রংপুরে অজ্ঞাত নারী হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসি
jugantor
রংপুরে অজ্ঞাত নারী হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসি

  রংপুর ব্যুরো  

০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০৬:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরে রোজিনা বেগম নামে এক অজ্ঞাত নারীকে হত্যার দায়ে কছির উদ্দিন নামে একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেনআদালত।

মঙ্গলবার রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক তারিক হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। কছির উদ্দিন কাউনিয়া উপজেলার জফুর উদ্দিনের ছেলে।

মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর নাজমুল কাদের।

তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর লাশ পাওয়া যায় কাউনিয়া উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নে। এ ঘটনায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ বাদি হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি পরবর্তীতে সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। বেশ কয়েক মাস পর আসামি কছিরউদ্দিন সিআইডি পুলিশের জালে ধরা পরে। পরে সে ওই নারীকে হত্যার কথা স্বীকার করে পুলিশের কাছে। পূর্ব পরিচিত ওই নারীর বাড়ি বা ঠিকানা কোথায় তা সে জানত না। তবে তার নাম জানে। তার সাথে আসামির সম্পর্ক ছিল। এর সূত্র ধরে তাকে ডেকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। ওই মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামি কছিমউদ্দিনদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিচারক তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি কাঠ গড়ায় উপস্থিত ছিল।

কোর্ট ইন্সপেক্টর আরও জানান, নিহত নারীর বাড়ি ঘরের পরিচয় পাওয়া যায়ানি। আসামি শুধু নাম জানিয়েছে নিহতের নাম রোজিনা বেগম। নাম জানা গেলেও ওই নারীর বাড়ি কোথায় এসব তথ্য পাওয়া যায়নি। তাকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছিল। পরে পুলিশ অজ্ঞাত হিসেবে লাশ উদ্ধার করেন। পরে কছিরউদ্দিনকে গ্রেফতার করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি ফারুক মো. রেয়াজুল করিম এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন খালেকুর রহমান

রংপুরে অজ্ঞাত নারী হত্যার দায়ে একজনের ফাঁসি

 রংপুর ব্যুরো 
০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরে রোজিনা বেগম নামে এক অজ্ঞাত নারীকে হত্যার দায়ে কছির উদ্দিন নামে একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার রংপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক তারিক হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। কছির উদ্দিন কাউনিয়া উপজেলার জফুর উদ্দিনের ছেলে।

মঙ্গলবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের কোর্ট ইন্সপেক্টর নাজমুল কাদের। 

তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৪ নভেম্বর অজ্ঞাত পরিচয় এক নারীর লাশ পাওয়া যায় কাউনিয়া উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নে। এ ঘটনায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ বাদি হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি মামলা করেন। মামলাটি পরবর্তীতে সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়। বেশ কয়েক মাস পর আসামি কছিরউদ্দিন সিআইডি পুলিশের জালে ধরা পরে। পরে সে ওই নারীকে হত্যার কথা স্বীকার করে পুলিশের কাছে। পূর্ব পরিচিত ওই নারীর বাড়ি বা ঠিকানা কোথায় তা সে জানত না। তবে তার নাম জানে। তার সাথে আসামির সম্পর্ক ছিল। এর সূত্র ধরে তাকে ডেকে ধর্ষণের পর হত্যা করে। ওই মামলার সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে আসামি কছিমউদ্দিনদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের বিচারক তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি কাঠ গড়ায় উপস্থিত ছিল।

কোর্ট ইন্সপেক্টর আরও জানান, নিহত নারীর বাড়ি ঘরের পরিচয় পাওয়া যায়ানি। আসামি শুধু নাম জানিয়েছে নিহতের নাম রোজিনা বেগম। নাম জানা গেলেও ওই নারীর বাড়ি কোথায় এসব তথ্য পাওয়া যায়নি। তাকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছিল। পরে পুলিশ অজ্ঞাত হিসেবে লাশ উদ্ধার করেন। পরে কছিরউদ্দিনকে গ্রেফতার করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পিপি ফারুক মো. রেয়াজুল করিম এবং আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন খালেকুর রহমান

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন