত্যু, মালিক আত্মগোপনে

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

৩০ নভেম্বর ২০২১, ২৩:১১:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে তুলা তৈরির কারখানায় ‘রহস্যজনক’অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ শ্রমিকের মধ্যে এক নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। তার নাম কুলসুম আক্তার। কুশরা ইউনিয়নের টুপেরবাড়ী আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা তিনি।

এদিকে কারখানা মালিক হতাহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসার কোন ব্যবস্থা না করে আত্মগোপনেগেছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী শ্রমিকদের।

সোমবার উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের দ্বিতীয় মহিষাশী এলাকায় মো. উসমান গনি তুলার কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মূহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো কারখানায়। এ দৃশ্য চোখে পড়তেই দ্রুত বের হতে গিয়ে হুড়োহুড়ি ও আগুনে ১০শ্রমিকদগ্ধ হন। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা রাতভর বিরতিহীন শ্রম দিয়ে মঙ্গলবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কারখানাটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেনি এর কর্তৃপক্ষ। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নির্ণয়ে পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সরেজমিনে কাজ করছেন।

এদিকে জানা গেছে, কুলসুমার মৃত্যু সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ওই তুলা তৈরি কারখানার মালিক মো. উসমান গণি আত্মগোপন করেন। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অগ্নিকাণ্ডের কারণ নির্ণয়ে,পুলিশ,এনএসআই,এসবি,ডিএসবি ও ঢাকা জেলা ডিবি ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রামবাসী ও ওই কারখানার একজন শ্রমিক বলেন, ঋণে জর্জড়িত হয়ে মাস দুয়েক বন্ধ থাকার পর সোমবার কারখানাটি খোলেন কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে বিভিন্নজনের পাওনা টাকা আত্মসাৎ ও জীবনবীমার সুবিধা আদায়ে কর্তৃপক্ষই কারখানায় আগুন লাগিয়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে। সঠিকভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা অবশ্যই উন্মোচন হবে।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মো. সোহেল রানা জানান, অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনাস্থলে আমরা ছুটে আসি। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে রাতভর কাজ করি। মঙ্গলবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।

ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান আতিক বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত নারী শ্রমিকের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসারপরএ ব্যাপারে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দগ্ধ নারী শ্রমিকের হাসপাতালে মৃত্যু, মালিক আত্মগোপনে

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে তুলা তৈরির কারখানায় ‘রহস্যজনক’ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ১০ শ্রমিকের মধ্যে এক নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। তার নাম কুলসুম আক্তার। কুশরা ইউনিয়নের টুপেরবাড়ী আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা তিনি। 

এদিকে কারখানা মালিক হতাহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসার কোন ব্যবস্থা না করে আত্মগোপনে গেছেন বলে দাবি ভুক্তভোগী শ্রমিকদের। 

সোমবার উপজেলার সানোড়া ইউনিয়নের দ্বিতীয় মহিষাশী এলাকায় মো. উসমান গনি তুলার কারখানায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মূহূর্তে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো কারখানায়। এ দৃশ্য চোখে পড়তেই দ্রুত বের হতে গিয়ে হুড়োহুড়ি ও আগুনে ১০ শ্রমিক দগ্ধ হন। ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।

ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা রাতভর বিরতিহীন শ্রম দিয়ে মঙ্গলবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। 

কারখানাটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেনি এর কর্তৃপক্ষ। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নির্ণয়ে পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সরেজমিনে কাজ করছেন।
 
এদিকে জানা গেছে, কুলসুমার মৃত্যু সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ওই তুলা তৈরি কারখানার মালিক মো. উসমান গণি আত্মগোপন করেন। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।  অগ্নিকাণ্ডের কারণ নির্ণয়ে,পুলিশ,এনএসআই,এসবি,ডিএসবি ও ঢাকা জেলা ডিবি ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রামবাসী ও ওই কারখানার একজন শ্রমিক বলেন, ঋণে জর্জড়িত হয়ে মাস দুয়েক বন্ধ থাকার পর সোমবার কারখানাটি খোলেন কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে বিভিন্নজনের পাওনা টাকা আত্মসাৎ ও জীবনবীমার সুবিধা আদায়ে কর্তৃপক্ষই কারখানায় আগুন লাগিয়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ঠ সন্দেহ রয়েছে। সঠিকভাবে তদন্ত করা হলে প্রকৃত ঘটনা অবশ্যই উন্মোচন হবে।

ধামরাই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন অফিসার মো. সোহেল রানা জানান, অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনাস্থলে আমরা ছুটে আসি। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে রাতভর কাজ করি। মঙ্গলবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি।

ধামরাই থানার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. আতিকুর রহমান আতিক বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত নারী শ্রমিকের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে আসার পর এ ব্যাপারে  যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন